Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

গাজার বাস্তুচ্যুতদের ফেরা কেন কঠিন হয়ে পড়েছে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮: ২৪
গাজার বাস্তুচ্যুতদের ফেরা কেন কঠিন হয়ে পড়েছে?
গাজা সিটিতে আবাসিক ভবনের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছেন এক ফিলিস্তিনি তরুণ। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

ইসরায়েলি বিমান হামলায় ওমর আল-হাসাইনার বড় পরিবারের অধিকাংশ সদস্য নিহত হওয়ার পর তিনি গাজা ছেড়ে কায়রোতে পালিয়ে এসেছিলেন। তিন বছর পরও তিনি সেখানে অপেক্ষা করছেন। ধ্বংসস্তূপে পরিণত নিজ মাতৃভূমিতে পর্যাপ্ত স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও পুনর্গঠন নিশ্চিত হলে তবেই ফিরবেন।

Advertisement

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ওপর হামাসের হামলার পর শুরু হওয়া যুদ্ধে গাজা উপত্যকা ছেড়ে যাওয়া এবং এখনো বিদেশে আটকে থাকা এক লাখের বেশি গাজাবাসীর একজন হাসাইনা। তাদের অনেকেই এখনো মৃত স্বজন, ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়িঘর ও জনপদের শোক বয়ে বেড়াচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘‘আমি গাজা ছেড়ে মিশরে, কিনানার (মিশরকে বোঝাতে বলা হয়) ভূমিতে এসেছি, কিন্তু একই সঙ্গে এ কথা কখনো ভোলা যাবে না, প্রিয় ভাই, এ কথা কখনো ভোলা যাবে না। আমি সেই সুযোগের অপেক্ষায় আছি। আমি সেই মুহূর্তের অপেক্ষায় আছি, যখন গাজা স্থিতিশীল হবে...আমি আমার দেশে (গাজা) ফিরতে পারি, দেশের একজন উৎপাদনশীল নাগরিক হতে এবং দেশের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারি।”

গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার প্রায় এক বছর হতে চলেছে। ওই যুদ্ধবিরতির আওতায় কারিগরি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত একটি সরকারের অধীনে পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা ছিল। একই সঙ্গে একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের পথ তৈরি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে পরিস্থিতির খুব সামান্যই পরিবর্তন হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২০ ফিলিস্তিনি নিহতGaza

ইসরায়েলি বাহিনী এখনো গাজার ৬০ শতাংশের বেশি এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে এবং প্রায় প্রতিদিনই বিমান হামলা চালাচ্ছে। অন্যদিকে, হামাস নিয়ন্ত্রণ করছে ফিলিস্তিনিদের বসবাসের বেশির ভাগ এলাকা। এসব এলাকায় অধিকাংশ মানুষ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছে। ত্রাণ সংস্থাগুলো বলছে, সেখানে প্রয়োজনের তুলনায় ত্রাণের সরবরাহ অপর্যাপ্ত এবং অদূর ভবিষ্যতে পুনর্গঠনেরও কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২২ নভেম্বর ইসরায়েলি হামলায় গাজা সিটির একটি আবাসিক ভবনসমষ্টি ধ্বংস হয়ে যায়। সেখানে আশ্রয় নেওয়া হাসাইনার বর্ধিত পরিবারের ৩০৮ সদস্য নিহত হন।

নিহতদের মধ্যে ছিলেন তার স্ত্রী, তাদের চার প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে এবং চার নাতি-নাতনি। নিহত নাতি-নাতনিদের একজন ছিল মাত্র কয়েক মাস বয়সী শিশু।

হাসাইনার বড় ছেলে মোহাম্মদও কায়রোতে রয়েছেন তার চার সন্তানকে নিয়ে। তার নিহত এক ছেলের বিধবা স্ত্রী ও তার মেয়েও কায়রোতে আছেন। হাসাইনার কয়েকজন ভাইও মিশরের রাজধানীতে বসবাস করছেন।

তার এক মেয়েকে স্বামী ও ছয় সন্তানসহ চিকিৎসার জন্য তুরস্কে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আরেক মেয়ে গাজায় রয়েছেন তার পাঁচ সন্তানকে নিয়ে। ওই মেয়ের স্বামীও হামলায় নিহত হয়েছেন।

২২ নভেম্বরের ওই হামলার বিষয়ে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। তবে তারা বলে আসছে, গাজায় তাদের হামলার লক্ষ্য সামরিক স্থাপনা ও লক্ষ্যবস্তু এবং বেসামরিক মানুষের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর চেষ্টা করা হয়।

গাজার ২০ হাসপাতালে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করছে ডব্লিউএইচওGAZA

প্রায় ৭ হাজার ফিলিস্তিনি গাজায় ফিরে গেছে

আগস্টে কায়রো থেকে ভিডিওতে হাসাইনা দেখেছেন, তার স্বজনেরা তার স্ত্রী, ছেলে ও নাতি-নাতনিসহ পরিবারের ১১২ সদস্যের দাফন করছেন। ধ্বংসস্তূপ থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তবে পরিবারের আরও কয়েক ডজন সদস্য এখনো নিখোঁজ।

গাজায় অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম ও নিরাপত্তা উপকরণ বিক্রির ব্যবসা ছিল হাসাইনার। তার কিছু পণ্য যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞ থেকে রক্ষা পেয়েছে। তিনি সময়-সময় সেসব পণ্য বিক্রি করে কায়রেতে নিজের জীবনযাপনের খরচ চালান। সেখানে তিনি পুনরায় বিয়েও করেছেন।

গাজা ছেড়ে যাওয়ার আগে প্রত্যেক ব্যক্তিকেই ইসরায়েল ও মিশর—দুই দেশের পক্ষ থেকে যাচাই করা হয়েছিল। কিন্তু তাদের অনেকের পক্ষেই গাজায় ফিরে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

গাজার পুরো জনগোষ্ঠীকে সেখান থেকে চলে যেতে উৎসাহিত করা এবং যারা চলে গেছে, তাদের ফিরে আসা ঠেকানোর নীতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইসরায়েলের কিছু রাজনীতিক। তারপরও প্রায় ৭ হাজার ফিলিস্তিনি গাজায় ফিরে গেছে। হাসাইনা মনে করেন, গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের ব্যাপক হারে বাস্তুচ্যুত হতে দেবে না মিশর।

তবে যারা গাজা ছেড়ে পালিয়েছে, তাদের ব্যাপকভাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুব শিগগিরই তৈরি হবে কি না, তা নির্ভর করছে ভূখণ্ডটির ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি কতটা স্পষ্ট হয় তার ওপর।

“গাজা যদি আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। যদি ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য একটি সার্বিক ব্যবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক সমঝোতা হয় এবং পুনর্গঠন শুরু হয়, তাহলে আমি কেন দেরি করব?”—বলেন হাসাইনা।

বিষয়: গাজা উপত্যকাবাস্তুচ্যুতশরণার্থীমিশরকায়রোইসরায়েলফিলিস্তিনিগাজা
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    রাজনৈতিক প্রোপাগাণ্ডা ও বিদ্যায়তনিক পরাধীনতার শিকার তাসনীম সিরাজ

  • ২

    ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য

  • ৩

    সরকারি কর্মী: বেতন বৃদ্ধি যৌক্তিক ও সময়োচিত

  • ৪

    ১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান আইনসভায় নির্বাচিত অমুসলিম ছিলেন ৭২ জন, এখন বাংলাদেশে ৪

  • ৫

    ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর

সম্পর্কিত
  • ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য

    ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য

    ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বিস্তারের কৌশল, রাজনৈতিক মেরুকরণ, ডিজিটাল প্রচারণা এবং আন্তর্জাতিক আইনের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে

  • মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

    মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

    বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর প্রায় প্রতিদিনের বিক্ষোভ মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এর মাত্র কয়েক মাস আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় একই ধরনের বিক্ষোভের মুখে তার শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল।

  • নড়বড়ে মুশফিকুরকে কেন খেলাচ্ছে বাংলাদেশ?

    নড়বড়ে মুশফিকুরকে কেন খেলাচ্ছে বাংলাদেশ?

    আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের একমাত্র টেস্টের স্কোয়াড যখন ঘোষিত হয়, তখন থেকেই আলোচনা ছিল মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বাইরের এরকম একটা অগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কেন মুশফিকুরকে দলে রাখা হলো, সেটা প্রশ্নের উদ্রেক করেছিল। কেননা মুশফিকুরের স্কোয়াডে থাকা মানেই একাদশে থাকাটাও ন

  • নিউইয়র্ক টাইমস: ট্রাম্পের প্রতি রিপাবলিকানদের হতাশা বাড়ছে

    নিউইয়র্ক টাইমস: ট্রাম্পের প্রতি রিপাবলিকানদের হতাশা বাড়ছে

    ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের মধ্যবর্তী নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের আভাস দেখা যাচ্ছে। পরিবর্তনটি সরাসরি ডেমোক্র্যাটদের প্রতি মানুষের ভালোবাসা বা রিপাবলিকান ভোটারদের রাজনৈতিক অবস্থান বদলে যাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বরং এর কেন্দ্রে রয়েছে ক্লান্তি