চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি ও প্রতিবেশী আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন জেলার একটি আদালত। আজ বুধবার চট্টগ্রামের ৬ষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আবীর আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
অপহরণের পর পাঁচ বছর বয়সী আয়াতকে হত্যা করে মরদেহ ৬ টুকরো করে সাগরে ভাসিয়ে দেওয়ার ঘটনায় এ রায় ঘোষণা করা হয়। এর আগে গত শনিবার মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়। মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালত এ রায় প্রদান করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানার নয়ারহাট এলাকায় ঘরের পাশের মসজিদে আরবি পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয় ৫ বছর বয়সী শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে, মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে তাকে অপহরণ করেছিলেন প্রতিবেশী আবীর আলী।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অপহরণের পর শিশুটিকে লুকিয়ে রাখার উপযুক্ত স্থান না পেয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে অপরাধের আলামত গোপন করতে মরদেহ ৬ টুকরো করে সাগরে ভাসিয়ে দেয়া হয়।
ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহ পর ৩০ নভেম্বর আউটার রিং রোডের আকমল আলী ঘাট সংলগ্ন সুইচ গেট এলাকার একটি গর্ত থেকে আয়াতের দুই পা উদ্ধার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরদিন একই এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় তার খণ্ডিত মাথা। পরবর্তীতে দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আজ বহুল আলোচিত চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি ও প্রতিবেশী আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন জেলার একটি আদালত। আজ বুধবার চট্টগ্রামের ৬ষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আবীর আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
অপহরণের পর পাঁচ বছর বয়সী আয়াতকে হত্যা করে মরদেহ ৬ টুকরো করে সাগরে ভাসিয়ে দেওয়ার ঘটনায় এ রায় ঘোষণা করা হয়। এর আগে গত শনিবার মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়। মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালত এ রায় প্রদান করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানার নয়ারহাট এলাকায় ঘরের পাশের মসজিদে আরবি পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয় ৫ বছর বয়সী শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে, মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে তাকে অপহরণ করেছিলেন প্রতিবেশী আবীর আলী।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অপহরণের পর শিশুটিকে লুকিয়ে রাখার উপযুক্ত স্থান না পেয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে অপরাধের আলামত গোপন করতে মরদেহ ৬ টুকরো করে সাগরে ভাসিয়ে দেয়া হয়।
ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহ পর ৩০ নভেম্বর আউটার রিং রোডের আকমল আলী ঘাট সংলগ্ন সুইচ গেট এলাকার একটি গর্ত থেকে আয়াতের দুই পা উদ্ধার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরদিন একই এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় তার খণ্ডিত মাথা। পরবর্তীতে দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আজ বহুল আলোচিত চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

বরিশালে একটি মসজিদকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে পারিবারিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, জাল কাগজপত্র তৈরি, সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ করেছেন আফসানা আহাম্মেদ এক নারী। এ ক্ষেত্রে মসজিদটির ইমাম স্থানীয় কয়েকজন জামায়াত নেতার পরিচয় ব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। আজ রোববার বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত

ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান যখন আজ রোববার সকালে নিউ মার্কেটে নিজের কাপড়ের দোকানের শাটার তুলছিলেন, তখনো ভাবেননি সামনের কয়েকটা ঘণ্টা তাকে ক্রেতার বদলে পানির সাথে যুদ্ধ করতে হবে। শাটার খুলতেই দেখলেন, রাতের বৃষ্টিতে ততক্ষণে তার দোকানের মেঝেসহ নিচের তাকগুলো পানির নিচে। শুধু মাহবুবুর রহমানই নন, গতকাল শনিবার র