চরচা ডেস্ক

হজের সময় ফের ইরানে যুদ্ধ শুরু না করতে উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্রদেশসহ নিজ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সতর্কতার পর ইরানে পরিকল্পিত হামলা পিছিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মিডল ইস্ট আইকে জানান, ট্রাম্পকে বলা হয়েছিল যে হজের সময় ইরানে হামলা চালালে উপসাগরীয় দেশগুলোতে সংকট তৈরি হতে পারে। এতে লাখো হজযাত্রী আটকে পড়তে পারেন।
সূত্রগুলোর দাবি, ঈদুল আজহার আগে এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ইরানে হামলা চালালে মুসলিম বিশ্বে ওয়াশিংটনের ভাবমূর্তি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে ট্রাম্পকে সতর্ক করা হয়।
ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ আলোচনা সম্পর্কে অবগত একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তাও এ ধরনের কথাবার্তা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ট্রাম্পকে তার নিজের কর্মকর্তারাই সতর্ক করেন যে এখন ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ আবার শুরু করলে তাতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
মিডল ইস্ট আই বলছে, রমজান মাসেও ইরানে হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে হজের সময় এমন হামলা চালালে তা সৌদি আরবের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রতিবছর বিভিন্ন দেশ থেকে বহু হজযাত্রী সৌদি আরবে যান। এ ছাড়া কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো থেকেও বিপুলসংখ্যক মুসল্লি হজে অংশ নিতে যাত্রা করেন। এ বছর হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে ২৪ মে। চলবে ছয় দিন। ইতোমধ্যে লাখো হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছে গেছেন।
‘সংঘাত আবার শুরু হওয়া অনিবার্য’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মিডল ইস্ট আইকে বলেছেন, হজের সময় শেষ হওয়ার পর আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ আবার শুরু হতে পারে বলে তারা মনে করেন।
অতীতে ইরানকে বিভ্রান্ত করতে এবং তাদের মনে এক ধরনের মিথ্যা সুরক্ষাবোধ তৈরি করতে নানা কৌশল ও ভুল বার্তা দেওয়ার পথ বেছে নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যখন তারা ইরানে হামলা চালায়, তার ঠিক আগেই জেনেভায় ইরানিদের সঙ্গে আলোচনায় দৃশ্যমান অগ্রগতির কথা প্রচার করা হয়েছিল।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প দাবি করেন, উপসাগরীয় নেতাদের মধ্যস্থতার পর গত মঙ্গলবার রাতে তিনি ইরানে হামলা চালানো থেকে বিরত ছিলেন।
সোমবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প বলেছিলেন, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতাদের অনুরোধে ইরানের ওপর মঙ্গলবারের পরিকল্পিত নতুন হামলা স্থগিত করেছেন তিনি। তাকে জানানো হয়েছে যে এমন একটি সমঝোতা হতে যাচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘খুবই গ্রহণযোগ্য’ হবে। যেখানে ইরানের কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না বলে দাবি করেন তিনি।
ট্রাম্পের দাবি, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান তাকে অনুরোধ করেছিলেন।
তেহরানের হুঁশিয়ারি
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোয় পাল্টা হামলা শুরু করে তেহরান।
তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি ইরানের জ্বালানি ও বেসামরিক অবকাঠামোতে নতুন করে হামলা চালায়, তাহলে সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে।

সৌদি আরব, কাতার ও ওমান বিশেষভাবে এই সংঘাতের আরও বিস্তার ঠেকাতে তৎপর। জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের চলমান অবরোধ ইতোমধ্যে এসব দেশের তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানিতে প্রভাব ফেলেছে।
মিডল ইস্ট আই বলছে, ইরানের ওপর ওয়াশিংটনের প্রাথমিক হামলা একটি ব্যর্থতা হিসেবেই বিবেচিত হয়েছে। কারণ দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার পরও তারা ইরানের সরকারকে উৎখাত করতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মুখে ইরান শুধু টিকেই থাকেনি, বরং নিজেদের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদও অক্ষুণ্ণ রেখেছে।
অন্যদিকে, ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করা ইসরায়েলি সরকার ট্রাম্পের ওপর তাদের প্রভাব খাটানো অব্যাহত রেখেছে। তারা চাইছে, এই যুদ্ধ যেন চালিয়ে যাওয়া হয়। অথচ মার্কিন অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নেই সতর্ক করা হয়েছে যে, এই যুদ্ধ মার্কিন সেনা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দুটি প্রধান সমস্যার কথা বলা হয়েছে। প্রথমটি হলো মার্কিন বাহিনীর গোলাবারুদের ঘাটতি, আর দ্বিতীয়টি ইরানের উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা রণকৌশল। এই দুই কারণে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো নতুন হামলা মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

হজের সময় ফের ইরানে যুদ্ধ শুরু না করতে উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্রদেশসহ নিজ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সতর্কতার পর ইরানে পরিকল্পিত হামলা পিছিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মিডল ইস্ট আইকে জানান, ট্রাম্পকে বলা হয়েছিল যে হজের সময় ইরানে হামলা চালালে উপসাগরীয় দেশগুলোতে সংকট তৈরি হতে পারে। এতে লাখো হজযাত্রী আটকে পড়তে পারেন।
সূত্রগুলোর দাবি, ঈদুল আজহার আগে এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ইরানে হামলা চালালে মুসলিম বিশ্বে ওয়াশিংটনের ভাবমূর্তি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে ট্রাম্পকে সতর্ক করা হয়।
ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ আলোচনা সম্পর্কে অবগত একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তাও এ ধরনের কথাবার্তা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ট্রাম্পকে তার নিজের কর্মকর্তারাই সতর্ক করেন যে এখন ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ আবার শুরু করলে তাতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
মিডল ইস্ট আই বলছে, রমজান মাসেও ইরানে হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে হজের সময় এমন হামলা চালালে তা সৌদি আরবের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রতিবছর বিভিন্ন দেশ থেকে বহু হজযাত্রী সৌদি আরবে যান। এ ছাড়া কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো থেকেও বিপুলসংখ্যক মুসল্লি হজে অংশ নিতে যাত্রা করেন। এ বছর হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে ২৪ মে। চলবে ছয় দিন। ইতোমধ্যে লাখো হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছে গেছেন।
‘সংঘাত আবার শুরু হওয়া অনিবার্য’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মিডল ইস্ট আইকে বলেছেন, হজের সময় শেষ হওয়ার পর আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ আবার শুরু হতে পারে বলে তারা মনে করেন।
অতীতে ইরানকে বিভ্রান্ত করতে এবং তাদের মনে এক ধরনের মিথ্যা সুরক্ষাবোধ তৈরি করতে নানা কৌশল ও ভুল বার্তা দেওয়ার পথ বেছে নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যখন তারা ইরানে হামলা চালায়, তার ঠিক আগেই জেনেভায় ইরানিদের সঙ্গে আলোচনায় দৃশ্যমান অগ্রগতির কথা প্রচার করা হয়েছিল।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প দাবি করেন, উপসাগরীয় নেতাদের মধ্যস্থতার পর গত মঙ্গলবার রাতে তিনি ইরানে হামলা চালানো থেকে বিরত ছিলেন।
সোমবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প বলেছিলেন, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতাদের অনুরোধে ইরানের ওপর মঙ্গলবারের পরিকল্পিত নতুন হামলা স্থগিত করেছেন তিনি। তাকে জানানো হয়েছে যে এমন একটি সমঝোতা হতে যাচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘খুবই গ্রহণযোগ্য’ হবে। যেখানে ইরানের কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না বলে দাবি করেন তিনি।
ট্রাম্পের দাবি, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান তাকে অনুরোধ করেছিলেন।
তেহরানের হুঁশিয়ারি
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোয় পাল্টা হামলা শুরু করে তেহরান।
তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি ইরানের জ্বালানি ও বেসামরিক অবকাঠামোতে নতুন করে হামলা চালায়, তাহলে সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে।

সৌদি আরব, কাতার ও ওমান বিশেষভাবে এই সংঘাতের আরও বিস্তার ঠেকাতে তৎপর। জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের চলমান অবরোধ ইতোমধ্যে এসব দেশের তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানিতে প্রভাব ফেলেছে।
মিডল ইস্ট আই বলছে, ইরানের ওপর ওয়াশিংটনের প্রাথমিক হামলা একটি ব্যর্থতা হিসেবেই বিবেচিত হয়েছে। কারণ দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার পরও তারা ইরানের সরকারকে উৎখাত করতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মুখে ইরান শুধু টিকেই থাকেনি, বরং নিজেদের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদও অক্ষুণ্ণ রেখেছে।
অন্যদিকে, ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করা ইসরায়েলি সরকার ট্রাম্পের ওপর তাদের প্রভাব খাটানো অব্যাহত রেখেছে। তারা চাইছে, এই যুদ্ধ যেন চালিয়ে যাওয়া হয়। অথচ মার্কিন অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নেই সতর্ক করা হয়েছে যে, এই যুদ্ধ মার্কিন সেনা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দুটি প্রধান সমস্যার কথা বলা হয়েছে। প্রথমটি হলো মার্কিন বাহিনীর গোলাবারুদের ঘাটতি, আর দ্বিতীয়টি ইরানের উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা রণকৌশল। এই দুই কারণে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো নতুন হামলা মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দলটির অফিশিয়াল পেজের অনুসারীর সংখ্যা ইতিমধ্যেই ৩০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আর এই অনুসারীদের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন নামী-দামী সব তারকারা। অনুরাগ কশ্যপ, অভিনেত্রী কঙ্কনা সেন শর্মা এবং এষা গুপ্তার মতো ব্যক্তিত্বরা ইতিমধ্যেই ককরোচ জনতা পার্টিতে যোগ দিয়েছেন।