
অনেক স্বল্পোন্নত দেশ তাদের জলবায়ু অর্থের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি পেয়েছে ঋণের আকারে, যা পরিশোধের শর্ত তাদের আরও ঋণের ফাঁদে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বাংলাদেশ এবং অ্যাঙ্গোলার ক্ষেত্রে এই ধরনের ঋণের পরিমাণ ৯৫ শতাংশ বা তার বেশি।

বাঁধ নির্মাণ, আবহাওয়ার পূর্বাভাসের উন্নতি এবং স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোজনমূলক উদ্যোগ নিয়ে প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার মোকাবিলা করে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সেজন্য বাংলাদেশকে টিকে থাকার থাকার দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রায়ই তুলে ধরা হয়।

“জলবায়ু ঝুঁকি কার্যকরভাবে মোকাবিলায় প্রকল্পগুলোর অগ্রাধিকার স্পষ্ট করা জরুরি।”