
মহাত্মা গান্ধী গুডউইল অ্যাওয়ার্ড পেলেন কালের কণ্ঠের ফারুক মেহেদী
মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ ও অহিংসার দর্শন প্রচারে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘মহাত্মা গান্ধী গুডউইল অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন দৈনিক কালের কণ্ঠের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, সাংবাদিক ও লেখক ফারুক মেহেদী।
চরচা ডেস্ক

পার্বত্য চট্টগ্রাম অশান্ত থাকলে সমগ্র বাংলাদেশও শান্তিতে থাকতে পারবে না বলেছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদ খান।
আজ সোমবার পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলন কর্তৃক আয়োজিত সাম্প্রতিক চুক্তির সাথে সাংঘর্ষিক পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে তিনটি আলাদা জাতীয় কমিটি গঠন করার প্রতিবাদে শাহবাগে অনুষ্ঠিত এক নাগরিক সমাবেশ এ কথা বলেন তিনি। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলন এই নাগরিক সমাবেশের আয়োজন করে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলন সদস্য দীপায়ন খীসার সঞ্চালনায় সংগঠনের যুগ্ন সমন্বয়কারী জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জ্যৈষ্ঠ সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদ খান, এএলআরডি নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, বাংলাদেশ জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরণার্থী কল্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদক সন্তোষিত চাকমা বকুল।
আবু সাঈদ খান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষকে অনেক কিছু দেওয়া হয়েছে এমন ধারণা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। একটি দেশের কোনো জনগোষ্ঠী যদি দীর্ঘদিন বঞ্চিত ও উপেক্ষিত থাকে, তাহলে সেই দেশের রাষ্ট্রীয় চরিত্র নিয়েই প্রশ্ন ওঠে।
তিনি বলেন, “১৯৭২ সালে দেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে বাঙালি হিসেবে পরিচিত করার যে অবস্থান নেওয়া হয়েছিল, তৎকালীন সংসদে এর প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন এম এন লারমা। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, তিনি বাঙালি নন এবং তাঁর পূর্বপুরুষদের কেউ নিজেদের বাঙালি হিসেবে পরিচয় দেননি। এই অবস্থার পরিবর্তনের জন্য বাঙালি সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর মধ্যে মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন। বাংলাদেশ কেবল বাঙালির রাষ্ট্র নয়, কেবল মুসলমানের রাষ্ট্রও নয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম অশান্ত থাকলে সমগ্র বাংলাদেশও শান্তিতে থাকতে পারবে না। তাই পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা শুধু পাহাড়ের মানুষের সমস্যা নয়, এটি বাংলাদেশের একটি জাতীয় সমস্যা হিসেবে মেনে নিতে হবে।”
শামসুল হুদা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অনেক আলোচনা হলেও সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। পাহাড়ের সমস্যা সমাধানের একমাত্র পথ হলো ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন। তিনি বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা ও ২৬ দফা বৈঠকের পর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
নাজমুল হক প্রধান বলেন, দেশে আন্দোলন হচ্ছে, সরকার পরিবর্তন হচ্ছে, কিন্তু বাস্তব অর্থে কিছুই পরিবর্তন হচ্ছে না। বিশেষ করে আদিবাসী ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ভাগ্যেরও কোনো পরিবর্তন ঘটছে না। তিনি বলেন, রাষ্ট্র পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের সঙ্গে চুক্তি করেছে এবং সেই চুক্তি বাস্তবায়নের দায়িত্বও রাষ্ট্রের। তিনি বলেন, আদিবাসীদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে সরকারকে ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে সম্প্রতি গঠিত তিনটি কমিটি বাতিল করে পাহাড়ের মানুষের কথা শুনতে এবং তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের পথে এগিয়ে আসতে হবে।
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, আমাদের অবশ্যই কথা বলতে হবে এবং যৌক্তিক আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি তুলে ধরতে হবে। রাষ্ট্রের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এটি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে চুক্তি নয়, বরং রাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি। তাই চুক্তি বাস্তবায়ন ও পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার সমাধানের দায়িত্বও রাষ্ট্রের। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যতম প্রধান সমস্যা ভূমি সমস্যা। অথচ দীর্ঘদিনেও এই সমস্যার কার্যকর সমাধান হয়নি। সম্প্রতি গঠিত তিনটি কমিটি কার্যক্রম শুরু করলে পাহাড়ের বিদ্যমান সমস্যাগুলো আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
এই প্রেক্ষাপটে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে রাজনৈতিক উপায়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যাকে সমাধানের আহ্বান জানিয়ে কিছু দাবি উত্থাপন করা হয় বলে জানানো হয় ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে। দাবিগুলো হলো -
১. পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সাথে সাংঘর্ষিক পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক তিনটি কমিটি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে;
২. পার্বত্য চুক্তি মোতাবেক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ কমিটি গঠন করতে হবে
৩. পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সাথে সাংঘর্ষিক পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অ-পাহাড়ী প্রতিমন্ত্রীকে মন্ত্রণালয় থেকে প্রত্যাহার করতে হবে;
৪. চুক্তি অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদানের জন্য উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন ও কার্যকর করতে হবে;
৫. পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য সুনির্দিষ্ট সময়সূচি ভিত্তিক কর্ম পরিকল্পনা গ্রহন করতে হবে;
৬. বিধিমালা প্রণয়ণসহ দ্রুততম সময়ে পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনকে কার্যকর করতে হবে;
৭. অবিলম্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সাথে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সংলাপ আয়োজন করতে হবে;
৮. পার্বত্য অঞ্চলের ভূমি সমস্যাসহ সকল সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে সরকারের উদ্যোগে বহুপক্ষীয় অর্থবহ সংলাপ শুরু করতে হবে।
সাজেক ভ্যালিতে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
রিয়াদ বিমানবন্দরে শনিবারের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২৪ বাংলাদেশি আহত
সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে আবার হামলা, টার্মিনালে আগুন
রাশিয়া-ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ট্রাম্পের, বিস্মিত জেলেনস্কি
ইউপি নির্বাচন: জানুয়ারি থেকে শুরু পাঁচ ধাপের ভোট

মহাত্মা গান্ধী গুডউইল অ্যাওয়ার্ড পেলেন কালের কণ্ঠের ফারুক মেহেদী
মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ ও অহিংসার দর্শন প্রচারে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘মহাত্মা গান্ধী গুডউইল অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন দৈনিক কালের কণ্ঠের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, সাংবাদিক ও লেখক ফারুক মেহেদী।

একসঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে এলপিপি ও বাংলাদেশ
দশ বছর আগে বাংলাদেশে প্রায় ১০০টি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করত এলপিপি। বর্তমানে সেই সংখ্যা ৩৫০ ছাড়িয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এলপিপির বার্ষিক চুক্তির মূল্য প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ কারখানার প্রধান ক্রেতা এলপিপি।

ওয়ালটনের সোলার ইকোসিস্টেম উন্মোচন করলেন অর্থমন্ত্রী
সূর্যের আলোকে কাজে লাগিয়ে শতভাগ পরিবেশবান্ধব সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চয়, জাতীয় গ্রিডে সঞ্চালনের পাশাপাশি বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত দৈনন্দিন ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক পণ্য পরিচালনায় এক সমন্বিত ‘সোলার ইকো-সিস্টেম’ প্রযুক্তি ব্যবস্থা উন্মোচন করেছে ওয়ালটন।

ষষ্ঠ বাংলাদেশ ফিনটেক সামিট অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ ফিনটেক সামিটের ষষ্ঠ সংস্করণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর র্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে এ সম্মেলনে ব্যাংকিং ও ফিনটেক খাতের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা, বিনিয়োগকারী, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, স্টার্টআপ উদ্যোক্তা ও শিক্ষাবিদেরা অংশ নেন। বাংলাদেশ ফিনটেক ফোরামের উদ