
টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডে যোগ দিলেন সেলিম রায়হান
সেলিম রায়হান তিন বছরের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

টেকসই ও ঘাত-সহিষ্ণু কৃষি ব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনে (পিকেএসএফ) এক জ্ঞান-বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় জলবায়ু-সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বহুফলনশীল ধান চাষ সম্প্রসারণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আজ মঙ্গলবার এই সভা আয়োজন করা হয়।
পিকেএসএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘টেকনোলজি–বেজড ইনকাম জেনারেশন ফর ফারমারস’ শীর্ষক এ সভায় মূল উপস্থাপনা প্রদান করেন প্রখ্যাত জিনবিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী।
সভা সঞ্চালনা করেন পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সহযোগী সংস্থা FIVDB-এর সভাপতি ড. মনজুর আহমেদ ও কৃষি বিজ্ঞানী ড. শেখ তানভীর হোসেন।
বক্তারা বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে টেকসইভাবে জমির উর্বরতা ব্যবস্থাপনা, উচ্চফলনশীল ও ঘাত-সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবন এবং তা মাঠ পর্যায়ে দ্রুত সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি। সরকারের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পিকেএসএফ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জলবায়ু-সহিষ্ণু কৃষি প্রযুক্তি ও বিভিন্ন উদ্ভাবনী কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৃষিতে উৎপাদনশীলতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশের কৃষি খাতে অর্থায়নের ৫০ ভাগের বেশি পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থাসমূহ সরবরাহ করে।
সম্প্রতি গৃহীত ‘কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৫-২০৩০’-এর আলোকে পিকেএসএফ রপ্তানিমুখী মূল্য সংযোজন ও বহুমুখী কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, টেকসই প্রযুক্তি স্থানান্তরের জন্য কার্যকর ব্যবসায়িক মডেল উন্নয়ন, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও ঝুঁকি-সহনশীল উৎপাদন ব্যবস্থা, কৃষকদের জন্য বাজার ব্যবস্থার উন্নয়ন, সম্পদ-সাশ্রয়ী কৃষি প্রযুক্তি ও চর্চার সম্প্রসারণ, কৃষি প্রতিবেশ সুরক্ষায় জৈব কৃষি সম্প্রসারণ ইত্যাদি বিষয়ে বিশেষ মনোনিবেশ সহকারে বিস্তৃত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
সভায় পিকেএসএফের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন

সেলিম রায়হান তিন বছরের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

দেশের নিবন্ধিত অনলাইন নিউজপোর্টালের প্রকাশক ও সম্পাদকদের সমন্বয়ে ‘অনলাইন এডিটরস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টন ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) উৎপন্ন হলেও এর ১০ শতাংশেরও কম পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করা হয়। বিদ্যমান ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১-এর বাস্তবায়নে ঘাটতির কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ছে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই চুক্তির আওতায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থা (পিও) এবং ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের (এমএফআই) মাধ্যমে মোট ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা পর্যন্ত গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ প্রদান করতে পারবে।