চরচা ডেস্ক

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিম এলাকার প্রবল বৃষ্টিতে সৃষ্ট ভূমিধসের তিন দিন পরও নিখোঁজ ৩৪ জনের কাছে পৌঁছাতে উদ্ধারকাজে বাধা হয়ে দাঁড়ানো বিশাল পাথর সরাতে আজ সোমবার বিস্ফোরক ব্যবহার করেছে উদ্ধারকারী দল। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত ওই এলাকায় শুক্রবারের ওই ভূমিধসে অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
চীন বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিধসপ্রবণ দেশগুলোর একটি। চংকিং মহানগরীর কেন্দ্র থেকে প্রায় ২৭০ কিলোমিটার (১৬৮ মাইল) দূরে পেংহুই কাউন্টিতে গত শুক্রবার এই দুর্যোগ ঘটে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভির সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, বিস্ফোরণের মাধ্যমে একটি বিশাল পাথর ভেঙে ফেলা হচ্ছে। সম্প্রচারমাধ্যমটি জানায়, উদ্ধার অভিযান এখন ‘গভীর উদ্ধার পর্যায়ে’ প্রবেশ করেছে। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেয়নি।
নিখোঁজদের উদ্ধারে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে অনুসন্ধান চালানো এবং ভূমিধসের কারণ দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং।
প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের বসবাস পেংহুই কাউন্টিতে। ভূমিধসের পর এক হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। উজিয়ান নদীর তীরঘেঁষা খাড়া পাহাড়ে গড়ে ওঠা বহু বসতি এই দুর্যোগে ঝুঁকির মুখে পড়ে।
দুর্যোগের পর প্রকাশিত ভিডিও ও ছবিতে দেখা যায়, ধসে পড়া পাহাড়ের একটি বড় অংশ নদীতে গিয়ে পড়েছে, যার ফলে পাহাড়ঘেরা জনপদের প্রধান সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
শনিবার রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, সম্ভাব্য ভূতাত্ত্বিক ঝুঁকি চিহ্নিত করতে এবং দ্বিতীয় দফা দুর্যোগের আশঙ্কা পর্যবেক্ষণে তদন্তকারী দল মোতায়েন করেছে কর্তৃপক্ষ।
সোমবার পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন প্রদেশে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস থাকায়, ভূগর্ভস্থ পানির আধিক্য ও ব্যাপক নির্মাণকাজের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সিসিটিভি জানিয়েছে, ইউনান, গুয়াংশি, গুয়াংদং, আনহুই এবং সাংহাইয়ের আটটি ছোট ও মাঝারি নদীর পানি বর্তমানে বন্যা সতর্কতা সীমার ওপরে রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রীষ্মকালের তীব্র বৃষ্টিপাত, দ্রুত নগরায়ণ ও নির্মাণকাজ, পাশাপাশি ঘন ঘন টেকটোনিক কার্যকলাপ-এসবই চীনে প্রাকৃতিক দুর্যোগের অন্যতম প্রধান কারণ। দেশটির মোট ভূখণ্ডের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই পাহাড়, টিলা ও মালভূমি।
গত এক দশকে চীনজুড়ে অন্তত পাঁচটি বড় ভূমিধসে মোট প্রায় ২৯৪ জনের প্রাণহানি হয়েছে।
এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে, যখন দক্ষিণাঞ্চলের প্রযুক্তিনগরী শেনঝেনের একটি শিল্পপার্কে নির্মাণবর্জ্যের বিশাল স্তূপ ধসে পড়ে ৭০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিম এলাকার প্রবল বৃষ্টিতে সৃষ্ট ভূমিধসের তিন দিন পরও নিখোঁজ ৩৪ জনের কাছে পৌঁছাতে উদ্ধারকাজে বাধা হয়ে দাঁড়ানো বিশাল পাথর সরাতে আজ সোমবার বিস্ফোরক ব্যবহার করেছে উদ্ধারকারী দল। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত ওই এলাকায় শুক্রবারের ওই ভূমিধসে অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
চীন বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিধসপ্রবণ দেশগুলোর একটি। চংকিং মহানগরীর কেন্দ্র থেকে প্রায় ২৭০ কিলোমিটার (১৬৮ মাইল) দূরে পেংহুই কাউন্টিতে গত শুক্রবার এই দুর্যোগ ঘটে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভির সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, বিস্ফোরণের মাধ্যমে একটি বিশাল পাথর ভেঙে ফেলা হচ্ছে। সম্প্রচারমাধ্যমটি জানায়, উদ্ধার অভিযান এখন ‘গভীর উদ্ধার পর্যায়ে’ প্রবেশ করেছে। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেয়নি।
নিখোঁজদের উদ্ধারে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে অনুসন্ধান চালানো এবং ভূমিধসের কারণ দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং।
প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের বসবাস পেংহুই কাউন্টিতে। ভূমিধসের পর এক হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। উজিয়ান নদীর তীরঘেঁষা খাড়া পাহাড়ে গড়ে ওঠা বহু বসতি এই দুর্যোগে ঝুঁকির মুখে পড়ে।
দুর্যোগের পর প্রকাশিত ভিডিও ও ছবিতে দেখা যায়, ধসে পড়া পাহাড়ের একটি বড় অংশ নদীতে গিয়ে পড়েছে, যার ফলে পাহাড়ঘেরা জনপদের প্রধান সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
শনিবার রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, সম্ভাব্য ভূতাত্ত্বিক ঝুঁকি চিহ্নিত করতে এবং দ্বিতীয় দফা দুর্যোগের আশঙ্কা পর্যবেক্ষণে তদন্তকারী দল মোতায়েন করেছে কর্তৃপক্ষ।
সোমবার পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন প্রদেশে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস থাকায়, ভূগর্ভস্থ পানির আধিক্য ও ব্যাপক নির্মাণকাজের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সিসিটিভি জানিয়েছে, ইউনান, গুয়াংশি, গুয়াংদং, আনহুই এবং সাংহাইয়ের আটটি ছোট ও মাঝারি নদীর পানি বর্তমানে বন্যা সতর্কতা সীমার ওপরে রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রীষ্মকালের তীব্র বৃষ্টিপাত, দ্রুত নগরায়ণ ও নির্মাণকাজ, পাশাপাশি ঘন ঘন টেকটোনিক কার্যকলাপ-এসবই চীনে প্রাকৃতিক দুর্যোগের অন্যতম প্রধান কারণ। দেশটির মোট ভূখণ্ডের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই পাহাড়, টিলা ও মালভূমি।
গত এক দশকে চীনজুড়ে অন্তত পাঁচটি বড় ভূমিধসে মোট প্রায় ২৯৪ জনের প্রাণহানি হয়েছে।
এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে, যখন দক্ষিণাঞ্চলের প্রযুক্তিনগরী শেনঝেনের একটি শিল্পপার্কে নির্মাণবর্জ্যের বিশাল স্তূপ ধসে পড়ে ৭০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।