Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১১ অক্টোবর, ২০২৬
১১ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১১ অক্টোবর, ২০২৬
১১ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

চীনে বিয়ে করা কেন কঠিন

কেয়া সরকার

কেয়া সরকার

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪: ৫০
চীনে বিয়ে করা কেন কঠিন

বিয়ের মধ্য দিয়ে দুটি মানুষ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। একেক দেশে বিয়ের রীতিনীতি, পোশাক-আশাক, ঐতিহ্য একেক রকম। কখনো এক দেশের বিয়ের রীতি অন্য দেশের বিপরীত। যেমন: বাংলাদেশে বিয়ের সময় কন্যাপক্ষ পাত্রপক্ষকে বিভিন্ন উপহার দিয়ে থাকে, যা আমরা যৌতুক হিসেবে অভিহিত করে থাকি। আর চীনে হয় তার ঠিক উল্টো। বিয়ে করতে হলে পাত্রপক্ষকে দিতে হয় ‘ব্রাইড প্রাইস’।

Advertisement

এ নিয়ে আবার অনেক যুবক নানা দুশ্চিন্তায় ভোগেন। বাংলাদেশে যেমন মেয়েকে বিয়ে দিতে গেলে কন্যাপক্ষের গলার কাঁটা হয়ে ওঠে যৌতুক, চীনের বিয়ের বাজারের অন্যতম সমস্যা এই ব্রাইড প্রাইস বা কনেকে বিয়ের জন্য দিতে হয় অর্থ। সম্প্রতি চীনে শিশু জন্মহার আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় এই ব্রাইড প্রাইস বেশ প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।

চলতি মাসের শুরুতে ইউন চিচি নামে এক নারী চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম শিয়াওহংশুতে বিয়ের উপযুক্ত এক পাত্রের জন্য পোস্ট দেন। সেখানে পাত্রের বহু গুণগান করেন তিনি। পোস্টে লেখেন ওই পাত্রের একটি গাড়ি আছে, হাসপাতালে একটি স্থায়ী চাকরি আছে। তার বাবা-মায়ের অবসরকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত। তিনি ধূমপান বা মদ্যপান করেন না, রান্না করতে পারেন এবং স্বভাবেও শান্ত। এক কথায়, একবারে আদর্শ পাত্র।

এরপর চিচি লেখেন, তিনি যদি ওই পাত্রকে নিজের পরিবারে জামাই হিসেবে নিতে (যা চীনে বেশ অস্বাভাবিক) চান, তাহলে বিয়ের বাজারে তার জন্য কত টাকা দিতে হবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মজার ব্যাপার হলো, পোস্টকারী আসলে মেয়ে সেজে নিজেকেই বর্ণনা করছিলেন। এই সত্য প্রকাশের আগেই পোস্টটি ভাইরাল হয়ে যায়। সত্য প্রকাশের পর পোস্টটি দ্রুত মুছে ফেলা হয়।

চীনে এখনো দিতে হয় ব্রাইড প্রাইস

চীনের ইতিহাসে ভালোবাসা ছিল মূলত লেনদেননির্ভর। ঐতিহ্যগতভাবে ঘটকরা পরিবারিক মর্যাদা, সম্পদ ও সামাজিক রীতিনীতি বিবেচনা করতেন।

কিছু চীনা নাগরিক মনে করেন, ব্রাইড প্রাইস নারীদের পণ্যে পরিণত করে। ছবি: রয়টার্স
কিছু চীনা নাগরিক মনে করেন, ব্রাইড প্রাইস নারীদের পণ্যে পরিণত করে। ছবি: রয়টার্স

অর্গানাইজেশন অব রিসার্চ অন চায়না অ্যান্ড এশিয়াতে (ওআরসিএ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মূলত কনের পরিবারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং তাদের কাছ থেকে কনের শ্রমশক্তি হারানোর ক্ষতিপূরণ হিসেবে ব্রাইড প্রাইসের প্রচলন শুরু হয়েছিল। যেটি চীনে ‘কাইলি’ নামে পরিচিত।

তবে ১৯৯০–এর দশকে চীনে বাজার উদারীকরণের পর এটি ধীরে ধীরে একটি বড় অর্থনৈতিক লেনদেনে পরিণত হয়। ২০২৩ সালের মধ্যে সারা দেশে কনের গড় মূল্য দাঁড়ায় ৬৯ হাজার ইউয়ান। তুলনামূলকভাবে ধনী প্রদেশ যেমন ঝেজিয়াংয়ে এই অঙ্ক গড়ে এক লাখ ৮৩ হাজার ইউয়ানেরও বেশি ছিল।

এর বিপরীতে, জিয়াংসি মতো গ্রামীণ অঞ্চলে কনের মূল্য তিন লাখ ৮০ হাজার ইউয়ান ছাড়িয়ে গেছে, যেখানে বাড়ি বা গাড়ির মতো অতিরিক্ত দাবিগুলো থাকে না।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক দেশে ‘বিয়ে বাবদ মূল্য’ বা ব্রাইড প্রাইস দেওয়ার প্রথা ধীরে ধীরে উঠে গেলেও চীনে এখনো এই প্রথা অনেকাংশে চলমান।

কিছু চীনা নাগরিক মনে করেন, ব্রাইড প্রাইস নারীদের পণ্যে পরিণত করে। আবার দেশটির কিছু রক্ষণশীল মানুষের দাবি, এমন অর্থ গ্রহণ করা মানেই যৌন সম্পর্কে সম্মতি দেওয়া।

আমেরিকার জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ইফেং ওয়ানের একটি সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী, চীনের গ্রামগুলোতে বিয়ের ক্ষেত্রে মাঝারি যোগ্যতাসম্পন্ন কনের মূল্য ২০০৫ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বাস্তব হিসাবে দ্বিগুণ হয়েছে। শহরাঞ্চলেও এই অঙ্ক বাড়ছে।

এদিকে, ২০০১ সালে সাংহাই একাডেমি অব সোশ্যাল সায়েন্সেসের লিউ ওয়েনরংয়ের গবেষণা অনুযায়ী, ওই সময়ে ১২ শতাংশেরও কম মানুষ প্রেম ছাড়া বিয়ে করতে রাজি ছিলেন। কিন্তু বর্তমানে বাস্তব বিবেচনার চাপে রোমান্স ক্রমেই গুরুত্ব হারাচ্ছে। বর্তমানে সাংহাইয়ে ২৫ শতাংশ পুরুষ এবং ২৩ দশমিক ৬ শতাংশ নারী বলেন, তারা প্রেম ছাড়াও বিয়ে করতে রাজি।

ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, চীনের বিয়ের সংকটের জন্য অর্থনৈতিক মন্দাও একটি বড় কারণ হতে পারে। উচ্চশিক্ষা এখন আর ভালো চাকরির নিশ্চয়তা দিচ্ছে না এবং নভেম্বর পর্যন্ত যুব বেকারত্বের হার ছিল ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ। অনেক পরিবারই আশা করে পাত্রের নিজের একটি বাড়ি থাকবে। ফলে অর্থনৈতিক সংকট বহু তরুণের বিয়ের সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এমন পরিস্থিতিতে তরুণরা অত্যন্ত সতর্ক হয়ে পড়ছে। সাংহাইয়ে প্রায় অর্ধেক অবিবাহিত তরুণী বলেন, বাবা-মায়ের অনুমোদন না পেলে তারা বিয়ে করবেন না।

চীনের গ্রামগুলোতে বিয়ের ক্ষেত্রে মাঝারি যোগ্যতাসম্পন্ন কনের মূল্য ২০০৫ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বাস্তব হিসাবে দ্বিগুণ হয়েছে। ছবি: রয়টার্স
চীনের গ্রামগুলোতে বিয়ের ক্ষেত্রে মাঝারি যোগ্যতাসম্পন্ন কনের মূল্য ২০০৫ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বাস্তব হিসাবে দ্বিগুণ হয়েছে। ছবি: রয়টার্স

অনেকে বিয়ের সামাজিক ও আর্থিক চাপ এড়িয়ে চলতেই বিয়ে থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। গত বছরের প্রথমভাগে মাত্র ১৮ লাখ দম্পতি বিয়ে নিবন্ধন করেছেন, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৮ দশমিক ১ শতাংশ কম। ২৫-২৯ বছর বয়সীদের মধ্যে অবিবাহিত থাকার হার ৫০ শতাংশের বেশি।

চীন সরকারের ‘মাথা ব্যথ্যা’ ব্রাইড প্রাইস

কন্যামূল্য দেওয়ার এই রীতি নিয়ে উদ্বিগ্ন চীনের সরকার। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে এই প্রথা নিয়ন্ত্রণ করতে চায় তারা, যেখানে আয় অনুযায়ী কনের মূল্য খুবই বেশি। অনেক সময় প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করতে গিয়ে বরপক্ষের পরিবার দারিদ্র্যের মুখে পড়ে। এই ব্রাইড প্রাইসের বৃদ্ধি চীনের বিয়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ার পেছেনে অন্যতম কারণ বলে অভিহিত করেছে ওআরসিএ।

২০১৯ সাল থেকে কমিউনিস্ট পার্টি নিয়মিত এই সমস্যাটি মোকাবিলার আহ্বান জানিয়ে আসছে। তবুও খুব একটা অগ্রগতি হয়নি। যদিও চীনের আইন অনুযায়ী ‘বিয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত অর্থ বা উপহার আদায়’ নিষিদ্ধ। তবে গ্রামাঞ্চলের কর্মকর্তারা স্থানীয় রীতিনীতির প্রতি সম্মান দেখাতে এবং পারিবারিক বিবাদে জড়িয়ে পড়ার ভয়ে সাধারণত হস্তক্ষেপ এড়িয়ে যান। বিভিন্ন জায়গায় কনের মূল্য নির্ধারণ করে সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সেই সীমাও কখনো কখনো বেশ বেশি। উদাহরণস্বরূপ গানসু প্রদেশের কিছু এলাকায় পঞ্চাশ হাজার থেকে আশি হাজার ইউয়ান পর্যন্ত।

চীনে প্রায় সব শিশুই বৈবাহিক সম্পর্কের মধ্যেই জন্মায়, তাই এই পরিস্থিতি সরকারের চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। গত ১৯ জানুয়ারি সরকার জানায়, জন্মহার ১৯৪৯ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। প্রতি এক হাজার জনে ৫ দশমিক ৬৩ জন জন্ম নিচ্ছে (অন্যদিকে মৃত্যুহার ৮ দশমিক ৪)।

আমেরিকান সংবাদমাধ্যম সিএনএন–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জন্মহার বাড়ানোর চেষ্টায় এবার অভিনব সব ব্যবস্থা নিয়েছে চীন। নতুন বছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জানুয়ারি থেকে দেশটিতে কনডমসহ সব ধরনের গর্ভনিরোধক পণ্যের ওপর ১৩ শতাংশ বিক্রয় কর কার্যকর করা হয়েছে।

সেই সঙ্গে, তরুণ প্রজন্মকে সন্তান গ্রহণে উৎসাহিত করতে শিশু যত্ন (চাইল্ড কেয়ার) ও বিয়ে সংক্রান্ত সেবাকে করমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। গত বছরের শেষের দিকে কর ব্যবস্থায় এই রদবদলের ফলে ১৯৯৪ সাল থেকে চলে আসা বহু করছাড় বাতিল হয়ে গেছে।

গত বছরের মে মাসে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, গানসু প্রদেশের সরকার এ বছরের শেষ নাগাদ উচ্চ ব্রাইড প্রাইস ‘কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ’ এবং ২০২৬ সালে তা ‘ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার’ একটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

দ্য ইকোনমিস্ট বলেছে, চীনে এই প্রথার পরিবর্তনের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অনেক পুরুষের বিয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠা। দেশটিতে লিঙ্গ ভারসাম্যে বিশাল অসামাঞ্জস্যতা রয়েছে। ২০২৭ সালের মধ্যে বিয়ের উপযুক্ত বয়সী গোষ্ঠীতে প্রতি ১০০ জন নারীর বিপরীতে পুরুষ থাকবে ১১৯ জন।

আবার নারীরাও সংস্কারের বিরোধিতা করেন। অনেকেই কনের মূল্যকে বিবাহবিচ্ছেদের বিরুদ্ধে এক ধরনের সুরক্ষা হিসেবে দেখেন, কারণ চীনে বিয়ে ভাঙার হার আমেরিকার তুলনায় বেশি।

সব মিলিয়ে বিয়ে নিয়ে শাঁখের করাতে আছে চীনের সরকার। একদিকে আছে সামাজিক, অর্থনৈতিক বাধা, অন্যদিকে শ্রমশক্তিকে টিকিয়ে রাখার জন্য এ সমস্যার সমাধানও অতীব প্রয়োজন। সি চিন পিংয়ের সরকার এ ক্ষেত্রে কতটা কী করতে পারে, তাই এখন দেখার।

বিষয়: বিবাহবন্ধনউপহারকন্যাসন্তানযৌতুকবিয়েচীন
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানকে জড়িয়ে অপপ্রচারে প্রভাবিত না হওয়ার অনুরোধ আইএসপিআরের

  • ২

    ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা রুটে ফ্লাইট স্থগিত করেছে বিমান

  • ৩

    যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় বন্দুক হামলায় নিহত ৯

  • ৪

    ফিলিস্তিনের নির্বাচন কেন স্থগিত করলেন আব্বাস?

  • ৫

    রিয়াদের কিং খালেদ বিমানবন্দরে হামলায় কয়েকজন আহত, কার্যক্রম বন্ধ

সম্পর্কিত
  • নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

    নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

    বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। তবে দুই দেশের মধ্যে পানি বণ্টন নিয়ে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি রয়েছে কেবল গঙ্গা নদীকে ঘিরে। আগামী ১২ ডিসেম্বর গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নতুন বা সংশোধিত চুক্তিতে শুষ্ক মৌসুমে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে গ্যারান্টি ধারা অন্তর্ভুক্ত করাকে

  • বিদেশি তারকাদের নিয়ে ঢাকায় কনসার্ট করা কেন কঠিন হয়ে যাচ্ছে?

    বিদেশি তারকাদের নিয়ে ঢাকায় কনসার্ট করা কেন কঠিন হয়ে যাচ্ছে?

    কয়েক বছর আগেও আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক তারকা- বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানের শীর্ষ সারির সুরকার ও শিল্পীদের পরিবেশনায় মুখরিত থাকত ঢাকার কনসার্ট অঙ্গন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশি শিল্পীদের নিয়ে আয়োজিত কনসার্টের টিকিট কেনা দর্শক-শ্রোতাদের জন্য যেন এক বড় ধরনের অনিশ্চয়তার নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

  • ককরোচ পার্টির আন্দোলন সামনে রেখে কী চলছে দিল্লিতে?

    ককরোচ পার্টির আন্দোলন সামনে রেখে কী চলছে দিল্লিতে?

    ভারতের নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং বিতর্কিত বিশেষ নিবিড় পুনর্নিরীক্ষণ (এসআইআর ) বাতিলের দাবিতে দেশটিতে বিক্ষোভ চলছে। এই বিক্ষোভঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

  • আফগানিস্তানকেও টেস্টে ‘ভয়’ পাচ্ছে বাংলাদেশ?

    আফগানিস্তানকেও টেস্টে ‘ভয়’ পাচ্ছে বাংলাদেশ?

    একদিন বাদেই বাংলাদেশের একটা টেস্ট ম্যাচ, তবে তার আগে নেই কোনো উত্তাপ। এমনকি অনেকেই জানেন না যে কাল আফগানিস্তানের বিপক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে লাল বলের ক্রিকেট খেলবে নাজমুল হোসেনের দল। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বাইরের এমন একটি ম্যাচে চলতি বছরই জিম্বাবুয়ের কাছে ভরাডুবি হয়েছিল বাংলাদেশ দলের। তা