Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

ইউরোপীয় নেতাদের নতুন ফাঁদে পড়তে যাচ্ছেন জেলেনস্কি?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১: ০০
ইউরোপীয় নেতাদের নতুন ফাঁদে পড়তে যাচ্ছেন জেলেনস্কি?

ইউক্রেন যুদ্ধের মোড় কি এবার অর্থনীতির টেবিলে ঘুরতে যাচ্ছে? ওয়াশিংটনের সহায়তা কমে আসা এবং রণক্ষেত্রে রাশিয়ার অগ্রগতির মুখে এক অভাবনীয় সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ইউক্রেনকে রক্ষা করতে রাশিয়ারই গচ্ছিত কয়েক শ বিলিয়ন ইউরো জব্দ করে তা ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে ব্রাসেলস।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ইউক্রেনের আগামী দুই বছরের খরচ মেটাতে প্রয়োজন প্রায় ১৩৫ বিলিয়ন ইউরো, যা বর্তমান বিনিময় মূল্য অনুযায়ী ১৫৮ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলারের সমান। এই বিশাল অর্থের জোগান দিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখন হাত বাড়িয়েছে রাশিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংকের ২১০ বিলিয়ন ইউরো সমমূল্যের সম্পদের দিকে, যা বর্তমানে ইউরোপের বিভিন্ন ব্যাংকে ‘ফ্রিজ’ হয়ে আছে।

এ ব্যাপারে সেন্টার ফর ইউরোপিয়ান পলিসি এনালাইসিসের (সিইপিএ) সিনিয়র ফেলো আলেকজান্ডার কোলিয়ান্দ্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘‘রাশিয়ার এই ‘ফ্রিজ করা বা আটকে রাখা সম্পদগুলো মূলত দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সম্পদ। যদিও কিছু ব্যক্তিগত বা কোম্পানির সম্পদও এর মধ্যে আছে। তবে আমরা এখানে মূলত রাশিয়ার সার্বভৌম সম্পদ নিয়ে কথা বলছি। এগুলো হলো রাশিয়ার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং তাদের ‘ন্যাশনাল ওয়েলবিয়িং ফান্ড’, যেখানে ক্রেমলিন তেল থেকে আসা অতিরিক্ত টাকা জমিয়ে রাখত।’’

ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য বাইডেন দায়ী: হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রীvictor orban

এই সম্পদের সিংহভাগ (প্রায় ১৮৫ বিলিয়ন ইউরো) জমা আছে বেলজিয়ামের সিকিউরিটিজ ডিপোজিটরি ইউরোক্লিয়ারে। কিন্তু সমস্যা একটাই, এই অর্থ সরাসরি বাজেয়াপ্ত করা আন্তর্জাতিক আইনে বেশ জটিল। তাই ইইউ সাজিয়েছে এক নতুন পরিকল্পনা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

পরিকল্পনাটি হলো ‘ক্ষতিপূরণ ঋণ’। ইইউ এই জব্দ করা সম্পদের বিপরীতে বড় অঙ্কের টাকা ধার করবে এবং তা ইউক্রেনকে দেবে। মজার ব্যাপার হলো, ইউক্রেন এই টাকা তখনই ফেরত দেবে, যখন রাশিয়া যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি বাবদ ইউক্রেনকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে। সহজ কথায়, রাশিয়ার টাকা দিয়েই ইউক্রেন তার লড়াই চালিয়ে যাবে।

আলেকজান্ডার কোলিয়ান্দ্র বলছেন, ‘‘আমেরিকা বর্তমানে ইউক্রেনকে আগের মতো অর্থ সাহায্য দিচ্ছে না। এখন এই বিল মেটানোর পুরো দায়িত্ব ইউরোপের কাঁধে। ইউরোপীয় গ্যারান্টি বা অর্থ ছাড়া ইউক্রেন আর্থিকভাবে টিকে থাকতে পারবে না। কারণ, ইউরোপের নিশ্চয়তা ছাড়া আইএমএফ ইউক্রেনকে ঋণ দেবে না। বর্তমানে ইউক্রেনের বাজেটে বিশাল ঘাটতি রয়েছে এবং এর মধ্যে সেনাবাহিনীর খরচ তো আছেই।’’

অবাধ্যকে বাধ্য করতে চীনের কী কৌশল?china

তবে এই পথ সহজ নয়। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একে ‘চুরি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এমনকি হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান এই পরিকল্পনার কড়া সমালোচনা করে বলেছেন, এটি এমন একটি যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করবে, যা জেতা অসম্ভব।

এতে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বেলজিয়াম। তারা ভয় পাচ্ছে, রাশিয়ার এই টাকা ব্যবহার করলে ভবিষ্যতে আইনি লড়াইয়ে তাদের ওপর দায় চাপতে পারে। এমনকি রাশিয়া প্রতিশোধ হিসেবে সাইবার হামলা বা ড্রোন হামলার হুমকি দিচ্ছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।

গাজায় ইসরায়েলি হামলার ভয়াবহতা, এক পরিবারের ৩০ সদস্যের মরদেহ উদ্ধারgaja

অধিকাংশ রুশ সম্পদ বেলজিয়ামে জমা থাকায় তারা কিছুটা চিন্তিত। বেলজিয়াম চায় এই দায়ভার অন্য ইউরোপীয় দেশগুলোসহ যুক্তরাজ্য, কানাডা ও জাপান ভাগ করে নিক। কারণ, ভবিষ্যতে যদি রাশিয়া কখনো এই টাকা ফেরত চায়, বেলজিয়াম একা সেই পরিস্থিতির বা আইনি লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে চায় না।

যদি এই সম্পদ ব্যবহারের পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়, তবে ইউরোপকে তার নিজের বাজেট থেকে ধার করতে হবে। যা ইতোমধ্যে ঋণে জর্জরিত ইউরোপীয় অর্থনীতিকে আরও চাপে ফেলবে।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠেয় বৈঠকে নির্ধারিত হবে ইউরোপের এই ‘জুয়া’ সফল হবে কি না। একদিকে ইউক্রেনের অস্তিত্ব রক্ষা, অন্যদিকে রাশিয়ার সম্ভাব্য পাল্টা আঘাত–ইউরোপ এখন এক কঠিন সন্ধিক্ষণে।

বিষয়: রাশিয়াইউরোপবিশ্বযুদ্ধইউক্রেনইউরোপীয় ইউনিয়নরাজনীতিভ্লাদিমির পুতিনইউক্রেন যুদ্ধ
সর্বশেষ
  • ১

    এশিয়া কাপ: শিরোপায় চোখ রেখে বাংলাদেশের ‘ভারত পরীক্ষা’

  • ২

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ৩

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৪

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৫

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।