চরচা ডেস্ক

জামায়াত-শিবিরের বিরোধিতা করায় অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কোণঠাসা হতে হয়েছে বলে দাবি করেছেন সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। তিনি বলেন, নিজের জীবন ও সম্মান বাঁচাতে চুপ করে গেছেন তিনি। একইসঙ্গে গালিবাজির রাজনীতি কেন থামছে না,তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এসব কথা বলেন তিনি। ‘সব দোষ মাহফুজ আলমে’র ইতিবৃত্ত–শীর্ষক পোস্টে আরও কিছু বিষয়ে কথা বলেছেন সাবেক এই উপদেষ্টা।
মাহফুজ আলম লিখেছেন, ‘‘আমি আজ পর্যন্ত জুলাইয়ের পক্ষের কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছি? না। কিন্তু, ব্যক্তি মাহফুজের বিরুদ্ধে হওয়া বিষোদগারের ৮০-৯০% ই জুলাইয়ের কথিত পক্ষের লোকদের বিশেষ করে জাশি-এনসিপি-উগ্র ডানদের করা। লীগ আক্রমণের টাইম আর স্পেসই খুঁজে পাচ্ছে না। আর, তথ্য মন্ত্রণালয়ে ৯ মাসের জন্য জন্য আমি দোষী হলে, আগে পরের ৯ মাসের উপদেষ্টারা কেন দায়মুক্ত? তাঁরা যদি সদিচ্চাবান হন, তাইলে মাহফুজ আলম গাদ্দার কেন?’’
তিনি লিখেছেন, ‘‘আদর্শিক জায়গা থেকে জাশি-উগ্র ডানের রাজনৈতিক আদর্শের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছি? হ্যাঁ। কিন্তু, জুলাইয়ের পক্ষের শক্তি কি শুধুই জামায়াত? '৭১ কে অস্বীকারের/ অবনমনের জাশির রাজনীতি নিয়ে যদি জামায়াতকে প্রশ্ন করা অপরাধ হয়, সে অপরাধে জুলাইয়ের কথিত পক্ষের লিবারেল-বাম-সেকুলারদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ও দায়ী হতে বাধ্য। কিন্তু, সেরকম কিছু কি হয়েছে?’’
সাবেক উপদেষ্টা লিখেছেন, ‘‘জামায়াতের আদর্শিক বিরোধিতার সূত্রে যদি আমি বিভাজনের জন্য দায়ী হই, তাহলে এ বিভাজন এবং জুলাইকে জাশির একচ্ছত্র বয়ানের খপ্পর থেকে বাঁচানোর চেষ্টার জন্য আমি বিন্দুমাত্র বিচলিত না। কিন্তু, আমি কখনই শাহবাগের ফ্যাসিবাদী জাশি-বিদ্বেষী চিন্তাকে এন্ডোর্স করি নাই।’’
মাহফুজ আলম লিখেছেন, ‘‘আমি কিছুদিন আগেও আহবান জানিয়েছি, জুলাইয়ের পক্ষের সকল শক্তিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও বিদ্বেষ থেকে বের হয়ে আসতে। পলিসি, মতাদর্শ নিয়ে তর্ক করার বদলে একজন ব্যক্তিকে টানা প্রায় দু'বছর জাশি-এনসিপি- উগ্র ডানপন্থীদের ব্যক্তি আক্রমণ কি ইঙ্গিত দেয়?’’
তিনি লিখেছেন, ‘‘গত একবছর তো জাশি-এনসিপি-উগ্র ডানদের নিয়ে তেমন কোন কোন বক্তব্য ও দিইনি। অন্তরীণ সরকারের আমলে জাশি বিরোধিতার জন্য সরকারের ভিতরে কোনঠাসা করা হয়েছে। আমি নিজের জীবন ও সম্মান বাঁচাতে চুপ করে গেসি। কিন্তু, ব্যক্তি আক্রমণ ও গালিবাজির রাজনীতি কেন থামছে না? আমি গত ৬ মাস কোন দায়িত্বেও নাই, এমপি ও না, নেতাও না। কিন্তু, এ জাশি-এনসিপি-উগ্র ডানের নিশানা কেন ব্যক্তি মাহফুজ বারবার হচ্ছে?’’
মাহফুজ আলম লিখেছেন, ‘‘শিবিরের বট এবং একটিভিস্টরা বারবার আমার ফাঁসির দাবি তুলছেন। মৃত্যুকামনা করছেন। একবার প্রতীকী জবাইও করেছেন। হত্যাযোগ্য করার লেভেল অনেক আগেই পার করেছেন। এনসিপি- উগ্র ডানেরাও এরকমই বাসনা রাখে বলেও প্রতীয়মান হচ্ছে।’’
‘‘জুলাই ধ্বংসের হোতা মাহফুজ আলম বলে আপনারা আমাকে অনেক শক্তিশালী বানাচ্ছেন। জুলাই এক ব্যক্তির খেলনা না যে, একজন ধ্বংস করে ফেলবে! আপনারা আসলে নিজেরাই এসকল বক্তব্য দিয়ে জুলাইকে খেলো/হাস্যকর বানিয়ে ফেলছেন।’’
সাবেক উপদেষ্টা আরও লিখেছেন, ‘‘জাশি-এনসিপি-উগ্র ডানের ব্যক্তি আক্রমণ বন্ধ হোক, এ কামনা করি। গালিবাজি আর ব্যক্তি আক্রমণ বাদ দিয়ে পলিসি, মতাদর্শ নিয়ে তর্ক করে যেন আমরা একটা বেটার বাংলাদেশ গড়তে পারি, সেদিকে চলেন মনযোগ দিই।’’

জামায়াত-শিবিরের বিরোধিতা করায় অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কোণঠাসা হতে হয়েছে বলে দাবি করেছেন সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। তিনি বলেন, নিজের জীবন ও সম্মান বাঁচাতে চুপ করে গেছেন তিনি। একইসঙ্গে গালিবাজির রাজনীতি কেন থামছে না,তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এসব কথা বলেন তিনি। ‘সব দোষ মাহফুজ আলমে’র ইতিবৃত্ত–শীর্ষক পোস্টে আরও কিছু বিষয়ে কথা বলেছেন সাবেক এই উপদেষ্টা।
মাহফুজ আলম লিখেছেন, ‘‘আমি আজ পর্যন্ত জুলাইয়ের পক্ষের কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছি? না। কিন্তু, ব্যক্তি মাহফুজের বিরুদ্ধে হওয়া বিষোদগারের ৮০-৯০% ই জুলাইয়ের কথিত পক্ষের লোকদের বিশেষ করে জাশি-এনসিপি-উগ্র ডানদের করা। লীগ আক্রমণের টাইম আর স্পেসই খুঁজে পাচ্ছে না। আর, তথ্য মন্ত্রণালয়ে ৯ মাসের জন্য জন্য আমি দোষী হলে, আগে পরের ৯ মাসের উপদেষ্টারা কেন দায়মুক্ত? তাঁরা যদি সদিচ্চাবান হন, তাইলে মাহফুজ আলম গাদ্দার কেন?’’
তিনি লিখেছেন, ‘‘আদর্শিক জায়গা থেকে জাশি-উগ্র ডানের রাজনৈতিক আদর্শের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছি? হ্যাঁ। কিন্তু, জুলাইয়ের পক্ষের শক্তি কি শুধুই জামায়াত? '৭১ কে অস্বীকারের/ অবনমনের জাশির রাজনীতি নিয়ে যদি জামায়াতকে প্রশ্ন করা অপরাধ হয়, সে অপরাধে জুলাইয়ের কথিত পক্ষের লিবারেল-বাম-সেকুলারদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ও দায়ী হতে বাধ্য। কিন্তু, সেরকম কিছু কি হয়েছে?’’
সাবেক উপদেষ্টা লিখেছেন, ‘‘জামায়াতের আদর্শিক বিরোধিতার সূত্রে যদি আমি বিভাজনের জন্য দায়ী হই, তাহলে এ বিভাজন এবং জুলাইকে জাশির একচ্ছত্র বয়ানের খপ্পর থেকে বাঁচানোর চেষ্টার জন্য আমি বিন্দুমাত্র বিচলিত না। কিন্তু, আমি কখনই শাহবাগের ফ্যাসিবাদী জাশি-বিদ্বেষী চিন্তাকে এন্ডোর্স করি নাই।’’
মাহফুজ আলম লিখেছেন, ‘‘আমি কিছুদিন আগেও আহবান জানিয়েছি, জুলাইয়ের পক্ষের সকল শক্তিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও বিদ্বেষ থেকে বের হয়ে আসতে। পলিসি, মতাদর্শ নিয়ে তর্ক করার বদলে একজন ব্যক্তিকে টানা প্রায় দু'বছর জাশি-এনসিপি- উগ্র ডানপন্থীদের ব্যক্তি আক্রমণ কি ইঙ্গিত দেয়?’’
তিনি লিখেছেন, ‘‘গত একবছর তো জাশি-এনসিপি-উগ্র ডানদের নিয়ে তেমন কোন কোন বক্তব্য ও দিইনি। অন্তরীণ সরকারের আমলে জাশি বিরোধিতার জন্য সরকারের ভিতরে কোনঠাসা করা হয়েছে। আমি নিজের জীবন ও সম্মান বাঁচাতে চুপ করে গেসি। কিন্তু, ব্যক্তি আক্রমণ ও গালিবাজির রাজনীতি কেন থামছে না? আমি গত ৬ মাস কোন দায়িত্বেও নাই, এমপি ও না, নেতাও না। কিন্তু, এ জাশি-এনসিপি-উগ্র ডানের নিশানা কেন ব্যক্তি মাহফুজ বারবার হচ্ছে?’’
মাহফুজ আলম লিখেছেন, ‘‘শিবিরের বট এবং একটিভিস্টরা বারবার আমার ফাঁসির দাবি তুলছেন। মৃত্যুকামনা করছেন। একবার প্রতীকী জবাইও করেছেন। হত্যাযোগ্য করার লেভেল অনেক আগেই পার করেছেন। এনসিপি- উগ্র ডানেরাও এরকমই বাসনা রাখে বলেও প্রতীয়মান হচ্ছে।’’
‘‘জুলাই ধ্বংসের হোতা মাহফুজ আলম বলে আপনারা আমাকে অনেক শক্তিশালী বানাচ্ছেন। জুলাই এক ব্যক্তির খেলনা না যে, একজন ধ্বংস করে ফেলবে! আপনারা আসলে নিজেরাই এসকল বক্তব্য দিয়ে জুলাইকে খেলো/হাস্যকর বানিয়ে ফেলছেন।’’
সাবেক উপদেষ্টা আরও লিখেছেন, ‘‘জাশি-এনসিপি-উগ্র ডানের ব্যক্তি আক্রমণ বন্ধ হোক, এ কামনা করি। গালিবাজি আর ব্যক্তি আক্রমণ বাদ দিয়ে পলিসি, মতাদর্শ নিয়ে তর্ক করে যেন আমরা একটা বেটার বাংলাদেশ গড়তে পারি, সেদিকে চলেন মনযোগ দিই।’’

চার বছর পর ৪৮ দলের ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ব্রাজিলও। তবে এখনো দলটির অনুশীলনে হাজির হতে পারেননি নেইমার। সান্তোসের এই তারকা ফরোয়ার্ডকে ছাড়াই নিউ জার্সির মরিসটাউনে অনুশীলন করেছে সেলেসাওরা। ফলে গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে তার খেলা নিয়ে সংশয় বেড়ে গেছে আরও।