চরচা ডেস্ক

রাজধানীর শ্যামলীতে সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত শনিবার হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ মো. আবু হানিফ শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি করেন।
মামলায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। মঈন ছাড়াও অজ্ঞাত সাত থেকে আটজনকে আসামি করা হয়েছে।
তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বলেন, “একজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও সাত-আটজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে আমাদের টিম কাজ করছে।”
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, মঈন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আসামিরা তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেন।
এজাহার অনুযায়ী, গত ১০ এপ্রিল সকালে শেরেবাংলা নগর থানার শ্যামলী ৩ নম্বর রোডে বাদীর বাসার সামনে এসে দরজা খুলতে বলেন অভিযুক্তরা। বাদীর স্ত্রী দরজা খুললে মঈন তাকে পাঁচ লাখ টাকা তাৎক্ষণিক পরিশোধের দাবি জানান। টাকা না দিলে বাদী ও তার স্ত্রীর ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়।
বাদী তখন বাসার অন্য একটি কক্ষে অবস্থান করছিলেন। পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার আশঙ্কায় তিনি হাসপাতালে থাকা তার ছোট ভাই মো. মনির তালুকদারকে (৩৫) বাসায় আসতে ফোন করেন। পরে তার ভাই বাসায় পৌঁছালে মঈনসহ অজ্ঞাত সাত-আটজন ঘটনাটি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আরও লোকজন জড়ো করতে শুরু করেন।
একপর্যায়ে অভিযুক্তরা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন লোক সমবেত করে সিকেডি হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা উচ্চস্বরে স্লোগান, গালাগালি এবং উচ্ছৃঙ্খল আচরণের মাধ্যমে পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, তারা হাসপাতালের মালিক মো. কামরুল ইসলামকে উদ্দেশ করে হুমকিসূচক স্লোগান দেন এবং অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন। এমনকি হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগের সামনেও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালানো হয়। এতে হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
পরে শেরেবাংলা নগর থানা-পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

রাজধানীর শ্যামলীতে সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত শনিবার হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ মো. আবু হানিফ শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি করেন।
মামলায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। মঈন ছাড়াও অজ্ঞাত সাত থেকে আটজনকে আসামি করা হয়েছে।
তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বলেন, “একজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও সাত-আটজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে আমাদের টিম কাজ করছে।”
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, মঈন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আসামিরা তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেন।
এজাহার অনুযায়ী, গত ১০ এপ্রিল সকালে শেরেবাংলা নগর থানার শ্যামলী ৩ নম্বর রোডে বাদীর বাসার সামনে এসে দরজা খুলতে বলেন অভিযুক্তরা। বাদীর স্ত্রী দরজা খুললে মঈন তাকে পাঁচ লাখ টাকা তাৎক্ষণিক পরিশোধের দাবি জানান। টাকা না দিলে বাদী ও তার স্ত্রীর ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়।
বাদী তখন বাসার অন্য একটি কক্ষে অবস্থান করছিলেন। পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার আশঙ্কায় তিনি হাসপাতালে থাকা তার ছোট ভাই মো. মনির তালুকদারকে (৩৫) বাসায় আসতে ফোন করেন। পরে তার ভাই বাসায় পৌঁছালে মঈনসহ অজ্ঞাত সাত-আটজন ঘটনাটি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আরও লোকজন জড়ো করতে শুরু করেন।
একপর্যায়ে অভিযুক্তরা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন লোক সমবেত করে সিকেডি হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা উচ্চস্বরে স্লোগান, গালাগালি এবং উচ্ছৃঙ্খল আচরণের মাধ্যমে পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, তারা হাসপাতালের মালিক মো. কামরুল ইসলামকে উদ্দেশ করে হুমকিসূচক স্লোগান দেন এবং অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন। এমনকি হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগের সামনেও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালানো হয়। এতে হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
পরে শেরেবাংলা নগর থানা-পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।