
স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন মাওলানা আবুল কালাম আজাদ—একজন আলেম, বিপ্লবী ও দূরদর্শী চিন্তাবিদ। শিক্ষাকে জাতি গঠনের মূল হাতিয়ার ভেবে তিনি গড়ে তোলেন ভারতের উচ্চশিক্ষার কাঠামো। তার উদ্যোগেই প্রতিষ্ঠিত হয় ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি ও সাহিত্য আকাদেমি।

শোভা সেন লিখেছেন, উৎপল ছিলেন, ‘জনবিচ্ছিন্ন, একাকী স্রষ্টা’। নিজের রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণেই উৎপল দত্তকে একা হয়ে পড়তে হয়েছিল, ‘টিনের তলোয়ার’ নাটকের বেণী মাধবের মতো, ‘বড় একা। কেউই কখনো পাশে নেই। দেবতার মতন একা। অভিশাপের মতন, অবজ্ঞার মতন একা।’

কাস্ত্রোর শাসনামলেই কিউবা পশ্চিম গোলার্ধের প্রথম কমিউনিস্ট রাষ্ট্রে পরিণত হয়। একুশ শতক পর্যন্ত তিনি দেশটির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিলেন এবং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অবরোধের মুখেও টিকিয়ে রেখেছিলেন কিউবা’কে।

১৮৭৯ সালে ইউক্রেনে রুশ-ইহুদি পরিবারে জন্মগ্রহণকারী ট্রটস্কি কিশোর বয়সেই মার্ক্সবাদে দীক্ষিত হন। পরবর্তীতে তিনি ওডেসা বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দিয়ে আন্ডারগ্রাউন্ড ‘সাউথ রাশিয়ান ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন’ সংগঠিত করতে সহায়তা করেন। ১৮৯৮ সালে বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি গ্রেপ্তার হন।

‘জুলাই বিপ্লবীদের গ্রেপ্তার ও হয়রানির’ প্রতিবাদে ৪ জানুয়ারি (২০২৬) রাজধানীর শাহবাগে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জুলাই মঞ্চ।