চরচা প্রতিবেদক

শেয়ারবাজারে কারসাজি, জালিয়াতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে মামলার তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন এ তারিখ ধার্য করেন।
দুদকের জিআর শাখার কর্মকর্তা আক্কাস আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন সমবায় অধিদফতরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজি ফুয়াদ হাসান, কাজি ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অবৈধ সিরিজ ট্রানজেকশন, প্রতারণামূলক অ্যাকটিভ ট্রেডিং, গ্যাম্বলিং ও স্পেকুলেশনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে শেয়ারবাজারে কারসাজি করেন। এর ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রতারিত হয়ে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন।
এজাহার অনুযায়ী, এই কারসাজির কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছরের ১৭ জুন মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

শেয়ারবাজারে কারসাজি, জালিয়াতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে মামলার তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন এ তারিখ ধার্য করেন।
দুদকের জিআর শাখার কর্মকর্তা আক্কাস আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন সমবায় অধিদফতরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজি ফুয়াদ হাসান, কাজি ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অবৈধ সিরিজ ট্রানজেকশন, প্রতারণামূলক অ্যাকটিভ ট্রেডিং, গ্যাম্বলিং ও স্পেকুলেশনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে শেয়ারবাজারে কারসাজি করেন। এর ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রতারিত হয়ে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন।
এজাহার অনুযায়ী, এই কারসাজির কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছরের ১৭ জুন মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়।