চরচা ডেস্ক

ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনকে দায়ী করেছেন হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান। বাইডেন প্রশাসন ইউরোপিয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রগুলোকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছে বলে জানান তিনি।
গতকাল শুক্রবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে এক সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মন্তব্য করেন তিনি।
ভিক্টর অরবান বলেন, “মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে চাপ না এলে ইউরোপিয়রা যুদ্ধে আজকের মতো এমন কঠোর অবস্থান নিতো না।”
ভিক্টর অরবান আরও বলেন, “ইউরোপিয় ইউনিয়নের কিছু প্রধান অর্থনীতির দেশ কিছু মানবিক সাহায্য পাঠানো ছাড়া অন্য বিষয়ে জড়াতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছে।"
অরবানের মন্তব্যের সঙ্গে একত্মতা প্রকাশ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “সংঘাত বাইডেনের ভুলের কারণে সৃষ্টি হয়েছে।”এ ব্যাপারে ট্রাম্প যুক্তি দেন, “আসলে বাইডেনই এই যুদ্ধ হওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছেন।”
ইউরোপিয় ইউনিয়নের বেশিরভাগ দেশের বিপরীতে হাঙ্গেরি অবস্থান নিয়েছিল। দেশটি ব্রাসেলসের রাশিয়া-বিরোধী নীতির বিরোধিতা করেছে এবং এই সংঘাতের অবসানের জন্য আরও কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী । এ ছাড়াও, তারা কিয়েভকে অস্ত্র সরবরাহ এবং মস্কোর বিরুদ্ধে ইইউর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিরোধিতা করেছে।

ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনকে দায়ী করেছেন হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান। বাইডেন প্রশাসন ইউরোপিয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রগুলোকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছে বলে জানান তিনি।
গতকাল শুক্রবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে এক সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মন্তব্য করেন তিনি।
ভিক্টর অরবান বলেন, “মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে চাপ না এলে ইউরোপিয়রা যুদ্ধে আজকের মতো এমন কঠোর অবস্থান নিতো না।”
ভিক্টর অরবান আরও বলেন, “ইউরোপিয় ইউনিয়নের কিছু প্রধান অর্থনীতির দেশ কিছু মানবিক সাহায্য পাঠানো ছাড়া অন্য বিষয়ে জড়াতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছে।"
অরবানের মন্তব্যের সঙ্গে একত্মতা প্রকাশ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “সংঘাত বাইডেনের ভুলের কারণে সৃষ্টি হয়েছে।”এ ব্যাপারে ট্রাম্প যুক্তি দেন, “আসলে বাইডেনই এই যুদ্ধ হওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছেন।”
ইউরোপিয় ইউনিয়নের বেশিরভাগ দেশের বিপরীতে হাঙ্গেরি অবস্থান নিয়েছিল। দেশটি ব্রাসেলসের রাশিয়া-বিরোধী নীতির বিরোধিতা করেছে এবং এই সংঘাতের অবসানের জন্য আরও কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী । এ ছাড়াও, তারা কিয়েভকে অস্ত্র সরবরাহ এবং মস্কোর বিরুদ্ধে ইইউর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিরোধিতা করেছে।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতারক চক্রের এই দুই সদস্য অর্থের বিনিময়ে ও যোগসাজসে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডির মূল সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ও তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াকে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করত।