ড্রোন ও ড্রোনের যন্ত্রাংশ আমদানিতে নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশও রয়েছে।
স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার এ সিদ্ধান্ত নেন ট্রাম্প। আগামী ২১ দিনের মধ্যে এই শুল্ক কার্যকর করা হবে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বড় ও বিশেষ সক্ষমতার ড্রোনে ১০০ শতাংশ শুল্ক বসানো হবে। ছোট আকারের ড্রোনে শুল্ক হবে ২৫ শতাংশ।
তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, লিশটেনস্টাইন, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড ও তাইওয়ান থেকে আসা ড্রোন ও যন্ত্রাংশে ১৫ শতাংশ শুল্ক বসবে। যুক্তরাজ্য থেকে আসা ড্রোনে শুল্ক হবে ১০ শতাংশ।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এই শুল্ক ২১ দিনের মধ্যে কার্যকর হবে। তবে যেসব ড্রোনের যন্ত্রাংশ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়, সেগুলোর ওপর শুল্ক ১৮০ দিন পর কার্যকর হবে।
এছাড়া, ট্রাম্পের আদেশে স্বাক্ষরের ২০ দিনের মধ্যে পেন্টাগন যেসব পণ্যকে ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশনের ‘কভার্ড লিস্ট’ থেকে ছাড় দেওয়ার অনুমোদন দেবে, সেসব পণ্যের ওপরও শুল্ক ১৮০ দিন পর কার্যকর হবে।
ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বিদেশি ড্রোন ও ড্রোনের যন্ত্রাংশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকের তদন্তেও বিদেশি ড্রোনের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরতা অনেক বেশি বলে উঠে এসেছে।
ট্রাম্পের পররাষ্ট্র ও বাণিজ্যনীতির অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হলো শুল্ক আরোপ। তবে এ নীতি নিয়ে এরই মধ্যে সমালোচনা ও আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে।