Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২২ অক্টোবর, ২০২৬
২২ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২২ অক্টোবর, ২০২৬
২২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

জাপান বদলে দিচ্ছে এশিয়ার প্রতিরক্ষা কাঠামো

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫: ১০
জাপান বদলে দিচ্ছে এশিয়ার প্রতিরক্ষা কাঠামো
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

এশিয়ার সামরিক ভারসাম্য বদলাচ্ছে। পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছে চীন। আর সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের প্রতিরক্ষা কাঠামো নতুন করে সাজাচ্ছে জাপান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ দিন শান্তিবাদী অবস্থান থেকে টোকিও এখন ধীরে ধীরে এমন এক সামরিক সক্ষমতা গড়ে তুলছে, যার লক্ষ্য শুধু আক্রমণ প্রতিহত করা নয়; প্রয়োজনে শত্রুর ভূখণ্ডে পাল্টা আঘাত হানা। এই পরিবর্তনের সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত সাবমেরিন থেকে হাইপারসনিক অস্ত্র উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা।

Advertisement

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক গ্যাব্রিয়েল হনরাডার বুধবার এশিয়া টাইমসে লিখেছেন, জাপানের সাবমেরিনভিত্তিক হাইপারসনিক অস্ত্র কর্মসূচি দেশটির ‘কাউন্টারস্ট্রাইক’ বা পাল্টা আঘাতের সক্ষমতাকে আরও কার্যকর ও টেকসই করতে পারে। একই সঙ্গে এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে জাপানের জন্য ‘নিউক্লিয়ার লেটেন্সি’ বা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনের পথও সহজ করতে পারে।

এখানে অবশ্য একটি বিষয় স্পষ্ট করা জরুরি। জাপান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে—এমন কোনো সরল সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। বরং বিষয়টি হলো, প্রচলিত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির উন্নয়নের মধ্য দিয়ে দেশটি এমন কিছু সক্ষমতা তৈরি করছে, যা ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বদলালে পারমাণবিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রযুক্তিগত ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। এটি এশিয়ার নিরাপত্তা রাজনীতির জন্য ছোট কোনো পরিবর্তন নয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৭ অর্থবছরের বাজেট পরিকল্পনায় পানির নিচ থেকে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ প্রযুক্তির উন্নয়ন অন্তর্ভুক্ত করেছে। উদ্দেশ্য হলো শত্রুর সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার বিরুদ্ধে দূরপাল্লার তাৎক্ষণিক আক্রমণের সক্ষমতা তৈরি করা।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি ধারণাচিত্রে সাবমেরিনে দুই থেকে তিনটি ভার্টিক্যাল লঞ্চ সিস্টেম বা ভিএলএস বসানোর পরিকল্পনা দেখা গেছে। প্রতিটি ব্যবস্থায় সাত থেকে আটটি কঠিন-জ্বালানি চালিত হাইপার ভেলোসিটি গ্লাইড প্রজেক্টাইল রাখার ধারণা রয়েছে।

হাইপারসনিক অস্ত্রের আকর্ষণ মূলত তার গতি এবং গতিপথ পরিবর্তনের ক্ষমতায়। বুস্ট-গ্লাইড ধরনের অস্ত্র প্রথমে একটি শক্তিশালী রকেট বুস্টারের সাহায্যে উচ্চতায় উঠে যায়। এরপর গ্লাইডারটি শব্দের গতির অন্তত পাঁচ গুণ বেগে লক্ষ্যবস্তুর দিকে এগিয়ে যায়। এই গতির কারণে যেকোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এটিকে শনাক্ত ও বাধা দেওয়ার জন্য খুব কম সময় পায়।

তবে প্রযুক্তিটির সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। বড় বুস্টার প্রয়োজন হওয়ায় সাবমেরিনে ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা সীমিত হতে পারে। আবার গ্লাইডারকে গতিপথ পরিবর্তন করতে হলে তার শক্তি কমে যায়। ফলে দীর্ঘপাল্লার বুস্ট-গ্লাইড অস্ত্রের নকশায় গতি, পাল্লা, চালনাযোগ্যতা এবং ওয়ারহেড বহনের মধ্যে কঠিন ভারসাম্য রক্ষা করতে হয়।

জাপান এই সমস্যার সমাধানে একাধিক প্রযুক্তি নিয়ে এগোচ্ছে। হাইপার ভেলোসিটি গ্লাইড প্রজেক্টাইল-এর উন্নত সংস্করণ তৈরি হচ্ছে। ‘এনহ্যান্সড ক্যাপাবিলিটি ব্লক ২এ’-এর সম্ভাব্য পাল্লা প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার। পরিকল্পিত ব্লক ২বি-এর পাল্লা ৩ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

এখানেই শেষ নয়। জাপান স্ক্র্যামজেটচালিত হাইপারসনিক ক্রুজ মিসাইল বা এইচসিএম প্রযুক্তিও তৈরি করছে। বুস্ট-গ্লাইড অস্ত্রের তুলনায় এর প্রযুক্তিগত কাঠামো আলাদা। প্রাথমিক গতি অর্জনের জন্য বুস্টার ব্যবহার করা হলেও পরে স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিন বায়ুমণ্ডলের বাতাস ব্যবহার করে উচ্চ গতিতে ক্রমাগত থ্রাস্ট তৈরি করতে পারে। এতে তুলনামূলক ছোট অস্ত্র তৈরির সুযোগ তৈরি হয়। কিন্তু প্রযুক্তিগত জটিলতা অত্যন্ত বেশি।

জাপান ভবিষ্যতে মনুষ্যবিহীন আন্ডারওয়াটার ভেহিকল বা ইউইউভি থেকেও দূরপাল্লার অস্ত্র উৎক্ষেপণের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা করছে। ছোট সাবমেরিন বহরের জন্য এ ধরনের প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কারণ এতে একই সঙ্গে অস্ত্রের সংখ্যা, অবস্থানের অনিশ্চয়তা এবং আক্রমণের সম্ভাব্য দিক বাড়ানো সম্ভব হবে।

চীনের জন্য কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ

জাপানের এই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় প্রেক্ষাপট চীন। তাইওয়ানকে ঘিরে কোনো সামরিক সংঘাত শুরু হলে ওই এলাকা গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হতে পারে। চীনের নৌবাহিনীকে প্রশান্ত মহাসাগরে প্রবেশ করতে হবে। একই সঙ্গে তাইওয়ানকে ঘিরে অবরোধ, সমুদ্রপথ নিয়ন্ত্রণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা হতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে মিয়াকো প্রণালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চীনা নৌবাহিনীর প্রশান্ত মহাসাগরে যাতায়াতের অন্যতম পথ এটি। ফলে সম্ভাব্য সংঘাতে এই জলপথ একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক চোকপয়েন্টে পরিণত হতে পারে।

চীনের বিমানবাহী রণতরী ও অন্যান্য বড় যুদ্ধজাহাজ যখন এ ধরনের জলপথ অতিক্রম করে, তখন তাদের সুরক্ষায় থাকে ফ্রিগেট, ডেস্ট্রয়ার, দূরপাল্লার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার এবং ক্লোজ-ইন ওয়েপন সিস্টেম। অর্থাৎ একটি বড় নৌবহরকে আঘাত করা এখন আর শুধু একটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার বিষয় নয়। প্রতিপক্ষকে একই সঙ্গে বহুস্তরীয় প্রতিরক্ষা ব্যুহ ভেদ করতে হয়। এই বাস্তবতায় সাবমেরিনের গুরুত্ব বাড়ছে। কারণ সাবমেরিনের সবচেয়ে বড় অস্ত্র তার ক্ষেপণাস্ত্র নয়। তার সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো অদৃশ্য থাকার ক্ষমতা।

জাপানের দুর্বলতাও কম নয়

তবে জাপানের প্রতিরক্ষা কাঠামোর দুর্বলতাও স্পষ্ট। হাডসন ইনস্টিটিউটের ২০২৫ সালের জানুয়ারির একটি প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জাপানে শক্তপোক্ত বিমান আশ্রয়কেন্দ্র-এর সংখ্যা খুবই কম। দেশটিতে শীতল যুদ্ধকালীন প্রায় ১৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে। গত এক দশকে নতুন করে তৈরি হয়েছে মাত্র দুটি। এর অর্থ হলো, বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হলে জাপানের বিমানঘাঁটিগুলো ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাতেও রয়েছে উদ্বেগ। হাডসন ইনস্টিটিউটের ২০২৬ সালের জুনের আরেক বিশ্লেষণে জাপানের ইন্টারসেপ্টর মজুত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। ২০২৬ অর্থবছরের বাজেটে ইন্টারসেপ্টর কেনার জন্য কোনো অর্থ বরাদ্দের অনুরোধ না থাকার বিষয়টি সেখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়।

সম্ভাব্য তাইওয়ান যুদ্ধের বিভিন্ন সামরিক সিমুলেশনও দেখিয়েছে, চীন যদি একযোগে বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে স্যাচুরেশন অ্যাটাক চালায়, তাহলে জাপানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত চাপে পড়তে পারে। জাপান অবশ্য তার ডেস্ট্রয়ারগুলোতে মার্কিন টমাহক ক্রুজ মিসাইল যুক্ত করছে। কিন্তু এখানেও সমস্যা আছে। বড় যুদ্ধজাহাজ নিজেরাও ড্রোন, সাবমেরিন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্য হতে পারে। অতএব জাপানের জন্য এমন একটি অস্ত্রব্যবস্থা দরকার, যা প্রথম হামলায় ধ্বংস হবে না। সাবমেরিন সেই চাহিদার সঙ্গে সবচেয়ে ভালোভাবে মেলে।

অস্ত্রের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সক্ষমতা

তবে এখানেই জাপানের সামনে আরেকটি বড় প্রশ্ন। শুধু হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকলেই কাউন্টারস্ট্রাইক সক্ষমতা তৈরি হয় না। লক্ষ্য কোথায়, কখন আঘাত করা হবে, শত্রুর প্রতিরক্ষা কোথায়—এসব জানতে হবে। এজন্য দরকার শক্তিশালী ISR বা Intelligence, Surveillance and Reconnaissance ব্যবস্থা। এই ক্ষেত্রে জাপান এখনো অনেকটাই যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল।

২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত জাপানের কার্যকর মহাকাশভিত্তিক ISR স্যাটেলাইটের সংখ্যা ছিল ৯টি। নিজস্ব সক্ষমতা আরও শক্তিশালী না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তিগত সহায়তার ওপর নির্ভরতা থেকেই যাবে।

পারমাণবিক সম্ভাবনার ছায়া

সবচেয়ে গভীর প্রশ্নটি অবশ্য পারমাণবিক প্রতিরোধকে ঘিরে। জাপান বর্তমানে পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র নয়। কিন্তু সাবমেরিন ও ভিএলএস প্রযুক্তির বিকাশ তাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়ার KSS-III শ্রেণির সাবমেরিন এ ক্ষেত্রে একটি আঞ্চলিক উদাহরণ। এসব সাবমেরিন থেকে দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা যায়। বর্তমানে সেগুলো প্রচলিত ওয়ারহেড বহনের জন্য ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ সাবমেরিনভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা থাকা মানেই পারমাণবিক অস্ত্র থাকা নয়।

সামনে যে নতুন জাপান

জাপান একটি সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। একদিকে চীনের সামরিক শক্তি দ্রুত বাড়ছে। অন্যদিকে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা উদ্বেগ টোকিওকে পুরনো প্রতিরক্ষা দর্শন থেকে বেরিয়ে আসতে বাধ্য করছে। সাবমেরিনভিত্তিক হাইপারসনিক অস্ত্র এই পরিবর্তনের প্রতীক। এর মাধ্যমে জাপান শুধু দূরপাল্লার আঘাতের ক্ষমতা অর্জন করতে চাইছে না। সে এমন একটি প্রতিরোধব্যবস্থা গড়তে চাইছে, যা শত্রুর প্রথম হামলার পরও টিকে থাকবে।

এখানেই এর কৌশলগত গুরুত্ব। যুদ্ধের ক্ষেত্রে সব সময় সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রই সবচেয়ে কার্যকর নয়। কখনো কখনো সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যার অবস্থান শত্রু জানে না এবং যা প্রথম আঘাতের পরও পাল্টা আঘাত করতে পারে। জাপানের সাবমেরিনভিত্তিক হাইপারসনিক কর্মসূচি সেই নিশ্চয়তাই তৈরি করতে চাইছে।

সুতরাং টোকিওর সাবমেরিনে হাইপারসনিক অস্ত্রের পরিকল্পনাকে কেবল একটি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি আসলে এশিয়ার ভবিষ্যৎ যুদ্ধের ধরন, প্রতিরোধের দর্শন এবং শক্তির ভারসাম্য—তিন ক্ষেত্রেই একটি সম্ভাব্য বাঁকবদলের সংকেত।

আগামী দিনের জাপানকে তাই শুধু শান্তিবাদী জাপান হিসেবে দেখলে চলবে না। তাকে দেখতে হবে এমন এক রাষ্ট্র হিসেবে, যে ক্রমে নিজের নিরাপত্তার চূড়ান্ত নিশ্চয়তা অন্যের ওপর ছেড়ে না দিয়ে নিজস্ব সামরিক সক্ষমতার ওপর দাঁড় করাতে চাইছে।

আর সেই পরিবর্তনের সবচেয়ে গভীর বার্তাটি সম্ভবত এখানেই—সমুদ্রের গভীরে নীরবে থাকা একটি সাবমেরিন কখনো কখনো সমুদ্রপৃষ্ঠের সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজের চেয়েও বেশি কৌশলগত শক্তি ধারণ করতে পারে।

বিষয়: চীনবিমানক্ষেপণাস্ত্রসাবমেরিনজাপানরাজনীতিপ্রযুক্তি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসব

  • ২

    কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ডুবে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২

  • ৩

    বিমানের রিয়াদ ফ্লাইট ২৬ অক্টোবর, দাম্মামের ফ্লাইট শুরু হয়েছে

  • ৪

    বাংলাদেশকে দর্শক বানিয়ে ফাইনালে আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে

  • ৫

    দাবি পূরণ না হওয়ায় আজ থেকে সাজেক সড়কে আবারও অবরোধ

সম্পর্কিত
  • ‘সরকার পরিবর্তনের’ আতঙ্ক মোদি সরকারের দুর্বলতারই প্রকাশ

    ‘সরকার পরিবর্তনের’ আতঙ্ক মোদি সরকারের দুর্বলতারই প্রকাশ

    ‘সরকার পরিবর্তন’ নিয়ে বিজেপির উদ্বেগ তাই নিজেই একটি রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে। যে দল দীর্ঘদিন ধরে নিজের নেতৃত্বকে ভারতের ভবিষ্যতের অপরিহার্য শর্ত হিসেবে তুলে ধরেছে, তাকে এখন সেই ধারণার বৈধতা নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

  • ফ্রান্সে বিক্ষোভ ও ইউরোপে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ক্ষোভে কীভাবে লাভবান হচ্ছে উগ্র ডানপন্থীরা

    ফ্রান্সে বিক্ষোভ ও ইউরোপে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ক্ষোভে কীভাবে লাভবান হচ্ছে উগ্র ডানপন্থীরা

    ফ্রান্সে প্যারিসের উত্তর উপকণ্ঠের স্কুলগুলোর অবনতিশীল অবকাঠামো নিয়ে শুরু হওয়া বিক্ষোভ রূপ নিয়েছে কয়েক দশকের মধ্যে দেশটির অন্যতম ভয়াবহ অস্থিরতায়।

  • ইশরাকের সামনে কী?

    ইশরাকের সামনে কী?

    ইশরাকের ঘটনা বিএনপির সামনে দুটি আলাদা চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। একদিকে, দলের একজন প্রতিমন্ত্রীর প্রকাশ্য কর্মকাণ্ড নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। অন্যদিকে, ইশরাকের মতো একজন নেতার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও তার সমর্থকদের প্রত্যাশার বিষয়টিও সামাল দিতে হবে।

  • জেন-জি’দের কেন বশে আনতে পারছে না মোদি সরকার

    জেন-জি’দের কেন বশে আনতে পারছে না মোদি সরকার

    বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে বিরোধী দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং ক্ষুব্ধ ভোটারদের সংগঠিত করার বিষয়ে তিনি আশাবাদী। তার মতে, ২০১৪ সালের পর আর কখনোই তিনি এ নিয়ে এতটা আশাবাদী ছিলেন না।