Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

ডাক্তার বাড়লেও মান কমছে, কারণ কী?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১: ১৮
ডাক্তার বাড়লেও মান কমছে, কারণ কী?
ছবি: সংগৃহীত

অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, অপ্রতুল ক্লিনিক্যাল সুযোগ, গবেষণার সংকট এবং মাননিয়ন্ত্রণের জরুরি চাহিদাকে সামনে রেখে চিকিৎসা শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। দেশে রেকর্ডসংখ্যক চিকিৎসা স্নাতক তৈরি হলেও স্বাস্থ্যকর্মীদের দক্ষতা ও শিক্ষার মান নিয়ে বড় দুর্বলতা রয়ে গেছে। ঠিক এমন সময়ে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ২০২২ সালের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি ১০ হাজার মানুষের জন্য মাত্র ১৩ জন চিকিৎসক, নার্স ও মিডওয়াইফ রয়েছেন। আন্তর্জাতিক গড় যেখানে ৪৯ জন।

গত সোমবার জাতীয় সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ন্যূনতম চিকিৎসক-জনসংখ্যা অনুপাত বজায় রাখতে দেশে ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসক প্রয়োজন। অথচ সরকারি হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে কাজ করছেন মাত্র ৩০ হাজার ৩১১ জন।

২০২৬ সালে পরিচালিত সরকার-অর্থায়নকৃত এক সমীক্ষার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, ডব্লিউএইচও-এর সর্বনিম্ন মানদণ্ড (প্রতি ২ হাজার জনে এক জন ডাক্তার) পূরণ করতে ওই সংখ্যক চিকিৎসক দরকার।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কলেজ বাড়লেও চ্যালেঞ্জ শিক্ষার মান

গত কয়েক বছরে দেশে চিকিৎসা শিক্ষার পরিধি অনেক বিস্তৃত হয়েছে। তবে প্রাতিষ্ঠানিক প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। নতুন ভবন তৈরির পাশাপাশি পর্যাপ্ত শিক্ষক, ল্যাবরেটরি, হাসপাতাল, আধুনিক সরঞ্জাম এবং হাতে-কলমে শেখার সুযোগ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

বিশ্বব্যাংকের এক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষকের দীর্ঘদিনের ঘাটতি চিকিৎসা শিক্ষার প্রধান দুর্বলতা। ল্যাবরেটরি, গবেষণামূলক জার্নাল ও ইন্টারনেট সংযোগের অভাবসহ মানসম্মত শিখন-পরিবেশের ঘাটতি শিক্ষার মানকে ক্ষুণ্ন করছে।

অবকাঠামো ও শিক্ষক সংকট মোকাবিলায় উদ্যোগ

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নথি অনুযায়ী, সরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলোর পুরোনো একাডেমিক ভবন আধুনিকায়ন ও সংস্কারের কাজ চলছে। বিদ্যমান ছাত্রাবাস সংস্কারের পাশাপাশি যেসব প্রতিষ্ঠানে আবাসন সুবিধা নেই, সেখানে নতুন হোস্টেল নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষক সংকট মেটাতে নতুন নিয়োগ, পদোন্নতি ও পেশাগত সুযোগ বাড়ানো হচ্ছে। সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে নতুন শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান। শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়াতে বিষয়ভিত্তিক ও সমন্বিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসা শিক্ষায় একাডেমিক জ্ঞানের পাশাপাশি বাস্তব অভিজ্ঞতা জরুরি হওয়ায় এই সংকট দূর করাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের মূল্যায়নে দেখা গেছে, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত গুরুতর জনবল সংকট ও ভৌগোলিক বৈষম্যে জর্জরিত। অনুমোদিত ও নিবন্ধিত অধিকাংশ স্বাস্থ্যকর্মীর শহরাঞ্চলে কেন্দ্রীভূত।

মেডিকেল কলেজের নাম পরিবর্তন, বাদ গেল ‘শহীদ এম. মনসুর আলী’mansur ali

পাঠ্যক্রম পরিমার্জন ও সিমুলেশন শিক্ষা

চিকিৎসা বিজ্ঞানের বৈশ্বিক পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে সাধারণত প্রতি পাঁচ বছর পরপর মেডিকেল শিক্ষার পাঠ্যক্রম পর্যালোচনা ও সংশোধন করা হয়। তবে শুধু পাঠ্যক্রম পরিবর্তন করলেই রাতারাতি ফল আসে না। একটি নতুন পাঠ্যক্রমের সুফল পেতে অন্তত দুই থেকে তিনটি ব্যাচ সেই কারিকুলামের অধীনে শিক্ষা শেষ করা প্রয়োজন। পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি শিখন পদ্ধতি, মূল্যায়ন প্রক্রিয়া, ক্লিনিক্যাল এক্সপোজার এবং শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন সমান জরুরি।

সরকারের প্রস্তাবিত সংস্কারের অন্যতম প্রধান দিক হলো সিমুলেশন-ভিত্তিক শিক্ষা। যেসব মেডিকেল কলেজে এই সুবিধা নেই, সেগুলোতে পর্যায়ক্রমে আধুনিক সিমুলেশন ল্যাব স্থাপন করা হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীরা সরাসরি রোগীর ওপর প্রয়োগ করার আগে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে জটিল অস্ত্রোপচার বা চিকিৎসা পদ্ধতি অনুশীলন করতে পারবেন। এতে তাদের কারিগরি দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং রোগীর ওপর ঝুঁকি কমবে। হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ আরও কার্যকর করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গবেষণা শক্তিশালী করতে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘রিসার্চ, পাবলিকেশন অ্যান্ড কারিকুলাম ডেভেলপমেন্ট বিভাগ’ থেকে শিক্ষকদের প্রতি বছর অনুদান দেওয়া হচ্ছে। উদ্দেশ্য নতুন জ্ঞান সৃষ্টি, উদ্ভাবন উৎসাহিত করা এবং প্রমাণ-ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি জনপ্রিয় করা। স্নাতকোত্তর কোর্স আধুনিকায়ন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা বাড়ানো হচ্ছে। শিক্ষক বিনিময় কর্মসূচিও জোরদার করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের চিকিৎসা শিক্ষার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করতে কাজ করছে ‘বাংলাদেশ মেডিকেল এডুকেশন অ্যান্ড অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল’ (বিএমইএসি)। ২০২৩ সালের আইনের অধীনে গঠিত এই কাউন্সিল ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। এটি চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কোর্সের অনুমোদন ও স্বীকৃতি দেওয়ার দায়িত্ব পালন করছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নথিতে বলা হয়েছে, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক নিয়োগ, পাঠ্যক্রম সংশোধন, সিমুলেশন ল্যাব, উন্নত ক্লিনিক্যাল ট্রেনিং, স্নাতকোত্তর শিক্ষা, ফ্যাকাল্টি বিনিময় এবং গবেষণার সমন্বয়ে এই দীর্ঘমেয়াদী সংস্কার বাস্তবায়িত হচ্ছে।

বিষয়: চিকিৎসাসরকারবিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাজাতীয় সংসদডাক্তার
সর্বশেষ
  • ১

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মার পানি কমেছে ৬ সেন্টিমিটার

  • ২

    বিরিয়ানিতে আলু এল কীভাবে?

  • ৩

    ভালো কোম্পানিকে সহজে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করা হবে: বিএসইসি চেয়ারম্যান

  • ৪

    ইন্দোনেশিয়ায় ২৪১ জন যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ

  • ৫

    ‘শেখ হাসিনাকে এই সরকারের সঙ্গেই আলোচনা করতে হবে’

সম্পর্কিত
  • বিরিয়ানিতে আলু এল কীভাবে?

    বিরিয়ানিতে আলু এল কীভাবে?

    বিরিয়ানিতে নাকি আলু প্রচলন শুরু করেছিলেন লখনৌয়ের শেষ নবার ওয়াজিদ আলি শাহ—এমনটা প্রায়ই শোনা যায়। লখনৌ থেকে তাকে যখন কলকাতায় নির্বাসিত করা হয় তখনই নাকি তার নবাবি হেঁশেলে বিরিয়ানিতে আলুর প্রচলন হয়। অনেকে বলেন, নবাব সাহেবের কোষাগারে টান পড়ছিল বলে বিরিয়ানিতে আলু ঢুকেছিল।

  • ব্রিকসের ১৮তম সম্মেলনের প্রথম দিনে যা বললেন বিশ্ব নেতারা

    ব্রিকসের ১৮তম সম্মেলনের প্রথম দিনে যা বললেন বিশ্ব নেতারা

    মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও সংযমের আহ্বান জানিয়ে একটি যৌথ ঘোষণা গ্রহণ করেছে ব্রিকস জোটভুক্ত দেশগুলো। একই সঙ্গে বৈশ্বিক বাণিজ্য, সরবরাহব্যবস্থা ও জ্বালানির নির্বিঘ্ন প্রবাহ বজায় রাখতে একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে তারা। খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার।

  • ব্রিকস সম্মেলনের এবারের এজেন্ডা কী, কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    ব্রিকস সম্মেলনের এবারের এজেন্ডা কী, কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    এই জোটকে পশ্চিমা ধনী দেশগুলোর নেতৃত্বাধীন অর্থনৈতিক জোটগুলোর বিকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে। সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস নয়াদিল্লিতে পৌঁছান। তারা মোদির সঙ্গে আলাদা বৈঠকও করেন।

  • ৯/১১: কী আছে ২৫ বছর পর প্রকাশিত গোপন নথিতে

    ৯/১১: কী আছে ২৫ বছর পর প্রকাশিত গোপন নথিতে

    পোর্টালে নথির এই প্রথম ধাপের প্রকাশটি কেবল শুরু মাত্র বলে জানান ব্যাঙ্কস। তিনি জানান, আগামী এক বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে আরও তথ্য প্রকাশ্যে আনা হবে এবং নতুন নথি আসার সাথে সাথে জনগণকে জানানো হবে।