Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

যুক্তরাজ্য কেন মরিশাসকে চাগোস দ্বীপপুঞ্জ ফিরিয়ে দিচ্ছে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১১: ৫৬
যুক্তরাজ্য কেন মরিশাসকে চাগোস দ্বীপপুঞ্জ ফিরিয়ে দিচ্ছে?

যুক্তরাজ্য সরকার চাগোস দ্বীপপুঞ্জ মরিশাসের কাছে হস্তান্তরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এই সিদ্ধান্ত ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের এই পরিকল্পনাকে ‘ভীষণ বোকামি’ বলে অভিহিত করেছেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড কেনার বিষয়ে তার পূর্বের দাবি আরও জোরালো হয়েছে।

Advertisement

দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টি ও রিফর্ম পার্টির নেতা কেমি বাদেনক এবং নাইজেল ফারাজ ট্রাম্পের বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়েছেন। যদিও ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকির বিষয়ে তারা সমালোচনাও করেছেন। বর্তমানে এই চুক্তিটি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

চাগোস দ্বীপপুঞ্জ ভারত মহাসাগরে অবস্থিত, যা যুক্তরাজ্য থেকে প্রায় ৫,৮০০ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে এবং মরিশাস থেকে প্রায় ১,২৫০ মাইল উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। ১৮১৪ সালে নেপোলিয়ন পরাজিত হওয়ার পর প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে এটি মরিশাসের সঙ্গে ব্রিটিশ ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত হয়।

১৯৬৫ সালে এই দ্বীপগুচ্ছকে ‘ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান ওশান টেরিটরি’ ঘোষণা করে মরিশাস থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়। ১৯৬৮ সালে মরিশাস স্বাধীনতা লাভের সময় ব্রিটেনের সঙ্গে একটি চুক্তি হয় যে, প্রতিরক্ষা প্রয়োজন শেষ হলে দ্বীপগুলো মরিশাসকে ফেরত দেওয়া হবে। দ্বীপপুঞ্জের বৃহত্তম দ্বীপ দিয়েগো গার্সিয়া-তে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি যৌথ সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হয়। সে সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের মরিশাস ও সিশেলসে এবং পরবর্তীতে কিছু অংশকে যুক্তরাজ্যে পুনর্বাসিত করা হয়েছিল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

১৯৮০-এর দশক থেকে মরিশাস এই দ্বীপগুলোর ওপর সার্বভৌমত্বের দাবি জানিয়ে আসছে।

আইনি বাধ্যবাধকতা: ২০১৯ সালে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আদালত রায় দেয় যে, ১৯৬৮ সালে মরিশাসকে স্বাধীনতার সময় দ্বীপপুঞ্জটি বিচ্ছিন্ন করার প্রক্রিয়াটি সঠিক ছিল না এবং এটি ফিরিয়ে দিতে যুক্তরাজ্য আইনগতভাবে বাধ্য।

ঋষি সুনাকের কনজারভেটিভ সরকার ২০২২ সালে এই আলোচনা শুরু করে। আন্তর্জাতিক আদালতে ধারাবাহিক চ্যালেঞ্জ এড়ানো এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন ছিল এর প্রধান উদ্দেশ্য।

যুক্তরাজ্য সরকার মনে করে, এই চুক্তির ফলে দিয়েগো গার্সিয়া সামরিক ঘাঁটির কার্যক্রম দীর্ঘ মেয়াদে নিশ্চিত হবে। ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বাধীন লেবার সরকার ও মরিশাস সরকার একটি রাজনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছায়। ২০২৫ সালের ২২ মে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী নাভিন রামগুলামের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

এই চুক্তি না করলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই যুক্তরাজ্যকে আন্তর্জাতিক আদালতের অন্তর্বর্তী আদেশের মুখোমুখি হতে হতো। চুক্তি ছাড়া বাইরের দ্বীপগুলোতে চীন বা অন্য কোনো দেশের সামরিক তৎপরতা ঠেকানোর আইনগত ভিত্তি ব্রিটেনের থাকত না।

যুক্তরাষ্ট্র সরকার এই চুক্তির পক্ষে সমর্থন জানালেও যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টি একে ‘আত্মসমর্পণ’ বলে অভিহিত করেছে। কেমি বাদেনক অভিযোগ করেছেন, মরিশাস চীন ও রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও যুক্তরাজ্য তাদের ব্রিটিশ ভূখণ্ড এবং বিশাল অংকের অর্থ দিচ্ছে। চুক্তির মূল শর্তগুলো হলো:

দ্বীপপুঞ্জের ওপর মরিশাসের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে।

দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাজ্য প্রাথমিকভাবে ৯৯ বছরের জন্য লিজে রাখবে (পরবর্তীতে বাড়ানোর সুযোগসহ)।

এই লিজের বিনিময়ে যুক্তরাজ্য মরিশাসকে অর্থ প্রদান করবে। বার্ষিক গড় ব্যয় ধরা হয়েছে ১০১ মিলিয়ন পাউন্ড এবং ৯৯ বছরে মোট সম্ভাব্য ব্যয় ৩.৪ বিলিয়ন পাউন্ডের বেশি হতে পারে।

গত সোমবার ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্টের কয়েক ঘণ্টা আগে প্রধানমন্ত্রী স্টারমার এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের শুল্ক নীতির সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “মিত্র দেশগুলোর ওপর ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের হুমকি সঠিক কাজ নয়।” পরবর্তীতে দুই নেতার ফোনালাপ সফল না হওয়ার পরপরই ট্রাম্প চাগোস দ্বীপপুঞ্জ হস্তান্তরকে ‘বোকামি’ বলে মন্তব্য করেন। মূলত গ্রিনল্যান্ড পাওয়ার দাবিতে অনড় ট্রাম্প চাগোস দ্বীপপুঞ্জ হস্তান্তরের বিষয়টিকে একটি নেতিবাচক নজির হিসেবে দেখছেন।

বিষয়: রাজনীতিযুক্তরাজ্যডেনমার্ক
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    রাশিয়া-ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ট্রাম্পের, বিস্মিত জেলেনস্কি

  • ২

    ইউপি নির্বাচন: জানুয়ারি থেকে শুরু পাঁচ ধাপের ভোট

  • ৩

    সদস্যদের রাতে একা চলাচলে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে যা বলছে খুলনা পুলিশ

  • ৪

    বাল্যবিয়ের কারণে কোনো কন্যার স্বপ্ন যেন থমকে না যায়: প্রধানমন্ত্রী

  • ৫

    রাশিয়া ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলে ইউক্রেনে নির্বাচন আয়োজন করবেন: এবিসিকে জেলেনস্কি

সম্পর্কিত
  • ফিলিস্তিনের নির্বাচন কেন স্থগিত করলেন আব্বাস?

    ফিলিস্তিনের নির্বাচন কেন স্থগিত করলেন আব্বাস?

    গত ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে আব্বাস নভেম্বরে নির্বাচন আয়োজনের সময়সূচি পুনর্ব্যক্ত করেছিলেন। আন্তর্জাতিকভাবে সমর্থিত সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অংশ হিসেবেই তিনি ওই অঙ্গীকার করেছিলেন। এর দুই সপ্তাহ পর আব্বাসের নির্বাচনের সময়সূচি পেছানোর সিদ্ধান্ত এলো।

  • ক্ষমতার ২৫ বছরে কীভাবে এই বাচ্চাদের থামাবেন মোদি?

    ক্ষমতার ২৫ বছরে কীভাবে এই বাচ্চাদের থামাবেন মোদি?

    সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী ও অধিকারকর্মী প্রশান্ত ভূষণ আল জাজিরাকে বলেন, “মোদি সরকারকে জনগণের কাছে বেশ ভীত বলে মনে হচ্ছে।”

  • ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য

    ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য

    ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বিস্তারের কৌশল, রাজনৈতিক মেরুকরণ, ডিজিটাল প্রচারণা এবং আন্তর্জাতিক আইনের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে

  • মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

    মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

    বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর প্রায় প্রতিদিনের বিক্ষোভ মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এর মাত্র কয়েক মাস আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় একই ধরনের বিক্ষোভের মুখে তার শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল।