চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর শনিরআখড়া এলাকায় মোবাইল ফোন চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে মো. আল আমিন (৩৩) নামে এক যুবক মারা গেছেন।
গতকাল শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আল আমিনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা তার প্রতিবেশী রাসেল জানান, শনিরআখড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন দিনমজুর আল আমিন। শনিবার রাতে মোবাইল ফোন চার্জ দিতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক বোর্ডে হাত লাগলে তার। এতে বিদ্যুতায়িত হয়ে অচেতন হন তিনি। পরে টের পেয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর শনিরআখড়া এলাকায় মোবাইল ফোন চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে মো. আল আমিন (৩৩) নামে এক যুবক মারা গেছেন।
গতকাল শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আল আমিনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা তার প্রতিবেশী রাসেল জানান, শনিরআখড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন দিনমজুর আল আমিন। শনিবার রাতে মোবাইল ফোন চার্জ দিতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক বোর্ডে হাত লাগলে তার। এতে বিদ্যুতায়িত হয়ে অচেতন হন তিনি। পরে টের পেয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।