চরচা ডেস্ক

ভারী বর্ষণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী পুঞ্চ ও রাজৌরি জেলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে আরও কয়েকজন। আজ রোববারের এ দুর্যোগের পর বহু সংস্থার সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
প্রবল বৃষ্টির কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিভিন্ন নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। রাজৌরির নতুন বাসস্ট্যান্ডের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তীব্র স্রোতে কয়েক ডজন যানবাহন ভেসে গেছে এবং আরও অনেক যান পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। নিখোঁজ এক নারীর মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছে।
জেলার সব প্রধান নদীতেই পানি বিপদসীমার কাছাকাছি বা তার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছিল। সড়কগুলো পানির তোড়ে নদীর রূপ নেয় এবং শত শত বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে হয়।
সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা
কর্মকর্তারা জানান, ধ্বংসস্তূপ থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ অন্যদের খুঁজে পেতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সাংলা গ্রামে আকস্মিক বন্যায় একটি বাড়ি ভেসে যাওয়ায় একই পরিবারের চার সদস্য নিখোঁজ হন। তারা হলেন আব্দুল হামিদ, তার স্ত্রী শরিফা বেগম, মেয়ে আরিবা এবং বোন মনিরা বেগম।
নুনাবান্দি গ্রামে বাড়ি ধসে ২৮ বছর বয়সী নাজিয়া কাওসারের মৃত্যু হয়েছে।
সাংলানি-সুরানকোট এলাকায় বাড়ি ধসে ২২ বছর বয়সী শাহজাইব আহমদ নিহত হন। এ ছাড়া, মারহোট এলাকায় ইরাম নামে এক কিশোরী স্রোতে ডুবে মারা যায়।
কর্মকর্তারা জানান, ধুন্দাক লাথুং সেতুর কাছে একটি খাল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুঞ্চ জেলার হাভেলি তহসিলে প্রায় ছয়টি বাড়ি ধসে পড়ায় একজন নিহত এবং আরেকজন গুরুতর আহত হয়েছে।
এ ছাড়া, রাজৌরি শহরে একটি নদী থেকে আরও এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রাতভর টানা বৃষ্টির পর সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় শহরের নিচু এলাকা প্লাবিত হলে শত শত বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম
স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় উদ্ধারকারী দলগুলো রাতভর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে কাজ করেছে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ কন্ট্রোল রুমও চালু করা হয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতা
আবহাওয়া বিভাগ ২৩ জুলাই পর্যন্ত জম্মু ও কাশ্মীরজুড়ে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়ে সতর্কতা জারি করেছে। পরিস্থিতির ওপর নজরদারির জন্য নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে এবং জনগণকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ভারী বর্ষণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী পুঞ্চ ও রাজৌরি জেলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে আরও কয়েকজন। আজ রোববারের এ দুর্যোগের পর বহু সংস্থার সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
প্রবল বৃষ্টির কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিভিন্ন নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। রাজৌরির নতুন বাসস্ট্যান্ডের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তীব্র স্রোতে কয়েক ডজন যানবাহন ভেসে গেছে এবং আরও অনেক যান পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। নিখোঁজ এক নারীর মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছে।
জেলার সব প্রধান নদীতেই পানি বিপদসীমার কাছাকাছি বা তার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছিল। সড়কগুলো পানির তোড়ে নদীর রূপ নেয় এবং শত শত বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে হয়।
সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা
কর্মকর্তারা জানান, ধ্বংসস্তূপ থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ অন্যদের খুঁজে পেতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সাংলা গ্রামে আকস্মিক বন্যায় একটি বাড়ি ভেসে যাওয়ায় একই পরিবারের চার সদস্য নিখোঁজ হন। তারা হলেন আব্দুল হামিদ, তার স্ত্রী শরিফা বেগম, মেয়ে আরিবা এবং বোন মনিরা বেগম।
নুনাবান্দি গ্রামে বাড়ি ধসে ২৮ বছর বয়সী নাজিয়া কাওসারের মৃত্যু হয়েছে।
সাংলানি-সুরানকোট এলাকায় বাড়ি ধসে ২২ বছর বয়সী শাহজাইব আহমদ নিহত হন। এ ছাড়া, মারহোট এলাকায় ইরাম নামে এক কিশোরী স্রোতে ডুবে মারা যায়।
কর্মকর্তারা জানান, ধুন্দাক লাথুং সেতুর কাছে একটি খাল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুঞ্চ জেলার হাভেলি তহসিলে প্রায় ছয়টি বাড়ি ধসে পড়ায় একজন নিহত এবং আরেকজন গুরুতর আহত হয়েছে।
এ ছাড়া, রাজৌরি শহরে একটি নদী থেকে আরও এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রাতভর টানা বৃষ্টির পর সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় শহরের নিচু এলাকা প্লাবিত হলে শত শত বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম
স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় উদ্ধারকারী দলগুলো রাতভর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে কাজ করেছে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ কন্ট্রোল রুমও চালু করা হয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতা
আবহাওয়া বিভাগ ২৩ জুলাই পর্যন্ত জম্মু ও কাশ্মীরজুড়ে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়ে সতর্কতা জারি করেছে। পরিস্থিতির ওপর নজরদারির জন্য নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে এবং জনগণকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।