রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার গাজীপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আখতারুজ্জামানকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আরিফ রেজা এই তথ্য জানান।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন জানান তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর মো. মাসুদুর রহমান। তবে ওইদিন রিমান্ড শুনানি না হওয়ায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং রিমান্ড শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।
গত ৫ আগস্ট রাতে গুলশানের একটি বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
এদিন সাবেক এই এমপিকে পুলিশি পাহাড়ায় আদালতে হাজির করা হয়। পরে তার আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। অপরদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা তার রিমান্ডের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি এই মামলার ঘটনার সাথে জড়িত আছে মর্মে প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই মামলার ঘটনার সাথে জড়িত সহযোগী অন্যান্য পলাতক আসামিদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহপূর্বক গ্রেপ্তার এবং তাদের রাষ্ট্রোবিরোধী অবৈধ পরিকল্পনার তথ্য সংগ্রহ, হেফাজতে থাকা অবৈধ ককটেল বোমার উৎসসহ মামলার ঘটনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদঘাটনের জন্য নিবীড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ড প্রয়োজন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১৮ জুন সকালে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার মহাখালী বাস টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় নিবাস মজুমদারসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৩৫-৪০ জন নেতাকর্মী মিছিল বের করেন। মিছিলে তারা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টিসহ রাষ্ট্রবিরোধী নানা কর্মকাণ্ড চালান। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানার পুলিশ বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করে।