১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে একদল বিপথগামী সেনা সদস্যের হাতে নৃশংসভাবে নিহত হয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এক রাজনৈতিক সফরে রাষ্ট্রপতি জিয়ার এই নির্মম হত্যাকাণ্ড চিরদিনই রহস্যাবৃত। এই হত্যাকাণ্ড তদন্তে সে সময়ের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তার একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিশন গঠন করেছিলেন ১৯৮১ সালের ৬ জুন। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি সেই কমিশন প্রতিবেদন জমা দিলেও সেটা দীর্ঘ ৪৫ বছর প্রকাশিত হয়নি, আলোর মুখ দেখেনি।
সম্প্রতি ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের হাতে এসেছে সেই কমিশনের জমা দেওয়া মুদ্রিত প্রতিবেদনটির একটি কপি। সেই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বেশ কিছু তথ্য। বিশেষ করে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউজে রাষ্ট্রপতির অবস্থানকালে কীভাবে সে রাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল। রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদের রহস্যজনক ভূমিকা ও আচরণের কথাও উঠে এসেছে সেই প্রতিবেদনে।
সেই তদন্ত প্রতিবেদনটিকে ভিত্তি করে ডেইলি স্টারের সাংবাদিক জায়মা ইসলাম একটি বিশদ প্রতিবেদন তৈরি করেছেন, যেটি বুধবার বিশেষ ক্রোড়পত্র আকারে প্রকাশ করেছে ইংরেজি দৈনিকটি। চরচায় আমরা সেই প্রতিবেদনটির বিভিন্ন দিক তুলে ধরব।
তদন্ত কমিশনটি গঠিত হয়েছিল রাষ্ট্রপতি জিয়া হত্যার এক সপ্তাহের মাথায়, ১৯৮১ সালের ৬ জুন। এর নেতৃত্বে ছিলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি রুহুল ইসলাম। কমিশনের অন্য সদস্য ছিলেন বিচারপতি আবু তাহের মোহাম্মদ আফজাল (যিনি পরে প্রধান বিচারপতি হন)। এছাড়া, ছিলেন খুলনার জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ সিরাজউদ্দিন আহমেদ। এই কমিশন ১৯৮১ সালের ২৫ জুন গণভবনে তাদের কাজ শুরু করে।
ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে কমিশনের দায়িত্ব ছিল হত্যাকাণ্ডের পেছনে কোনো গভীর ষড়যন্ত্র ছিল কি না এবং এর সঙ্গে জড়িতদের উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা উন্মোচন করা। তবে সেই তদন্তের উল্লেখযোগ্য এবং বিতর্কিত দিকও তুলে ধরেছে ডেইলি স্টার। সেটি হচ্ছে, তদন্ত চলাকালেই কার্যপরিধির পরিবর্তন।
তদন্ত চলাকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিশেষ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ষড়যন্ত্র-সংক্রান্ত অংশটি তদন্তের পরিধি থেকে বাদ দিয়েছিল। ফলে কমিশনের কাজ শুধু রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তায় নিয়োজিত সংস্থাগুলোর ব্যর্থতা এবং প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ভূমিকা মূল্যায়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছিল।
তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদসহ ৬২ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে কমিশন দেখতে পায় যে, রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তাব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল ও শিথিল ছিল। ১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোরে সেটি পুরোপুরি ভেঙে পড়ে।
কমিশন প্রতিবেদনে রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজারের সেই বিখ্যাত উক্তির অবতারণা করে বলা হয়, হত্যাকারীদের জন্য পুরো ঘটনাটি ছিল অনেকটা ভিনি, ভিডি, ভিসি বা এলাম, দেখলাম ও জয় করলামের মতোই সহজ।
তদন্ত প্রতিবেদনে সবচেয়ে মারাত্মক অভিযোগ তোলা হয়েছিল রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত কর্মকর্তা বা পিএস লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ ওয়াই এম মাহফুজুর রহমানের বিরুদ্ধে। রাষ্ট্রপতির এডিসি ক্যাপ্টেন মাজহারুল ইসলামের আচরণকেও রহস্যজনক উল্লেখ করা হয় সেই প্রতিবেদনে।
উল্লেখ্য, জিয়া হত্যার সময় নিহত হয়েছিলেন রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের অন্যতম কর্নেল মঈনুল আহসান ও ক্যাপ্টেন আশরাফুল হাফিজ।
প্রতিবেদনে জিয়াউর রহমানের ব্যক্তিগত সচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহফুজুর রহমানের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করা হয়। যদিও প্রতিবেদনটি জমা দেওয়ার আগেই সামরিক আদালতে মাহফুজুর দোষী সাব্যস্ত হন এবং ১৯৮১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর তাকে ফাঁসি দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া আরেক সেনা কর্মকর্তা মেজর মুজিবুর রহমানের পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির এডিসি (এইড-ডি-ক্যাম্প) ক্যাপ্টেন মাজহারুল হকের ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়। মেজর মুজিবুরকেও ১৯৮১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ফাঁসি দেওয়া হয়।
কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, হত্যাকাণ্ডের রাতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহফুজ ও এডিসি ক্যাপ্টেন মাজহারুল হক নিজ নিজ কক্ষে বসে দীর্ঘ সময় ফোনে ব্যস্ত ছিলেন, কিন্তু রক্তক্ষয়ী গোলাগুলির মধ্যেও বাইরে বের হওয়ার কোনো তাগিদ দেখাননি। অথচ রাষ্ট্রপতির প্রধান ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল মঈনুল আহসান ও অন্যতম নিরাপত্তা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন আশরাফুল হাফিজ নিজ কক্ষ থেকে নিজেদের দায়িত্ব পালনের উদ্দেশে বেরিয়েছিলেন।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহফুজের ব্যাপারে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সেটি হচ্ছে, ঘটনার আগের দিন সকালে পিএস মাহফুজ অস্বাভাবিকভাবে রাষ্ট্রপতির সফরে সার্কিট হাউসের কক্ষ বণ্টনের লিখিত তালিকা চান- যা তিনি অতীতে কখনো করেননি। এমনকি রাত ১০টার দিকে তিনি রাষ্ট্রপতির ঘরের সামনের দুজন হাউস গার্ডকে ‘রাষ্ট্রপতির অসুবিধা হবে’ অজুহাতে সরিয়ে দেন!
গোলাগুলি থামার পর দেখা যায়, গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও অন্য সেনা কর্মকর্তারা গুলিতে মারা গেলেও একই জায়গায় থাকা মাহফুজের শরীরে একটি আঁচড়ও লাগেনি! মাহফুজের ঘরের দেয়ালে যে গুলির চিহ্ন পাওয়া গিয়েছিল, পুলিশ বাহিনীর বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা করে জানান- সেগুলো পরে কৃত্রিমভাবে তৈরি করার সম্ভাবনাই বেশি।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রপতির এডিসি ক্যাপ্টেন মাজহারের ঘরের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির ঘরের একটি ‘সংযোগ দরজা’ বা কানেকটিং ডোর ছিল। বিপদের মুহূর্তে জিয়াউর রহমানকে নিজের রুমে সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি তা করেননি। পরে কমিশনে তিনি দাবি করেন, তিনি না কি সেই দরজার অস্তিত্বের কথাই জানতেন না!
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লাশের পাশে স্বজনদের আহাজারী।
প্রতিবেদনের সঙ্গে যুক্ত ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি জিয়ার শরীরে ২০টি গুলির ক্ষত পাওয়া যায়। খুব কাছ থেকে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে গুলি করার কারণে তার মুখের একপাশ বিকৃত হয়ে গিয়েছিল।
কিছুদিন আগে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া জিয়া হত্যার অন্যতম অভিযুক্ত মেজর মোজাফফর হোসেনের নামও কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে। বলা হয়, এই মেজর মোজাফফর কাউকে রাষ্ট্রপতির বিছানার চাদর নিয়ে আসতে বলেছিলেন। তিনিই রাষ্ট্রপতির মরদেহ বিছানার চাদর দিয়ে ঢেকে দিয়েছিলেন।
হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রপতির মরদেহ সার্কিট হাউস থেকে সরিয়ে রাঙ্গুনিয়ার এক পাহাড়ে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছিল। মরদেহ কীভাবে সার্কিট হাউস থেকে সরিয়ে ফেলা হলো সেটা নিয়েও তদন্ত করেছিল কমিশন।
সেখানে বলা হয়, কমিশনের ভাষ্য- ৩০ মে সকালে বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পর মাত্র দুজন এনএসআই কর্মকর্তাকে মরদেহ পাহারার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
স্থানীয় প্রশাসন ওই মুহূর্তে বিভ্রান্তিতে ছিল। তাদের ধারণা হয়েছিল, সেনাবাহিনীর একটি অংশ বিদ্রোহ করেছে এবং চট্টগ্রামের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে চলে গেছে। ফলে তারা নিজেদের উদ্যোগে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে সাহস পাননি বলে উল্লেখ করা হয়েছে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে।
মেজর জেনারেল আবুল মনজুর। ফাইল ছবি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ৩০ মে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দুটি সেনা এসইউভি ও ভারী অস্ত্রসজ্জিত একটি সামরিক বাহন সার্কিট হাউসে আসে। তিনজন মেজর ও ১০ থেকে ১৫ জন সেনাসদস্য সেখানে প্রবেশ করে। তারা অস্ত্রের মুখে এনএসআই কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং রাষ্ট্রপতির কক্ষসহ অন্যান্য কক্ষ তল্লাশি শুরু করে। রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত জিনিসপত্র একটি স্যুটকেসে ভরে নেওয়া হয়।
এরপর সাদা চাদরে জড়িয়ে জিয়াউর রহমানের মরদেহ নিচে নামানো হয়। একইভাবে প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এফ এম মঈনুল আহসান এবং ক্যাপ্টেন আশরাফুল হাফিজ খানের মরদেহও একটি সামরিক ভ্যানে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
কমিশন বলেছে, মরদেহ সরিয়ে নেওয়ার পর স্থানীয় প্রশাসনের কেউ জানতেন না সেটি কোথায় নেওয়া হয়েছে কিংবা কোথায় দাফন করা হয়েছে।
১ জুন বিদ্রোহ দমনের পর রাষ্ট্রপতির মরদেহ উদ্ধারের অভিযান শুরু হয়। এ ব্যাপারে সে সময়ের সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এরশাদের সাক্ষাৎকারও নিয়েছিল কমিশন। তিনি বলেছিলেন, ওই সময় বিদ্রোহ দমন তার অগ্রাধিকার ছিল।
চট্টগ্রামের ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা রাষ্ট্রপতি হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে তদন্তে উঠে আসে। সেই ডিভিশনের জিওসি ছিলেন মেজর জেনারেল আবুল মনজুর। তাকে জিয়া হত্যার দুই দিনের মাথায় হত্যা করে কিছু সেনা সদস্য। তদন্ত কমিশন অবশ্য মনজুর হত্যার তদন্ত করেনি। মনজুর হত্যাও বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বিতর্কিত অধ্যায়।
তবে তদন্ত প্রতিবেদনে জেনারেল মনজুর যে বিদ্রোহের নেতৃত্বে ছিলেন, সেটা বলা হয়েছে।
ডিজিএফআইয়ের চট্টগ্রাম ডিটাচমেন্টের তৎকালীন কমান্ডিং কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু লায়েস চৌধুরীর সাক্ষ্য উদ্ধৃত করে কমিশন বলেছে, ১৯৮০ সালের মাঝামাঝি থেকেই একদল তরুণ সেনা কর্মকর্তার মধ্যে সরকারের প্রতি অসন্তোষ দেখা দেয়।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, মনজুর ধীরে ধীরে নিজের মতাদর্শের কর্মকর্তাদের চট্টগ্রামে বদলি করিয়ে আনছিলেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৮১ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে মনজুর ডিজিএফআই কর্মকর্তাদের ক্যান্টনমেন্টে অবাধ প্রবেশও সীমিত করে দেন, ফলে গোয়েন্দা কার্যক্রম কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ে।
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জানাজার নামাজের ছবি।
কমিশনের ভাষ্য, ৩০ মে ভোর থেকেই মনজুর নিজ কার্যালয়ে বসে কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ, নির্দেশনা দেওয়া এবং বিভিন্ন নোট লিখতে থাকেন। তার আচরণে স্পষ্ট ছিল যে, তিনিই পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
কমিশনের তদন্তে উঠে আসে, রাষ্ট্রপতি হত্যার পরবর্তী পরিকল্পনা বিদ্রোহীদের মধ্যে ছিল অত্যন্ত দুর্বল। ৩১ মে রাত থেকেই সেনা সদর দপ্তরের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার চেষ্টা শুরু হয়।
ব্রিগেডিয়ার হান্নান শাহ কমিশনকে জানান, তিনি বিদ্রোহীদের সঙ্গে আলোচনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কিন্তু সেনা সদর দপ্তর নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া অন্য কোনো প্রস্তাব গ্রহণে রাজি হয়নি। কমিশন বলেছে, বিদ্রোহীদের পুরো পরিকল্পনাই ছিল অপরিণত, অপরিকল্পিত এবং অপেশাদার।
জেনারেল মনজুরের হত্যার ব্যাপারে বিশদ কিছু উল্লেখ নেই প্রতিবেদনে। তবে তাকে কীভাবে ধরা হয় এবং তার মরদেহ কোথায়, কীভাবে পাওয়া যায়, সেটার উল্লেখ আছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মনজুরকে পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও পুলিশ কর্মকর্তারা ঢাকার অনুমতি নেওয়ার পর তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেন।
তদন্ত প্রতিবেদনের উপসংহারে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড ছিল নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা ব্যবস্থার বহুমাত্রিক ব্যর্থতার ফল।
কমিশনের মতে, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মনজুরের বিদ্রোহী তৎপরতার বিষয়ে আগে থেকেই বিভিন্ন তথ্য পেলেও তা কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে পারেনি।
ডেইলি স্টারে প্রকাশিত জিয়া হত্যা তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন ৪৫ বছর পর কিছু প্রশ্ন সামনে নিয়ে আসছে। প্রথমত, দেশের রাষ্ট্রপতিকে হত্যার বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন কেন প্রকাশ করা হয়নি এতদিন। আরেকটি বিষয় হচ্ছে, কমিশনকে কেন হত্যাকাণ্ডের মূল ষড়যন্ত্রকারীদের ব্যাপারে তদন্ত করতে দেওয়া হয়নি।