
সম্প্রতি ইউক্রেন যুদ্ধে দ্বিতীয়বারের মতো এই মরণাস্ত্র ব্যবহার করে বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন। কিন্তু কতটা ভয়ঙ্কর এই ওরেশনিক? এটি কি সত্যিই যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেবে?

এবারের হামলাটি হয়েছে পশ্চিম ইউক্রেনের এলভিভ অঞ্চলে, যার সীমান্ত ন্যাটো সদস্য দেশ পোল্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে একটি ‘বৈশ্বিক হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

নতুন বছরের ভাষণে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শান্তির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করলেও আত্মসমর্পণের সম্ভাবনা নাকচ করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যুদ্ধের অবসান চাই, তবে ইউক্রেনের সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে নয়।

নববর্ষের আচার অনুষ্ঠানে পেরুর ওঝারা ২০২৬ সালের বিশ্ব রাজনীতি নিয়ে চাঞ্চল্যকর ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। তাঁদের পূর্বাভাসে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোর পতন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের গুরুতর অসুস্থতার কথা উঠে আসে।

পুতিনের বাসভবনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার অভিযোগ তুলে উত্তেজনা বাড়াল রাশিয়া, যদিও তা সরাসরি অস্বীকার করেছেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। এই দাবি শান্তি আলোচনা ভেস্তে দেওয়ার কৌশল বলে অভিযোগ করে কিয়েভ বলছে, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অজুহাত খুঁজছে মস্কো।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বাসভবনে ইউক্রেন ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে তা অস্বীকার করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। শান্তি আলোচনা ভেস্তে দিতেই মস্কো এ ধরনের দাবি তুলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আগ্রহী নন বলে দাবি করেছেন ভ্লাদিমির পুতিন। রাশিয়ান প্রেসিডেন্টের মতে, শান্তিপূর্ণ সমাধানে কিয়েভের অনীহার কারণেই সংঘাত দীর্ঘায়িত হচ্ছে। ইউক্রেনও বলছে, রাশিয়াই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চায়।

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে থাকা রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ২১০ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের সম্পদ জব্দ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি ঘোষণা এলেও পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, এই সম্পদে যেন ‘হাত না দেওয়া হয়’।

১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫। ভোর ৪টা। শীতের ব্রাসেলসে তখনো রাত। ইউরোপীয় কাউন্সিলের সদরদপ্তরের ভেতরে দমবন্ধ বাতাস। সেখানে মুখ অন্ধকার করে বসে ছিলেন ইউরোপের তাবড় তাবড় নেতারা। চারদিকে চাপা উত্তেজনা। টানা ১৯ ঘণ্টা ধরে আলোচনার ফল কিনা এই।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি একটি শান্তি পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছেন, যেখানে মস্কোর দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পূর্বাঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় সেনা প্রত্যাহারের সম্ভাবনাও রাখা হয়েছে।

রাশিয়া বর্তমানে ইউক্রেনের প্রায় ২০% এলাকা দখল করেছে। ইউক্রেনের দাবি, ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি চুক্তিতে ইউক্রেনকে ডনবাস অঞ্চলের বাকি অংশ থেকেও সৈন্য সরিয়ে নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে।

আগামী দিনের বিশ্বব্যবস্থার চালকের আসনে থাকবে কারা? আমেরিকা, ইউরোপ, রাশিয়া নাকি এশিয়া? নতুন বিশ্বব্যবস্থার সঙ্গে তাল মেলাতে বাংলাদেশের রাজনীতি কেমন হওয়া দরকার? এই সব নিয়ে আলোচনা করেছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক বদরুল আলম খান ও চরচার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সেলিম খান।

ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধে ফ্লোরিডায় রুশ ও মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। রয়টার্স জানায়, শান্তি পরিকল্পনার ভিত্তিতে এই আলোচনাকে গঠনমূলক বলে আখ্যা দিয়েছে উভয়পক্ষ। তবে যুদ্ধবিরতির শর্তে মস্কোর চূড়ান্ত অবস্থান এখনও স্পষ্ট নয়।

সংবাদ সম্মেলনে পুতিন বলেন, ‘‘এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হতো একটি প্রকাশ্য ডাকাতি। তারা কেন এই ডাকাতি করতে পারছে না? কারণ ডাকাতদের জন্য এর পরিণতি অত্যন্ত কঠিন হতে পারে।’’

সংবাদ সম্মেলনে পুতিন বলেন, ‘‘এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হতো একটি প্রকাশ্য ডাকাতি। তারা কেন এই ডাকাতি করতে পারছে না? কারণ ডাকাতদের জন্য এর পরিণতি অত্যন্ত কঠিন হতে পারে।’’

ইইউ এই জব্দ করা সম্পদের বিপরীতে বড় অঙ্কের টাকা ধার করবে এবং তা ইউক্রেনকে দেবে। মজার ব্যাপার হলো, ইউক্রেন এই টাকা তখনই ফেরত দেবে, যখন রাশিয়া যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি বাবদ ইউক্রেনকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে।

ইইউ এই জব্দ করা সম্পদের বিপরীতে বড় অঙ্কের টাকা ধার করবে এবং তা ইউক্রেনকে দেবে। মজার ব্যাপার হলো, ইউক্রেন এই টাকা তখনই ফেরত দেবে, যখন রাশিয়া যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি বাবদ ইউক্রেনকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে।

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রোটোকল ভেঙে বিমানবন্দরে পুতিনকে স্বাগত জানান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া থেকে তেল কেনার বিষয়টি দেখিয়ে ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন । কিন্তু তাতেও দমে যাননি মোদি আর পুতিন।

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রোটোকল ভেঙে বিমানবন্দরে পুতিনকে স্বাগত জানান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া থেকে তেল কেনার বিষয়টি দেখিয়ে ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন । কিন্তু তাতেও দমে যাননি মোদি আর পুতিন।