Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৮ আগস্ট, ২০২৬
২৮ আগস্ট, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৮ আগস্ট, ২০২৬
২৮ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

স্বত্ব © চরচা

Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি কী, কারা করল?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ১১: ৫৪
ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি কী, কারা করল?

আপনি যদি এখনো ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’র নাম না শুনে থাকেন, তবে বলতেই হয় যে আপনি বাইরের দুনিয়া থেকে একদম বিচ্ছিন্ন হয়ে আছেন! ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত নাকি এক মন্তব্যে বেকার যুবকদের তেলাপোকার সাথে তুলনা করেছিলেন- আর এই খবর ছড়াতেই ইন্টারনেটে রাতারাতি জন্ম নেয় এক ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দল। আর এখন শুধু সাধারণ মানুষই নয়, বিনোদন দুনিয়ার তারকারাও নাম লেখাচ্ছেন এই দলে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দলটির অফিশিয়াল পেজের অনুসারীর সংখ্যা এরইমধ্যে ৩০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আর এই অনুসারীদের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন নামী-দামী সব তারকারা। প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা অনুরাগ কশ্যপ, অভিনেত্রী কঙ্কনা সেন শর্মা এবং এষা গুপ্তার মতো ব্যক্তিত্বরা ইতিমধ্যেই ‘ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি-র ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেল ফলো করা শুরু করেছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

টেলিভিশন দুনিয়ার চেনা মুখ উমর রিয়াজ, অভিষেক নিগম, উরফি জাভেদ, নাগমা মিরাজকার, পুরাভ ঝা, শফাক নাজ এবং শীজান খানও রয়েছেন এই তালিকায়। এমনকি জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা কুনাল কামরা এবং পাঞ্জাবি গায়িকা-অভিনেত্রী হিমাংশি খুরানাও মেতে উঠেছেন এই সোশ্যাল মিডিয়া উন্মাদনায়।

ভারতের রাজ্যে রাজ্যে তারা, তবুও প্রশ্ন, ‘বিজেপি কোথায়?’festive-after-victory-of-BJP2

আসলে কী এই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’?

ঘটনার সূত্রপাত প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে, যেখানে তিনি পরোক্ষভাবে বেকার যুবকদের তেলাপোকার সাথে তুলনা করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এরপরই গত ১৬ মে অভিজিৎ দিপকে নামের এক যুবক অনলাইনে জন্ম দেন এই ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দলের। এক্স (সাবেক টুইটার) ও ইনস্টাগ্রামে আসার পর থেকেই ঝড়ের গতিতে বাড়তে থাকে এর জনপ্রিয়তা। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানেই দলটির ঝুলিতে জমা হয় লাখ লাখ অনুসারী। যা শুরু হয়েছিল স্রেফ একটা ইন্টারনেট কৌতুক হিসেবে, তা-ই এখন রূপ নিয়েছে এক ভাইরাল রাজনৈতিক আন্দোলনে।

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মাত্র দু-এক দিনের মধ্যেই এটি আজকের জেন-জি’র নতুন ইন্টারনেটের খোরাক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইনস্টাগ্রাম রিলস, এক্স এবং বিভিন্ন মিম পেজে এখন যুবসমাজের একটাই উন্মাদনা। মজার ছলে সবাই এই কাল্পনিক রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার আকুতি জানাচ্ছেন। এমনকি নিজেদের বিচিত্র ও অদ্ভুত সব ‘দক্ষতা’র কথা উল্লেখ করে দলের শীর্ষ পদের জন্য নিজেদের ‘যোগ্য প্রার্থী’ বলেও দাবি করছেন অনেকে।

ককরোচ জনতা পার্টির অন্দরমহল

অভিজিৎ দিপকের এই ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার জন্য রয়েছে বিশেষ চার দফা যোগ্যতা। আপনি যদি বেকার, অলস, সারাক্ষণ ইন্টারনেটে মজে থাকা ‘ক্রনিক্যালি অনলাইন’ এবং পেশাদারদের মতো ঘ্যানঘ্যান বা ক্ষোভ প্রকাশ করতে পারেন—তবেই আপনি এই দলের যোগ্য সদস্য!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ দলটির মূলমন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে: “তরুণদের দ্বারা, তরুণদের জন্য, তরুণদের একটি রাজনৈতিক মঞ্চ। ধর্মনিরপেক্ষ—সমাজতান্ত্রিক—গণতান্ত্রিক—অলস।” অন্যদিকে ইনস্টাগ্রামে দলটি নিজেদের পরিচয় দিয়েছে “অলস এবং বেকার তেলাপোকাদের একটি ইউনিয়ন” হিসেবে, যেখানে যোগ দেওয়ার জন্য জেন-জি বন্ধুদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

তবে দলটির এই মজার অবয়বের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক ক্ষুরধার রাজনৈতিক বার্তা। মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ, বর্তমান করপোরেট গণমাধ্যমের মেরুদণ্ডহীন ভূমিকা এবং অবসরের পরপরই বিচারপতিদের সরকারি পদে নিয়োগের মতো সংবেদনশীল ও বিতর্কিত বিষয়গুলোকে অত্যন্ত চতুরতার সাথে তুলে ধরা হয়েছে সিজেপি-র ইশতেহারে।

দলটির প্রতিষ্ঠাতা দিপকে জানান, প্রথম পোস্ট করার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিনি এই কাল্পনিক দলটিকে অনলাইনে দাঁড় করিয়ে ফেলেন। আর এর রূপরেখা ও ইশতেহার তৈরিতে তিনি ব্যবহার করেছেন চ্যাটজিপিটি এবং ক্লড এর মতো আধুনিক এআই প্রযুক্তির সাহায্য। বিশ্বজুড়ে মূলধারার রাজনীতিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ব্যঙ্গ, বিদ্রূপ এবং উদ্ভট কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যে বৈপ্লবিক ‘কাউন্টার-কালচারাল’ বা প্রতি-সংস্কৃতি আন্দোলনের দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে, দিপকের এই উদ্যোগ যেন তারই এক আধুনিক ডিজিটাল সংস্করণ।

বিষয়:

ইনস্টাগ্রামস্যাটায়ারসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমরাজনীতিভারত
১

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে পাঁচ শিশুর মৃত্যু

২

মৌলভীবাজার সীমান্তে গোলাগুলি, ভারতীয় চোরাকারবারি আটক

৩

সাংবাদিকদের একাংশ অনলাইনে মতপ্রকাশ সীমিত করছেন: জরিপ

৪

লেক অন্টারিওর নাম বদলে ‘লেক আমেরিকা’ করলেন ট্রাম্প

৫

৩১টি মোবাইল অ্যাপে অবৈধ ঋণ, বিএফআইইউর সতর্কতা

সম্পর্কিত

সুখের প্যারাডক্স: কেন আমরা যা চাই, তা পেয়েও সুখী হই না?

সুখের প্যারাডক্স: কেন আমরা যা চাই, তা পেয়েও সুখী হই না?

কল্পনা করুন, এক তরুণী টানা দু-তিন বছর দিনরাত এক করে প্রস্তুতি নেওয়ার পর সরকারি চাকরির কঠিন পরীক্ষায় প্রথম হলেন। গেজেট প্রকাশের পর প্রথম কয়েক দিন, কিংবা প্রথম কয়েক সপ্তাহ তিনি ভাসলেন অপার আনন্দের বন্যায়। আত্মীয়স্বজনের প্রশংসা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনন্দনের জোয়ার, প্রিয়জনদের উচ্ছ্বাস–সব মি

বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক কাজে লাগে কতটা?

বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক কাজে লাগে কতটা?

কাতার থেকে দীর্ঘ আট বছর পর দেশে ফিরেছেন মাদারীপুরের সোলেমান মিয়া। কিন্তু ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বেল্টে নিজের লাগেজটি খুঁজে পাচ্ছিলেন না তিনি। সামনেই চোখে পড়ে ‘প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক’।

একীভূত ৫ ব্যাংক: চেক বই, ডিপিএস, এফডিআর ও শাখার কী হবে

একীভূত ৫ ব্যাংক: চেক বই, ডিপিএস, এফডিআর ও শাখার কী হবে

পাঁচটি ব্যাংক আলাদা আলাদাভাবে পরিচালিত হওয়ায় তাদের ব্যাংকিং প্রযুক্তি ও কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার এক রকম ছিল না। তাই শুধু পাঁচটি ব্যাংকের নাম এক করে একটি নতুন নাম দেওয়াই একীভূতকরণের পুরো কাজ নয়।

হুইপসহ ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নতুন দায়িত্বে, কী করবেন তারা?

হুইপসহ ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নতুন দায়িত্বে, কী করবেন তারা?

দেশের সব জেলার প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তদারকি করতে নতুন একটি কাঠামো তৈরি করেছে সরকার। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদের হুইপ মিলিয়ে ৩০ জনকে এক থেকে তিনটি করে জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।