Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

যেভাবে নির্বাসিত হয়েছিলেন রুশ বিপ্লবী ট্রটস্কি

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১১: ১০
যেভাবে নির্বাসিত হয়েছিলেন রুশ বিপ্লবী ট্রটস্কি

১৯১৭ সালের বলশেভিক বিপ্লব বা অক্টোবর বিপ্লবের অন্যতম নেতা এবং সোভিয়েত রাষ্ট্রের প্রাথমিক রূপকার ছিলেন লিও ট্রটস্কি। তৎকালীন সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্টালিন মধ্য এশিয়ার আলমা-আতায় নির্বাসিত করেছিলেন ট্রটস্কিকে।

Advertisement

সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে চিরতরে বহিষ্কৃত হওয়ার আগে তিনি সেখানে এক বছর অভ্যন্তরীণ নির্বাসনে ছিলেন।

এই নির্বাসনের ঘটনা ঘটেছিল ৯৮ বছর আগে, আজকের দিনে।

১৮৭৯ সালে ইউক্রেনে রুশ-ইহুদি পরিবারে জন্মগ্রহণকারী ট্রটস্কি কিশোর বয়সেই মার্ক্সবাদে দীক্ষিত হন। পরবর্তীতে তিনি ওডেসা বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দিয়ে আন্ডারগ্রাউন্ড ‘সাউথ রাশিয়ান ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন’ সংগঠিত করতে সহায়তা করেন। ১৮৯৮ সালে বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের জন্য ট্রটস্কি গ্রেপ্তার হন। এরপর ১৯০০ সালে তাকে সাইবেরিয়ায় নির্বাসিত করা হয়েছিল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

লিও ট্রটস্কির প্রকৃত নাম ছিল লেভ দাভিদোভিচ ব্রনস্টেইন। ১৯০২ সালে তিনি লিও ট্রটস্কি ছদ্মনামে একটি জাল পাসপোর্ট ব্যবহার করে ইংল্যান্ডে পালিয়ে যান।

লন্ডনে তিনি বলশেভিক বিপ্লবী ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের সাথে একযোগে কাজ করেন, কিন্তু পরবর্তীতে মেনশেভিক উপদলের পক্ষ নেন। মেনশেভিকেরা গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রের পক্ষপাতী ছিল। ১৯০৫ সালে রুশ বিপ্লব শুরু হলে ট্রটস্কি রাশিয়া ফিরে আসেন। তবে বিপ্লব ব্যর্থ হওয়ার পর তাকে আবারও সাইবেরিয়ায় নির্বাসিত করা হয়। ১৯০৭ সালে তিনি পুনরায় সেখান থেকে পালিয়ে যান।

পরবর্তী এক দশকে তার চরমপন্থী আদর্শের কারণে তিনি একের পর এক দেশ থেকে বহিষ্কৃত হন। ১৯১৭ সালের বিপ্লব শুরুর আগে তিনি সুইজারল্যান্ড, প্যারিস, স্পেন এবং নিউ ইয়র্ক সিটিতে বসবাস করেন। বলশেভিকদের ক্ষমতা দখলের ক্ষেত্রে ট্রটস্কি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং নভেম্বরে পেট্রোগ্রাডের অধিকাংশ এলাকা দখল করে নেন।

লেনিনের পররাষ্ট্র বিষয়ক সচিব নিযুক্ত হয়ে তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধে রাশিয়ার অংশগ্রহণের সমাপ্তি ঘটাতে জার্মানদের সাথে আলোচনা করেন। ১৯১৮ সালে তিনি যুদ্ধ বিষয়ক কমিশনার হন এবং রেড আর্মি বা লাল ফৌজ গঠনে মনোনিবেশ করেন। লাল ফৌজ রুশ গৃহযুদ্ধে কমিউনিস্ট বিরোধীদের পরাজিত করে। ১৯২০ এর দশকের শুরুর দিকে ট্রটস্কিকে লেনিনের উত্তরসূরি হিসেবে মনে করা হতো। কিন্তু ১৯২২ সালে লেনিন অসুস্থ হয়ে পড়ার পর উত্তরাধিকারের লড়াইয়ে তিনি পরাজিত হন।

১৯২৪ সালে লেনিনের মৃত্যুর পর জোসেফ স্টালিন সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন। স্টালিনের ঘোষিত নীতির বিপরীতে ট্রটস্কি একটি নিরবচ্ছিন্ন বিশ্ব বিপ্লবের ডাক দেন, যা তার মতে অনিবার্যভাবে সোভিয়েত রাষ্ট্রের বিলুপ্তি ঘটাবে। তিনি কমিউনিস্ট পার্টিতে দমন ও পর্যাপ্ত অর্থনৈতিক পরিকল্পনা গ্রহণে ব্যর্থতার জন্য নতুন সরকারের সমালোচনা করেন। এর জবাবে স্টালিন ও তার সমর্থকরা ট্রটস্কির বিরুদ্ধে ব্যাপক বিরোধী প্রচার চালাতে থাকে। ১৯২৫ সালে তাকে যুদ্ধ বিষয়ক কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এক বছর পর তাকে পলিটব্যুরো থেকে এবং ১৯২৭ সালে কমিউনিস্ট পার্টি থেকে বহিষ্কার করা হয়। ১৯২৮ সালের জানুয়ারিতে ট্রটস্কি আলমা-আতায় তার অভ্যন্তরীণ নির্বাসিত জীবন শুরু করেন এবং পরের বছরের জানুয়ারিতে তাকে সরাসরি সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বহিষ্কার করা হয়।

তুরস্ক সরকার তাকে গ্রহণ করলে তিনি প্রিংকিপো দ্বীপে বসতি স্থাপন করেন। সেখানে তিনি তার আত্মজীবনী এবং রুশ বিপ্লবের ইতিহাস রচনার কাজ শেষ করেন। তুরস্কে চার বছর থাকার পর ট্রটস্কি ফ্রান্স ও নরওয়েতেও গেছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৩৬ সালে তাকে মেক্সিকোতে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়া হয়। মেক্সিকো সিটির একটি শহরতলিতে সপরিবারে বসবাসকালে স্টালিন কর্তৃক রাজনৈতিক শত্রুদের নির্মূল প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তাকে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। নিজ বাসভবনে একটি মেশিনগান হামলা থেকে তিনি বেঁচে ফিরলেও, ১৯৪০ সালের ২০ আগস্ট রামোন মার্কাডার নামক এক স্পেনীয় কমিউনিস্টের শিকারে পরিণত হন। মার্কাডার একটি বরফ কাটার কুড়াল দিয়ে তাকে মারাত্মকভাবে আঘাত করেন। পর দিন তার মৃত্যু হয়।

বিষয়: রাশিয়াসোভিয়েত ইউনিয়নরাষ্ট্রদ্রোহবিপ্লবীবিপ্লব
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সাজেক ভ্যালিতে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

  • ২

    রিয়াদ বিমানবন্দরে শনিবারের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২৪ বাংলাদেশি আহত

  • ৩

    সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে আবার হামলা, টার্মিনালে আগুন

  • ৪

    রাশিয়া-ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ট্রাম্পের, বিস্মিত জেলেনস্কি

  • ৫

    ইউপি নির্বাচন: জানুয়ারি থেকে শুরু পাঁচ ধাপের ভোট

সম্পর্কিত
  • ২১০০ সালের মধ্যে বিলুপ্ত হতে পারে মানবজাতি, কীভাবে ?

    ২১০০ সালের মধ্যে বিলুপ্ত হতে পারে মানবজাতি, কীভাবে ?

    পারমাণবিক যুদ্ধ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহারের কারণে ২১০০ সালের মধ্যে মানবজাতি বিলুপ্ত হতে পারে বলে সতর্ক বার্তা দিয়েছে আন্তর্জাতিক চিকিৎসাবিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট’। সংস্থাটির নতুন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। যদিও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এই সম্ভাবনার হার তুলনামূলকভাবে কম।

  • কীভাবে ‘অপহরণ’ করা হয় ধ্রুব রাঠিকে

    কীভাবে ‘অপহরণ’ করা হয় ধ্রুব রাঠিকে

    ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি আজ রোববার অভিযোগ করেছেন যে, গতকাল শনিবার পুলিশ তাকে দিল্লির বাড়ি থেকে জোর করে নিয়ে যায় এবং প্রায় এক দিন আটক করে রাখে। এ সময় তাকে কোনো আইনজীবী বা নিজের ফোন ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি এই ঘটনাকে ‘অপহরণ’ বলে অভিহিত করেন এবং দাবি করেন যে, এটি পুলিশের কোনো বৈধ

  • ‘নিষিদ্ধ’ রাশিয়ার তেলই কিনবে যুক্তরাষ্ট্র, কেন ও কীভাবে? লাভ হবে এই চুক্তিতে?

    ‘নিষিদ্ধ’ রাশিয়ার তেলই কিনবে যুক্তরাষ্ট্র, কেন ও কীভাবে? লাভ হবে এই চুক্তিতে?

    যে রাশিয়ার ওপর বছরের পর বছর ধরে নানান নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে, গত মাসেই রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা দেশগুলোর ওপরই যেখানে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে, সেই রাশিয়ার কাছ থেকেই এবার ডিজেল সরবরাহের চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র!

  • নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

    নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

    বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। তবে দুই দেশের মধ্যে পানি বণ্টন নিয়ে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি রয়েছে কেবল গঙ্গা নদীকে ঘিরে। আগামী ১২ ডিসেম্বর গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নতুন বা সংশোধিত চুক্তিতে শুষ্ক মৌসুমে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে গ্যারান্টি ধারা অন্তর্ভুক্ত করাকে