গাজা উপত্যকা

গাজার ২০ হাসপাতালে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করছে ডব্লিউএইচও
ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান ২০টির বেশি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ডিজেল সরবরাহ বন্ধ করবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। অর্থসংকটের কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ।

গাজায় ফুরিয়ে আসছে কবরের জায়গা
গাজায় যুদ্ধ শুধু মানুষের জীবন ও ঘরবাড়ি কেড়ে নেয়নি, সংকট তৈরি করেছে দাফনের জায়গাতেও। কবরস্থানগুলো ভরে গেছে, ধ্বংস হয়েছে ৪০টির বেশি কবরস্থান। জায়গার অভাবে অস্থায়ী কবর, এমনকি পুরোনো কবরও ব্যবহার করতে হচ্ছে পরিবারগুলোকে।

গাজা নিয়ে নেতানিয়াহু ও হামাসের সঙ্গে ট্রাম্পের দূতের আলোচনায় কী হলো?
নেতানিয়াহু বলেছেন, হামাস ও গাজার অন্য সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্র করার পরই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজা থেকে প্রত্যাহার করবে। কূটনীতিকরা বলছেন, ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের আগে গাজা ইস্যুতে ইসরায়েলের বড় কোনো ছাড় দেওয়ার সম্ভাবনা কম।

গাজা থেকে হরমুজ—ট্রাম্প আমেরিকার সীমানা বাড়াতে চান?
হরমুজ প্রণালিকে ‘আমেরিকার ভূখণ্ড’ ঘোষণার হুমকি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে গ্রিনল্যান্ড ও পানামা খাল নিয়েও নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কথা বলেছেন। কানাডাকে ৫১তম অঙ্গরাজ্য বানানোর প্রস্তাবও বারবার এসেছেতাঁর বক্তব্যে।

গাজায় বাড়ছে লাশের সারি, শান্তি কোথায়
ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়েছে ১০ মাস আগে। কিন্তু গাজায় এখনো শেষ হয়নি মৃত্যুর হিসাব। এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার হচ্ছে, এখনো চলছে দাফন।

গাজার জন্য ট্রাম্পের ১৫ দফা পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল
হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েল গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে না বলে আজ রোববার জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

২৪ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিলো ইসরায়েল
ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া গাজার ২৪ জন ফিলিস্তিনিকে নিজ এলাকায় পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি (আইসিআরসি)।

অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে মধ্যপ্রাচ্য
এই মৌলিক পরিবর্তনগুলো নিশ্চিত করা না গেলে সাম্প্রতিক সব রক্তক্ষয় ও ধ্বংসযজ্ঞ কেবল ‘শব্দ ও উত্তেজনার’ এক অর্থহীন মহড়া হিসেবেই রয়ে যাবে এবং বর্তমান যুদ্ধবিরতিটি পরবর্তী নতুন কোনো ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের ক্ষণগণনা হিসেবে কাজ করবে।

গাজার পর এবার কি সিরিয়ার পালা?
গাজায় যুদ্ধের পর এবার আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে সিরিয়া। কেন ইসরায়েল নিয়মিত সিরিয়ায় হামলা চালাচ্ছে? ১৯৭৪ সালের চুক্তি কেন ভেঙে পড়ল? সিরিয়ার পরিণতি কি গাজার মতোই হতে যাচ্ছে?

গাজার পর এবার কি সিরিয়া?
গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও আত্মরক্ষার যুক্তিতে একের পর এক হামলা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এমনকি যুদ্ধবিরতি চলমান থাকা অবস্থাতেও ইসরায়েল নিয়মিতভাবেই হামলা করে যাচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে এখন নতুন করে আলোচনায় এসেছে প্রতিবেশী দেশ সিরিয়া।

ইসরায়েলি হামলায় একটি পুরো পরিবার শেষ
২১ জুলাই (২০২৬) গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হয়েছে একই পরিবারের ৬ জন। সাবরা এলাকায় একটি বাড়িতে হামলা চালালে ফিরাস আল-মাসরি, তার স্ত্রী সালসাবিল এবং তাদের চার সন্তান নিহত হন।

২০ বছর পর আইনসভা নির্বাচনের ঘোষণা ফিলিস্তিনের
গতকাল বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট আব্বাস একটি ডিক্রি জারি করেছেন, যেখানে অধিকৃত পশ্চিম তীর, অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেম এবং গাজাসহ সমস্ত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে আগামী ২৮ নভেম্বর নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

চুক্তি লঙ্ঘন করে ফের গাজায় ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৬
গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ছয় ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গাজার সিভিল ডিফেন্সের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

গাজার শাসনভার ছাড়ার ঘোষণা হামাসের
প্রায় দুই দশক ধরে গাজা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করার পর ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা দিয়েছে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। সেই সঙ্গে উপত্যকাটির পরিচালনায় যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসনকেও স্বাগত জানিয়েছে হামাস।

গাজায় কি সত্যিই নতুন ইহুদি বসতি গড়তে পারে ইসরায়েল?
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং দেশটির কট্টর ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ সম্প্রতি এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, প্রায় তিন বছরের যুদ্ধের পর গাজা উপত্যকার অবশিষ্ট অংশে নতুন ইহুদি বসতি স্থাপনের বিষয়টি তারা বিবেচনা করছেন।

ফিফার ময়দানে সরব উপস্থিতি গাজার
হাজার হাজার ভক্ত সংহতির প্রতীক হিসেবে ফিলিস্তিনের পতাকা উত্তোলন করেছেন এবং বিশ্বকাপকে রাজনৈতিক অভিব্যক্তির এমন এক মঞ্চে রূপান্তরিত করেছেন যা ফিফা নিজে এড়াতে চেয়েছিল।

ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রীই বলছেন, পশ্চিম তীরে গণহত্যা চালাচ্ছে নেতানিয়াহু গং!
গত দুই বছরে প্রায় সব আন্তর্জাতিক মঞ্চেই ইসরায়েলকে গাজায় গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে মিত্র অনেক দেশও আছে, যারা অতীতে সংঘাত ও সংকটের সময়ে ইসরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে।

ইরান শুরু মাত্র, আরও সংঘাতের অপেক্ষায় বিশ্ব
বাস্তবতা হলো, এই সামগ্রিক যুদ্ধে ইসরায়েলই সবচেয়ে বড় পরাজিত পক্ষ। গাজা, লেবানন, ইয়েমেন, পশ্চিম তীর, সিরিয়া, ইরাক এবং সর্বোপরি ইরানের মতো সাতটি ভিন্ন ফ্রন্টে একযোগে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে হুমকি নির্মূল করার যে নতুন ইসরায়েলি কৌশল নেওয়া হয়েছে, তা দেশটিকে কোনো নিরাপত্তা বা স্থিতিশীলতা দিতে পারছে না।

আমেরিকার শান্তিচুক্তির পরও কেন অশান্ত মধ্যপ্রাচ্য?
দক্ষিণ লেবানন, উত্তর ইসরায়েল, গাজা কিংবা কুয়েত- মানচিত্রের নামগুলো ভিন্ন হলেও চলতি সপ্তাহে তাদের ভাগ্যটা একই সুতোয় গাঁথা ছিল। আর তা হলো আকাশ থেকে ধেয়ে আসা অবিরাম বোমাবর্ষণ আর সাইরেনের আর্তনাদ। অথচ কাগজে-কলমে এই প্রতিটি অঞ্চলেই আমেরিকার মধ্যস্থতায় তথাকথিত ‘যুদ্ধবিরতি’ কার্যকর থাকার কথা!

আল-আকসা মসজিদও হাতছাড়া হচ্ছে?
বাদশা আবদুল্লাহর সামনে এখন এক ঐতিহাসিক ও অস্তিত্বের লড়াই: হয় নেতানিয়াহু-কুশনারের পরিকল্পনার কাছে নতি স্বীকার করা, অথবা নিজের জীবন ও সিংহাসন বাজি রেখে ইসলামের পবিত্রতম স্থান রক্ষায় প্রতিরোধ গড়ে তোলা।



