Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

২৫ বছরের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেক মানুষ থাকবে চরম তাপমাত্রায়, বাংলাদেশের ক্ষতি কতটা?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১৩: ৪৯
২৫ বছরের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেক মানুষ থাকবে চরম তাপমাত্রায়, বাংলাদেশের ক্ষতি কতটা?

প্রাক শিল্পযুগের তুলনায় বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা যদি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়, তাহলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেক মানুষ চরম তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে বলে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে করা এক নতুন গবেষণায় উঠে এসেছে। আর তাপমাত্রার এই বৃদ্ধির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশেরও নাম।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গতকাল সোমবার গবেষণাটি নেচার সাসটেইনেবিলিটি সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এই গবেষণা পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়েছেন। গবেষণার শিরোনাম হলো, ‘Global gridded dataset of heating and cooling degree days under climate change scenarios’।

গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, প্যারিস চুক্তিতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা এক দশমিক ৫ ডিগ্রির মধ্যে সীমিত রাখার কথা বলা হলেও তা সম্ভব হচ্ছে না। তাই ২০১০ সালে বিশ্বের ২৩ শতাংশ মানুষ চরম তাপের মধ্যে বসবাস করলেও আগামী কয়েক দশকে বেড়ে ৪১ শতাংশে পৌঁছাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীদের করা এই গবেষণার ফলাফল বিশ্বের জন্য চরম উদ্বেগজনক বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র, নাইজেরিয়া, দক্ষিণ সুদান, লাওস এবং ব্রাজিলে বিপজ্জনক তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি হবে বলে গবেষণায় পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ভারত, নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ফিলিপাইনের জনগণ।

গবেষণা বলছে, শীতপ্রধান দেশগুলোতেও উষ্ণতার স্থায়িত্ব তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি বাড়বে, কিছু ক্ষেত্রে দ্বিগুণেরও বেশি।

এতে আরও বলা হয়েছে, ২০০৬ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে প্রাক-শিল্পযুগের তুলনায় গড় তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছিল। এই তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়লে অস্ট্রিয়া ও কানাডায় উষ্ণদিন হবে দ্বিগুণ।

এ ছাড়া যুক্তরাজ্য, সুইডেন ও ফিনল্যান্ডে ১৫০ শতাংশ, নরওয়েতে ২০০ শতাংশ এবং আয়ারল্যান্ডে ২৩০ শতাংশ পর্যন্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। এসব দেশের অবকাঠামো মূলত ঠান্ডা আবহাওয়ার উপযোগী হওয়ায়, তাপমাত্রার মাঝারি বৃদ্ধিও তুলনামূলকভাবে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।

বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধির পথে বাধা তাপপ্রবাহheatwave 1

অক্সফোর্ডের ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং গবেষণার প্রধান লেখক ড. জেসুস লিজানা বলেন, “শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ও উষ্ণায়নের চাহিদায় বেশিরভাগ পরিবর্তন এক দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সীমায় পৌঁছানোর আগেই ঘটে যাবে। তাই দ্রুত অভিযোজনমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই অনেক বাড়িতে এয়ার কন্ডিশনার বসানোর প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে তাপমাত্রা এরপরও বাড়তেই থাকবে।”

ড. জেসুসের পরামর্শ, ২০৫০ সালের মধ্যে নেট-জিরো কার্বন নির্গমন অর্জন করতে হলে ভবন খাতকে ডিকার্বনাইজ করার পাশাপাশি আরও কার্যকর ও সহনশীল অভিযোজন কৌশল গড়ে তুলতে হবে।

অক্সফোর্ড মার্টিন ফিউচার অব কুলিং প্রোগ্রামের প্রধান ও স্মিথ স্কুল অব এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড দ্য এনভায়রনমেন্টের সহযোগী অধ্যাপক ড. রাধিকা খোসলা বলেন, “আমাদের এই গবেষণাকে সতর্কবার্তা হিসেবে নেওয়া উচিত। বৈশ্বিক তাপমাত্রা এক দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সীমা অতিক্রম করলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অভিবাসনসহ সব ক্ষেত্রেই নজিরবিহীন প্রভাব পড়বে।”

তার পরামর্শ, টেকসই নেট-জিরো উন্নয়নই একমাত্র পথ, যা ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার এই প্রবণতা থামাতে পারে। রাজনীতিবিদদের দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, চরম তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার জন্য জ্বালানির চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে এবং এর সঙ্গে বাড়বে সংশ্লিষ্ট নির্গমনও। বিপরীতে, কানাডা ও সুইজারল্যান্ডের মতো দেশে হিটারের চাহিদা কমে যাবে।

এদিকে, বিশ্ব যখন অপরিবর্তনীয় জলবায়ু ক্ষতি, সংঘাত ও বাস্তুচ্যুতির জটিল বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে, তখন জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশে কোনো দূরবর্তী ধারণা নয়, বরং প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা। ঘূর্ণিঝড়, তাপপ্রবাহ, বন্যা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং নদী ভাঙনে লাখো মানুষ স্থানচ্যুত হচ্ছে। কৃষি, স্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে। উপকূল থেকে হাওর সব জায়গায় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। এই সংকটকে আরও প্রকট হয়ে উঠছে নতুন এই গবেষণার ফলাফলে।

বিষয়: বাংলাদেশজলবায়ু পরিবর্তনতাপমাত্রাজলবায়ুগবেষণাঅক্সফোর্ড
সর্বশেষ
  • ১

    সেইন্টস ক্লাবে ‘ইস্পাহানি টি লাউঞ্জ’ উদ্বোধন

  • ২

    আওয়ামী লীগের কর্মসূচি নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন পরওয়ার

  • ৩

    এশিয়ান গেমস: ভারতের কাছে আরেকটি অসহায় আত্মসমর্পণ

  • ৪

    গণভোটের ম্যান্ডেট পাশ কাটিয়ে সংবিধান সংশোধন নয়: গোলাম পরওয়ার

  • ৫

    ‘শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে আমাদের সরকারের শক্ত নজর আছে’

সম্পর্কিত
  • অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হলেও ভারতের মানুষ সুখী নয় কেন?

    অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হলেও ভারতের মানুষ সুখী নয় কেন?

    একটি দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ভালো নাকি খারাপ হচ্ছে তার সঙ্গে সেই দেশের মানুষের সুখী হওয়ার সম্পর্ক নিয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে। এই পরিস্থিতির বাস্তব উদাহরণ দেখা গেছে প্রতিবেশী ভারতে। দেশটিতে চলতি বছর জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।

  • কাটছে জ্বালানি সংকট, সচল হচ্ছে কারখানা, প্রশ্ন স্থিতিশীল সরবরাহ নিয়ে

    কাটছে জ্বালানি সংকট, সচল হচ্ছে কারখানা, প্রশ্ন স্থিতিশীল সরবরাহ নিয়ে

    প্রায় দুই মাস তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের পর দেশের শিল্পকারখানায় স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। গত তিন-চার দিনে গ্যাসের চাপ ও সরবরাহ বাড়ায় অনেক কারখানা আবার উৎপাদন সক্ষমতা বাড়িয়েছে। কোথাও কোথাও উৎপাদন প্রায় স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছেন শিল্প উদ্যোক্তারা।

  • ‘সর্বাত্মক যুদ্ধের’ মধ্যেও যেভাবে টিকে আছেন তিনি

    ‘সর্বাত্মক যুদ্ধের’ মধ্যেও যেভাবে টিকে আছেন তিনি

    চন্দ্রশেখরনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখনো টাটা সন্সের পরিচালনা পর্ষদ ও এর নিয়ন্ত্রণকারী ট্রাস্টগুলোর প্রকাশ্য বিরোধ। এতে কোম্পানি ও তার সবচেয়ে বড় শেয়ারহোল্ডারের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

  • ডানপন্থীদের উত্থানে অভিবাসীদের মনে প্রশ্ন, তারা কি জার্মানিতে আপনজন?

    ডানপন্থীদের উত্থানে অভিবাসীদের মনে প্রশ্ন, তারা কি জার্মানিতে আপনজন?

    ডানপন্থী এএফডি প্রান্তিক একটি আন্দোলন থেকে জার্মানির সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে এবং জাতীয় জনমত জরিপে চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের রক্ষণশীল জোটের চেয়েও এগিয়ে রয়েছে।