চরচা প্রতিবেদক

বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল বলেছেন, “এই সরকারের ডানে ফ্যাসিস্ট, বামে সুপ্ত-গুপ্ত শক্তি আর পেছনে রয়েছে জুলাইয়ের চেতনা। এই সবকিছু মিলিয়েই সরকারকে সামনে এগোতে হচ্ছে। আর এই অগ্রযাত্রার জন্য সাংবাদিকসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।”
আজ বুধবার সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ সফিউর রহমান মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলীকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
গণমাধ্যমের উদ্দেশে বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক বলেন, “আপনারা আমাদের সমালোচনা অবশ্যই করবেন, তবে তা যেন গঠনমূলক হয়। শুধু বলার জন্য কোনো মুখরোচক কথা না বলে, গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে সঠিক পথ দেখাতে আহ্বান জানাচ্ছি।”
বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ টেনে ব্যারিস্টার বাদল বলেন, “৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের আগে যদি চট্টগ্রাম-৪ আসনের আসলাম চৌধুরীর মামলার রায়ের মতো কোনো ঘটনা ঘটতো, তবে আপিল বিভাগের সবাইকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হতো। আসলাম চৌধুরী নির্বাচিত হওয়ার পরও এমপি হিসেবে শপথ নিতে পারেননি। অথচ বর্তমান সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় বিন্দুমাত্র হস্তক্ষেপ করেনি। বিচার বিভাগ যে স্বাধীনভাবে চলছে, এটি তারই বড় প্রমাণ। এই রায়ের বিষয়ে সরকার প্রধান কিংবা কোনো রাজনৈতিক দল থেকে কোনো ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য বা হস্তক্ষেপ করা হয়নি।”
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বাণিজ্যবিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন—সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ. এম. মাহবুব উদ্দিন খোকন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ. কে. এম. মতিনুর রহমান, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আবু জাফর খান, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক-বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, টাঙ্গাইলের জেলা জজ হাফিজুর রহমান এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল' অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক মুহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমানসহ অনেকে।

বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল বলেছেন, “এই সরকারের ডানে ফ্যাসিস্ট, বামে সুপ্ত-গুপ্ত শক্তি আর পেছনে রয়েছে জুলাইয়ের চেতনা। এই সবকিছু মিলিয়েই সরকারকে সামনে এগোতে হচ্ছে। আর এই অগ্রযাত্রার জন্য সাংবাদিকসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।”
আজ বুধবার সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ সফিউর রহমান মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলীকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
গণমাধ্যমের উদ্দেশে বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক বলেন, “আপনারা আমাদের সমালোচনা অবশ্যই করবেন, তবে তা যেন গঠনমূলক হয়। শুধু বলার জন্য কোনো মুখরোচক কথা না বলে, গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে সঠিক পথ দেখাতে আহ্বান জানাচ্ছি।”
বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ টেনে ব্যারিস্টার বাদল বলেন, “৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের আগে যদি চট্টগ্রাম-৪ আসনের আসলাম চৌধুরীর মামলার রায়ের মতো কোনো ঘটনা ঘটতো, তবে আপিল বিভাগের সবাইকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হতো। আসলাম চৌধুরী নির্বাচিত হওয়ার পরও এমপি হিসেবে শপথ নিতে পারেননি। অথচ বর্তমান সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় বিন্দুমাত্র হস্তক্ষেপ করেনি। বিচার বিভাগ যে স্বাধীনভাবে চলছে, এটি তারই বড় প্রমাণ। এই রায়ের বিষয়ে সরকার প্রধান কিংবা কোনো রাজনৈতিক দল থেকে কোনো ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য বা হস্তক্ষেপ করা হয়নি।”
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বাণিজ্যবিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন—সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ. এম. মাহবুব উদ্দিন খোকন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ. কে. এম. মতিনুর রহমান, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আবু জাফর খান, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক-বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, টাঙ্গাইলের জেলা জজ হাফিজুর রহমান এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল' অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক মুহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমানসহ অনেকে।

বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল বলেছেন, “এই সরকারের ডানে ফ্যাসিস্ট, বামে সুপ্ত-গুপ্ত শক্তি আর পেছনে রয়েছে জুলাইয়ের চেতনা। এই সবকিছু মিলিয়েই সরকারকে সামনে এগোতে হচ্ছে। আর এই অগ্রযাত্রার জন্য সাংবাদিকসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।”