ভোলার বোরহানউদ্দিনে ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ধর্ষণের ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে তিন কিশোরকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
বার্তাসংস্থা ইউএনবির খবরে বলা হয়েছে, গতকাল বুধবার ভুক্তভোগীর বড়ভাই বোরহানউদ্দিন মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পাঁচ কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
পরে তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীকে স্কুলছাত্রী ভোলা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিভাগে চিকিৎসাধীন।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ওই ছাত্রী গত ২৪ জুলাই স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্তরা তাকে জোর করে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়।
সেখানে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয় এবং ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি কাউকে জানালে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
পরে ওই ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে তাকে আরও কয়েকবার ধর্ষণ করা হয় বলে পরিবারের দাবি।
গত মঙ্গলবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি জানতে পারে পরিবার। এরপর তারা মামলা করে।
বোরহানউদ্দিন মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামানের বরাত দিয়ে ইউএনবি জানায়, অভিযোগ পাওয়ার পর তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে