চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র যতদিন ইরানের ওপর বোমা হামলা বন্ধ রাখবে, ততদিন ইরানও নিজেদের হামলা স্থগিত রাখবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ কথা জানিয়েছেন দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
এই অবস্থান এমন সময়ে সামনে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা তাকে জানান, হামলার জন্য পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যবস্তু প্রায় শেষ হয়ে এসেছে এবং দীর্ঘমেয়াদি অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারের ওপর চাপ বাড়ছে। এরপর যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে তাদের বোমা হামলা স্থগিত করে।
টানা ১৩ রাত ধরে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র বিমান হামলা চালানোর পর শুক্রবার গভীর রাতে পেন্টাগন অভিযান স্থগিত করে। এরপর শনিবার ও রোববার যুক্তরাষ্ট্রের কোনো হামলার খবর পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, ইরানও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে প্রতিবেশী যেসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে ইরান হামলা চালিয়ে আসছিল, সেখানে গত দুই দিন ধরে তারাও কোনো হামলা চালায়নি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, তেহরানের অবস্থান এখনো ‘হামলার জবাবে হামলা’ নীতিতেই রয়েছে।
তিনি বলেন, “হামলা বন্ধ হলে ইরানও তার অভিযান বন্ধ রাখবে। এই বার্তা ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।”
ইরানের ওই জ্যেষ্ঠ সূত্র রয়টার্সকে বলেন, ট্রাম্পের হামলা স্থগিতের সিদ্ধান্তকে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার অবস্থানে বড় কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছে না।
তিনি বলেন, “হামলা বন্ধ হওয়া নিয়ে আশাবাদের চেয়ে সংশয়ই বেশি। তেহরানে প্রচলিত ধারণা হলো, এটি আন্তরিক নয়, বরং কৌশলগত বিরতি। ইরান এটাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতারণা বলে মনে করে এবং এ বিষয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা তাদের রয়েছে।”
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলেন। তিনি জানান, গত দুই সপ্তাহে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হুমকি মোকাবিলার উদ্দেশ্যে চালানো ধারাবাহিক বোমা হামলায় আগে থেকে নির্ধারিত অধিকাংশ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, বড় পরিসরের সামরিক অভিযান আবার শুরু করার সুযোগ এখনো রয়েছে। তবে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন ব্যক্তিগতভাবে ট্রাম্পকে সতর্ক করেছেন, এতে গোলাবারুদের মজুদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং ঝুঁকি তৈরি হবে। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষায় ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে।
জেনারেল কেইনের দপ্তর এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকর্তারা সাধারণত দায়িত্বে থাকা প্রেসিডেন্টকে দেওয়া ব্যক্তিগত পরামর্শ নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন না।

যুক্তরাষ্ট্র যতদিন ইরানের ওপর বোমা হামলা বন্ধ রাখবে, ততদিন ইরানও নিজেদের হামলা স্থগিত রাখবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ কথা জানিয়েছেন দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
এই অবস্থান এমন সময়ে সামনে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা তাকে জানান, হামলার জন্য পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যবস্তু প্রায় শেষ হয়ে এসেছে এবং দীর্ঘমেয়াদি অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারের ওপর চাপ বাড়ছে। এরপর যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে তাদের বোমা হামলা স্থগিত করে।
টানা ১৩ রাত ধরে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র বিমান হামলা চালানোর পর শুক্রবার গভীর রাতে পেন্টাগন অভিযান স্থগিত করে। এরপর শনিবার ও রোববার যুক্তরাষ্ট্রের কোনো হামলার খবর পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, ইরানও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে প্রতিবেশী যেসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে ইরান হামলা চালিয়ে আসছিল, সেখানে গত দুই দিন ধরে তারাও কোনো হামলা চালায়নি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, তেহরানের অবস্থান এখনো ‘হামলার জবাবে হামলা’ নীতিতেই রয়েছে।
তিনি বলেন, “হামলা বন্ধ হলে ইরানও তার অভিযান বন্ধ রাখবে। এই বার্তা ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।”
ইরানের ওই জ্যেষ্ঠ সূত্র রয়টার্সকে বলেন, ট্রাম্পের হামলা স্থগিতের সিদ্ধান্তকে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার অবস্থানে বড় কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছে না।
তিনি বলেন, “হামলা বন্ধ হওয়া নিয়ে আশাবাদের চেয়ে সংশয়ই বেশি। তেহরানে প্রচলিত ধারণা হলো, এটি আন্তরিক নয়, বরং কৌশলগত বিরতি। ইরান এটাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতারণা বলে মনে করে এবং এ বিষয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা তাদের রয়েছে।”
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলেন। তিনি জানান, গত দুই সপ্তাহে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হুমকি মোকাবিলার উদ্দেশ্যে চালানো ধারাবাহিক বোমা হামলায় আগে থেকে নির্ধারিত অধিকাংশ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, বড় পরিসরের সামরিক অভিযান আবার শুরু করার সুযোগ এখনো রয়েছে। তবে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন ব্যক্তিগতভাবে ট্রাম্পকে সতর্ক করেছেন, এতে গোলাবারুদের মজুদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং ঝুঁকি তৈরি হবে। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষায় ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে।
জেনারেল কেইনের দপ্তর এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকর্তারা সাধারণত দায়িত্বে থাকা প্রেসিডেন্টকে দেওয়া ব্যক্তিগত পরামর্শ নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন না।