চরচা প্রতিবেদক

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ এই তিন ক্যাটাগরিতে জেলা নির্ধারণ করে লটারির মাধ্যমে এসপি নিয়োগ করা হয়েছে। এতে মেধাবীরা কেউ বাদ পড়েননি। ওসিদেরও লটারির মাধ্যমে নিয়োগ করা হবে।”
লটারির মাধ্যমে এসপি নিয়োগের কারণে মেধাবীরা সুযোগ পেয়েছে বলেও জানান উপদেষ্টা।
পুলিশ সুপারের (এসপি) পর লটারির মাধ্যমে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) পদায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। আজ বুধবার রাজধানীর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য জানান উপদেষ্টা।
আগামী জাতীয় নির্বাচনক সামনে রেখে দেশের ৬৪ জেলায় লটারির মাধ্যমে পুলিশ সুপার (এসপি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপন আজ বুধবার জারি করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ এই তিন ক্যাটাগরিতে জেলা নির্ধারণ করে লটারির মাধ্যমে এসপি নিয়োগ করা হয়েছে। এতে মেধাবীরা কেউ বাদ পড়েননি। ওসিদেরও লটারির মাধ্যমে নিয়োগ করা হবে।”
লটারির মাধ্যমে এসপি নিয়োগের কারণে মেধাবীরা সুযোগ পেয়েছে বলেও জানান উপদেষ্টা।
পুলিশ সুপারের (এসপি) পর লটারির মাধ্যমে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) পদায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। আজ বুধবার রাজধানীর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য জানান উপদেষ্টা।
আগামী জাতীয় নির্বাচনক সামনে রেখে দেশের ৬৪ জেলায় লটারির মাধ্যমে পুলিশ সুপার (এসপি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপন আজ বুধবার জারি করা হয়েছে।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯৭২ সালেও মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি আইন করা হয়েছিল। তবে সেই আইন ১৯৭২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংজ্ঞা ও জুলাই সনদকে বিবেচনায় রেখে দায়মুক্তির সময়সীমা শুধুমাত্র জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।