রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী বাছাই করতে সচিবালয়ে বিএনপির বৈঠকের সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।
আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে ১১ দলীয় জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সচিবালয়ের মতো নির্বাহী জায়গায় রাজনৈতিক দলের শীর্ষ বৈঠক হওয়ার নজির তার জানা নেই।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “সচিবালয় হলো একটা নির্বাহী জায়গা, এখানে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ বৈঠক হবে! শীর্ষ ফোরামের বৈঠক হবে, এটার অতীতের রেকর্ড আমাদের জানা নাই। এই কাজটি উনারা করছেন। তাহলে ওনারা গণতন্ত্রকে কীভাবে দেখেন? আমার দলের মতো হলে গণতন্ত্র, না হলে স্বৈরতন্ত্র?”
রাষ্ট্রপতির পদের প্রার্থী ঠিক করতে বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়। সেখানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দলের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করা হয়।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ বাধা তৈরি করছে বলেও মন্তব্য করেন জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ। তার দাবি, “জুলাই সনদের সংস্কার বাস্তবায়ন হলে এমপিরা স্বাধীনভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারতেন।”
সাতক্ষীরা-৪ আসনের বহিষ্কৃত জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের ভোট দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “যতক্ষণ পর্যন্ত সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অবিকলভাবে বহাল আছে ততক্ষণ সেই অনুযায়ী সংসদ সদস্যদেরকে ভোট দিতে হবে।”
এদিকে, নির্বাচন কমিশনে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে সামসুল আলমের নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি দাবি করেন, সামসুল আলম আগে বিএনপির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং এখন ইসির অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার অভিযোগ, ইসিকে বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে পরিণত করার চেষ্টা করছে।