আমরা
এটি কেবল কোনো একজন ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন মুহূর্ত নয়; বরং এটি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম জটিল এক জনস্বাস্থ্য সংকট। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)-র তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের প্রতি ছয়জন মানুষের মধ্যে একজন প্রতিনিয়ত একাকিত্বের মধ্য দিয়ে যান। কিন্তু প্রযুক্তির এই যুগে, যেখানে যোগাযোগের হাজারো মাধ্যম আঙু
পাম্পে গিয়ে এক লিটার ডিজেলের জন্য টাকা দেওয়ার সময় মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে, এই টাকাটা আসলে কোথায় যায়? মধ্যপ্রাচ্যের কোনো তেলক্ষেত্র থেকে উত্তোলিত হওয়ার পর জাহাজে করে কীভাবে জ্বালানি আসে বাংলাদেশে?
একই মহল্লার আলো-আঁধারি গলি ছুঁয়ে বেড়ে ওঠা দুই বালকের গল্প দিয়ে শুরু করা যাক। তাদের শৈশব কেটেছে একই চেনা ধূসর পথ ধরে। জীর্ণ স্কুলের একই ভাঙা বেঞ্চে বসে তারা পাশাপাশি বিদ্যা কুড়িয়েছে, মাথার ওপর ছিল একই রকম সামাজিক অনটন ও টানাপোড়েন। অথচ পনেরো বছর পর দেখা গেল সম্পূর্ণ ভিন্ন এক ছবি।
আজকের আধুনিক পুঁজিবাদী যুগে সুখকে যেন একটি বিক্রিযোগ্য পণ্যে রূপান্তর করা হয়েছে। চারপাশের রঙচঙে বিজ্ঞাপন আর সোশ্যাল মিডিয়ার রঙিন পর্দাগুলো প্রতিনিয়ত আমাদের সামনে নিখুঁত জীবনের এক কৃত্রিম ছবি তুলে ধরে।
বিজ্ঞান ও দীর্ঘমেয়াদী মনস্তাত্ত্বিক গবেষণার আলোকেও যদি আমরা মানুষের ভালো থাকার মূল রহস্য অনুসন্ধান করি, তবে কয়েকটি প্রধান উপাদান স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
আমাদের জৈবিক ও বিবর্তনীয় ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, মানুষের মস্তিষ্ক কিন্তু আমাদের ‘সারাক্ষণ সুখী রাখার জন্য’ তৈরি হয়নি। এটি তৈরি হয়েছে মূলত আমাদের ‘টিকিয়ে রাখার বা বাঁচিয়ে রাখার’ (survival) জন্য।
কল্পনা করুন, এক তরুণী টানা দু-তিন বছর দিনরাত এক করে প্রস্তুতি নেওয়ার পর সরকারি চাকরির কঠিন পরীক্ষায় প্রথম হলেন। গেজেট প্রকাশের পর প্রথম কয়েক দিন, কিংবা প্রথম কয়েক সপ্তাহ তিনি ভাসলেন অপার আনন্দের বন্যায়। আত্মীয়স্বজনের প্রশংসা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনন্দনের জোয়ার, প্রিয়জনদের উচ্ছ্বাস–সব মি
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)-এর গবেষণা অনুযায়ী, কৃষি ফসলের পাশাপাশি উত্তপ্ত আবহাওয়ার প্রভাব পড়ে পশুসম্পদ ও মৎস্য খাতেও। তীব্র অনাবৃষ্টির কারণে চারণভূমি শুকিয়ে পশুখাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দেয়, যা দুধ ও মাংস উৎপাদন কমিয়ে দেয়।
“যে জীবন ফড়িঙের, দোয়েলের—মানুষের সাথে তার হয় নাকো দেখা।”–জীবনানন্দ দাশ পঙ্ক্তিটি অনায়াসেই আমাদের দাঁড় করিয়ে দেয় এক গভীর ও নিগূঢ় সত্তাতাত্ত্বিক সত্যের মুখোমুখি।