
চট্টগ্রামে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কিছু সময় থেমে থেমে ভারী থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছূটি ঘোষণা করা হয়। তবে অফিসগামী মানুষদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার কার্যক্রম ও যাতায়াত ব্যাহত হওয়ায় থানচির দুর্গম এলাকার তিনটি পর্যটনকেন্দ্রে এখনো শতাধিক পর্যটক আটকা রয়েছেন।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস, সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং যেকোনো সময় ঝুঁকির শঙ্কা বেড়েছে। এই অবস্থায় পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত পর্যটকদের বান্দরবানে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সোমবার দুপুরে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তায় বলা হয়, ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে চট্টগ্রাম মহানগরীর কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতাসহ চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধস হতে পারে।

সোমবার দুপুরে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৪৮ ঘণ্টার এক বুলেটিনে বলা হয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানে ভারী (২৪ ঘণ্টায় ৪৪–৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতিভারী (২৪ ঘণ্টায় ৮৮ মিলিমিটারের বেশি) বৃষ্টিপাত হতে পারে।

ভারী বৃষ্টিতে মুম্বাইয়ের মানখুর্দ এলাকার একটি বস্তিতে দুই থেকে তিনটি বহুতল আবাসিক ভবন ধসে পড়ে। এতে পাঁচ শিশু ও এক নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে নগর কর্তৃপক্ষ।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সড়ক ধসের ঘটনা ঘটেছে। সড়কের একাংশ একটি দোকানসহ ধসে পড়ে যায়। ২১ জুন (২০২৬) রাতে মোহাম্মদীয়া হাউজিং সোসাইটির ৫ নম্বর রোডে এ ঘটনা ঘটে। ভিডিও: মাহিন আরাফাত

জাপানের সাধারণ নির্বাচনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির দল ভূমিধস জয় পেয়েছে। এর ফলে দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে তারা দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। খবর আল জাজিরার।

ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনায় অন্তত সাতজন নিহত ও ৮২ জন নিখোঁজ রয়েছেন। টানা ভারী বৃষ্টিপাতের মধ্যেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা।

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে ঘূর্ণিঝড়জনিত ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০৩ জনে দাঁড়িয়েছে, নিখোঁজ শতাধিক। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করছে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।

কলম্বো ও আশপাশের এলাকায় পানি ঢুকে পড়ায় অনেক মানুষ নৌকায় করে নিরাপদ স্থানে সরে গেছে। নিম্নাঞ্চলে বন্যার পানি ও পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকিতে সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

শ্রীলঙ্কায় বন্যা এবং ভূমিধসে শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র আজ শনিবার জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহের প্রভাবে মুষলধারে বৃষ্টিপাত এবং বন্যায় শ্রীলঙ্কাজুড়ে এখন পর্যন্ত ১২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও ১৩০ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছে। খবর এএফপির।

জাপানের ১০-মাত্রার ভূকম্পন স্কেলে এর তীব্রতা ছিল চতুর্থ-স্তরে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল মাটির ৯ কিলোমিটার গভীরে ছিল। তবে কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।

কেনিয়ায় বছরের দ্বিতীয় বর্ষা মৌসুম শুরু হয়েছে। বছরের শুরুর দিকে কেনিয়ায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়।

কেনিয়ায় বছরের দ্বিতীয় বর্ষা মৌসুম শুরু হয়েছে। বছরের শুরুর দিকে কেনিয়ায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়।