
লায়েস-এর একটি বড় সুবিধা হলো কম খরচ। প্রতি মেগাওয়াট-ঘণ্টা সঞ্চিত শক্তির জন্য এর ‘লেভেলাইজড কস্ট অফ স্টোরেজ’ প্রায় ৪৫ ডলার, যেখানে পাম্পড হাইড্রোর জন্য এটি ১২০ ডলার এবং লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির জন্য ১৭৫ ডলার।

গেমিং সাম্রাজ্যে সৌদি যুবরাজের নেশাই কী দেশটিকে এই শিল্পে বেশি যুক্ত করেছে, না কি খনিজ তেল থেকে নতুন যুগের ব্যবসায় তার আগ্রহ বেশি সেই প্রশ্নটা খুঁজতে হবে। হয়তো ব্রায়ান ওয়ার্ডের আশাই একসময় সত্যি হতে পারে, ভবিষ্যতে সৌদি আরবের তৈরি গেম চীন-জাপানের মতোই বিশ্বে জনপ্রিয়তা পাবে।
অফিস অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি মনে করে, মহাকাশযানের ডকিং বা চাঁদে অবতরণের মতো সূক্ষ্ম কাজের জন্য বর্তমান পদ্ধতির চেয়ে আরও বেশি নির্ভুলতা প্রয়োজন। যা পরবর্তীতে চন্দ্র অভিযানকে সহজ করে তুলবে।

আমেরিকার প্রতি চীনের অবিশ্বাস এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে। কারণ ট্রাম্প একদিকে চীনের প্রযুক্তি প্রবেশাধিকার বন্ধ করতে চেয়েছেন, অন্যদিকে আবার তা বিক্রির প্রচেষ্টা চালিয়েছেন।

এই ঘোষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে, ভবিষ্যতে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও ল্যাপটপের সীমারেখা ভেঙে দিয়ে গুগল একীভূত অ্যান্ড্রয়েড অভিজ্ঞতা দিতে চায়।

একবার ডাউনলোড করলে সেই ভাষা ভবিষ্যতে অনুবাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এই সুবিধা চ্যাট, গ্রুপ এবং চ্যানেল আপডেট-সব জায়গাতেই কাজ করবে।

বিরল খনিজ ও তা ব্যবহারে তৈরি নানা পণ্য মানুষের জীবনের সঙ্গে একেবারে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। হাতে থাকা সেলফোন, কম্পিউটার, টেলিভিশন, গাড়ি থেকে শুরু করে বিচিত্র সব প্রযুক্তি পণ্য, যার ভেতরে চুম্বক থাকে বা যা তৈরিতে চুম্বক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তার সবকিছুতেই রয়েছে এই বিরল খনিজের উপস্থিতি।

কাজের ক্লান্তি কাটাতে ঘুরতে যাওয়ার থেকে ভালো উপায় আর কিছুই নেই। তবে বিদেশ কিংবা দেশের কোনো স্থানে ভ্রমণ করার সময় হোটেলে থাকার সময় ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এর ফলে আমেরিকায় টিকটক আর বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি নেই।

এর ফলে আমেরিকায় টিকটক আর বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি নেই।

কোয়ান্টাম কম্পিউটার দেখতে সাধারণ কম্পিউটারের মতো নয়। অনেক ধাতব সিলিন্ডার ও প্যাঁচানো তারে তৈরি কিম্ভূতকিমাকার এই যন্ত্রটি। কোয়ান্টাম মেকানিকসের জটিল সমীকরণ কাজে লাগিয়ে গাণিতিক সব সমস্যার সমাধান করবে এটি।

কোয়ান্টাম কম্পিউটার দেখতে সাধারণ কম্পিউটারের মতো নয়। অনেক ধাতব সিলিন্ডার ও প্যাঁচানো তারে তৈরি কিম্ভূতকিমাকার এই যন্ত্রটি। কোয়ান্টাম মেকানিকসের জটিল সমীকরণ কাজে লাগিয়ে গাণিতিক সব সমস্যার সমাধান করবে এটি।

জেটা‑ক্লাস সুপারকম্পিউটার তৈরির স্বপ্নই এতদিন সবাই দেখেছে, কেউ বাস্তবে রূপ দিতে পারেনি। বলা হয়েছে, এই সুপারকম্পিউটার কাজ করবে জেটাফ্লপস গতিতে। পুরোপুরি কর্মক্ষম হলে এই সুপারকম্পিউটার আজকের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপারকম্পিউটারের চেয়েও ১০০০ গুণ বেশি গতিতে কাজ করতে পারবে।

জেটা‑ক্লাস সুপারকম্পিউটার তৈরির স্বপ্নই এতদিন সবাই দেখেছে, কেউ বাস্তবে রূপ দিতে পারেনি। বলা হয়েছে, এই সুপারকম্পিউটার কাজ করবে জেটাফ্লপস গতিতে। পুরোপুরি কর্মক্ষম হলে এই সুপারকম্পিউটার আজকের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপারকম্পিউটারের চেয়েও ১০০০ গুণ বেশি গতিতে কাজ করতে পারবে।