
নেভাদার লেক মিডে পরীক্ষিত ‘আর্ক স্পোর্ট ইভি’দেখাচ্ছে পরিবেশবান্ধব নৌযানের ভবিষ্যৎ। গ্যাসের বদলে বিদ্যুৎচালিত এই বোট দ্রুতগতি, নীরবতা ও শূন্য দূষণের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। উচ্চমূল্য সত্ত্বেও আধুনিক প্রযুক্তি ও কম রক্ষণাবেক্ষণে বাজারে আগ্রহ বাড়ছে।

মিয়ানমার কি সত্যিই একটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, নাকি এটি সামরিক জান্তার জন্য বৈধতা অর্জনের আরেকটি কৌশল? এই ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করেছি—যুদ্ধ, নির্বাচন ও ভূরাজনীতির জটিল সমীকরণে মিয়ানমারের বিপ্লব কতটা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। গত কয়েক বছরে মিয়ানমারের বড় অংশ যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

তাইজার সান বর্তমানে মিয়ানমারের সবচেয়ে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ ব্যক্তি। কৃশকায়, চশমা পরা এই চিকিৎসক ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ওই অভ্যুত্থান দেশটির গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে।

বাংলাদেশ এখনও ভারতের কাছে কৌশলগত এবং নিরাপত্তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক মূলত অবকাঠামো কেন্দ্রিক। যেটি আসলে সংযোগ আর সাপ্লাই চেইনের সঙ্গে যুক্ত। রাশিয়ার ভূমিকা মূলত সীমিত—শুধু লেনদেনভিত্তিক।

গ্লাসডোরের সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৬৮ শতাংশ জেন জি কর্মী বড় বেতন বা ক্ষমতার হাতছানি না থাকলে ব্যবস্থাপক বা লিডারশিপের পথে হাঁটতে নারাজ। এই প্রবণতাকেই বলা হচ্ছে ‘কর্মজীবনের মিনিমালিজম’ (Career Minimalism)।

ইসলামী বিপ্লব চত্বরে একটি ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে একটি প্রাচীন পারস্য রাজা রোমান সম্রাটের সম্মান গ্রহণ করছেন। ইরানের এই প্রাচীন ইতিহাস উদযাপন আগে শাহের শাসনকালকে মনে করাত এবং বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে ইরানে এটি নিষিদ্ধ ছিল। একজন চিকিৎসক বলেন, “পুরনো গল্প আর কাজ করছে না।”

এক সময়ের মজলুম জনগোষ্ঠীর জালিম হয়ে যাওয়ার বহু উদাহরণ আছে। সাতচল্লিশের আগে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমানেরা ছিল সংখ্যালঘু মজলুম। দেশ বিভাগের পর পাকিস্তানে সেই মুসলমানেরাই জুলুমবাজ হয়ে ওঠে।

প্রতিটি জেন জি আন্দোলনের তাৎক্ষণিক কারণ ভিন্ন। নেপালে কারণ ছিল হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করা। মাদাগাস্কারে কারণ ছিল পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যর্থতা।

আহমদ ছফার পর্যবেক্ষণ বনাম বর্তমান
জন্মের পর থেকেই বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রটি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আসলে এক দুষ্টচক্রের মধ্যে ঘুরপাক খেয়ে যাচ্ছে কেবল। এই ঘুরপাকের শেষের কোনো শুরু আর দেখা যাচ্ছে না আদতে। ফলে এই লেখার শিরোনামে করা প্রশ্নের উত্তর জনসাধারণে খুঁজলে হয়তো একটি উত্তরই মিলবে। সেটি হলো—বিপথে!