
ইসরায়েলি হামলায় অঙ্গ হারানো ডজনখানেক ফিলিস্তিনি অ্যাথলেট দীর আল-বালাহতে ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছেন। যুদ্ধের ক্ষত নিয়েও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিলিস্তিনকে প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন বুকে ধারণ করছেন তারা।

গাজায় আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়নের মার্কিন পরিকল্পনা অনুমোদন দিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। মার্কিন খসড়া প্রস্তাবের পক্ষে নিরাপত্তা পরিষদে ভোট দিয়েছে ১৩টি দেশ। ভোটদানে বিরত থাকে চীন ও রাশিয়া।

গাজায় যুদ্ধবিরতির পর পরিস্থিতি আবারও জটিল রূপ নিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ—ইসরায়েলি বাহিনী সরে যাওয়ার পর ধীরে ধীরে বিভিন্ন এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করছে হামাস। এ অবস্থায় গাজা নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিকল্পনাগুলোও পড়ছে বড় চ্যালেঞ্জে।

গতকাল শুক্রবার তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের শীর্ষ সরকারি কৌঁসুলির দপ্তর থেকে এই পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। নেতানিয়াহু ব্যতীত অন্যান্য যেসব কর্মকর্তার নামে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে— সেই তালিকায় থাকা উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ, জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে.ডি. ভ্যান্স দাবি করেছেন, যুদ্ধবিরতি এখনো কার্যকর আছে। ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “ছোটখাটো সংঘর্ষ ঘটতে পারে, তবে শান্তি বজায় থাকবে বলে আমরা আশা করি।”

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিশ দফার পরিকল্পনাটি আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে; তা না হলে এই বহুপক্ষীয় উদ্যোগ দুর্বল হবে, আন্তর্জাতিক আইন ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং তৃতীয় কোনো দেশও অনিচ্ছাকৃতভাবে যুদ্ধাপরাধে সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ডা. মুনির আল-বুর্শ এবং খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালের এক মুখপাত্র জানান, প্রত্যেকটি মরদেহের ব্যাগের ভেতরে পাওয়া নথিতে উল্লেখ ছিল যে মরদেহগুলো সেদে তেইমান কারাগার থেকে এসেছে।

২০২৪ সালের জুনে আল-মুহতাদি কায়রো থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য আবেদন করেন। এফবিআই বলছে, তখন তিনি মিথ্যা তথ্য দেন এবং জানান, তিনি কোনো সামরিক সংগঠনের সদস্য নন।

আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছে হামাস । এই দাবির স্বপক্ষে জোরালো প্রমাণ রয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা

আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছে হামাস । এই দাবির স্বপক্ষে জোরালো প্রমাণ রয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা

শান্তি শুরু হয় যখন মানুষ রাজনীতির চেয়ে বেশি মূল্যবান হয়ে ওঠে, যখন পৃথিবী অন্যায়ের মুখে নীরব থাকে না এবং যখন গাজা, ইয়েমেন, সুদান বা কাশ্মীরের জীবনগুলোকে পরিসংখ্যান নয়, পবিত্র হিসেবে দেখা হয়।

শান্তি শুরু হয় যখন মানুষ রাজনীতির চেয়ে বেশি মূল্যবান হয়ে ওঠে, যখন পৃথিবী অন্যায়ের মুখে নীরব থাকে না এবং যখন গাজা, ইয়েমেন, সুদান বা কাশ্মীরের জীবনগুলোকে পরিসংখ্যান নয়, পবিত্র হিসেবে দেখা হয়।

‘ট্রাম্প ডিক্লারেশন ফর এনডিউরিং পিস অ্যান্ড প্রসপারিটি’ নামে কোনো দলিলের মধ্যে তেমন বিস্তারিত কিছুই নেই। এটি মাত্র ৪৬২ শব্দের এক বিবৃতি, যা মিশরে স্বাক্ষরিত হয়েছে কয়েকজন আন্তর্জাতিক নেতার মধ্যে। তবে সেখানে ইসরায়েল বা হামাসের কোনো প্রতিনিধিই ছিল না।

‘ট্রাম্প ডিক্লারেশন ফর এনডিউরিং পিস অ্যান্ড প্রসপারিটি’ নামে কোনো দলিলের মধ্যে তেমন বিস্তারিত কিছুই নেই। এটি মাত্র ৪৬২ শব্দের এক বিবৃতি, যা মিশরে স্বাক্ষরিত হয়েছে কয়েকজন আন্তর্জাতিক নেতার মধ্যে। তবে সেখানে ইসরায়েল বা হামাসের কোনো প্রতিনিধিই ছিল না।