Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> বিশ্লেষণ
ডিসমিসল্যাবের প্রতিবেদন

লাইফ সাপোর্টে কারিনা কায়সার, সামাজিক মাধ্যমে বিদ্বেষের ছড়াছড়ি

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১১: ৪৪
লাইফ সাপোর্টে কারিনা কায়সার, সামাজিক মাধ্যমে বিদ্বেষের ছড়াছড়ি

বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার কায়সার হামিদের মেয়ে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার। তিনি বর্তমানে লাইফ সাপোর্টে আছেন। গত ৯ মে তারর বাবা এই খবর নিশ্চিত করেন।

Advertisement

লিভার সংক্রান্ত জটিলতায় হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন কারিনা, পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হয়ে লিভার ফেইলিউর হলে গত ৮ মে রাতে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। তার সুস্থতা কামনায় দোয়া চেয়েছেন পরিবার ও সহকর্মীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও অনেকেই তার আরোগ্য কামনা করে পোস্ট দিয়েছে।

তথ্য যাচাইকারী ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডিসমিসল্যাব জানিয়েছে, অসুস্থতার মধ্যেই সামাজিকমাধ্যমে চলছে কারিনাকে ঘিরে বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের সংঘবদ্ধ প্রচারণা। ফেসবুক এবং এক্স-এ অন্তত ৫৩টি পোস্ট খুঁজে পেয়েছে তারা, যেখানে অসুস্থতার খবরে কারিনা কায়সার এবং তার পরিবারকে নিয়ে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছড়ানো হয়েছে।

ডিসমিসল্যাব জানায়, সামাজিক মাধ্যমে কারিনার অসুস্থতার খবর ট্রেন্ড হওয়ার পর তাদের সামনে নেতিবাচক একটি পোস্ট আসে, যেখানে তাকে ‘গণভবন লুটপাটকারী’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কি-ওয়ার্ড সার্চ দিলে ডিসমিসল্যাবের সামনে ফেসবুকে পোস্ট হওয়া ৪৭টি পোস্ট এবং এক্সে পোস্ট করা ৬টি পোস্ট আসে। যে ব্যক্তিগত প্রোফাইল এবং পেজ থেকে পোস্টগুলো করা হয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পাওয়া যায়। এক্সেও যে অ্যাকাউন্টগুলো থেকে পোস্ট করা হয়েছে, সে অ্যাকাউন্টগুলোতেও আওয়ামী লীগের সমর্থনে বিভিন্ন পোস্ট দেখা গেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
ফুটবল মাঠের যোদ্ধা কায়সার হামিদ এবার জীবনের কঠিন লড়াইয়েkaysar-hamid-and-kareena

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ফেসবুকে সার্চের টুল, ‘হু পোস্টেড হোয়াট’ কিওয়ার্ড সার্চ দিলে দেখা যায়, কারিনা কায়সারকে নিয়ে সর্বপ্রথম এ ধরনের পোস্টটি করা হয়েছিল গত ৯ মে বিকেল পৌনে ৬টায়। একটি ব্যক্তিগত প্রোফাইল থেকে কারিনা কায়সারের তিনটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয়, “গণভবনে লুটপাটকারী এই কারিনা কায়সার আর তার মা। অথচ এই মেয়ে আপার সাথেও দেখা করে এসেছিল, কথা বলে এসেছিল একটা প্রোগ্রামে। সামান্য কয়টা ডলারের লোভে জুলাই সন্ত্রাসীদের সাথে আন্দোলনে যোগদান করে। তারপর ৫ আগস্ট গণভবনে লুটপাট চালায়। দেশদ্রোহী, লুটপাটকারী, চিটার এরা।” এ প্রোফাইলটির সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।

কারিনা কায়সারকে নিয়ে করা পোস্টগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, অধিকাংশ পোস্টে তাকে ‘গণভবন লুটপাটকারী,‘ ‘চোর’সহ একাধিক বিদ্বেষমূলক বক্তব্যে অভিহিত করা হয়েছে।

‘ডাল্টন সৌভাত হীরা’ নামের ব্যক্তিগত প্রোফাইল থেকে গত ৯ মে একটি পোস্টে লেখা হয়, “আমি শিওর এই কারিনা কায়সার হাতীর নাঙরা আওয়ামী লীগ থাকলে, প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিল থেকেই যাবতীয় টাকা পয়সা তুলে ফেলত। তারেক রহমান রে একটা বিশেষ ধন্যবাদ, উনি এইসব হাতীদের পিম্পদের আশপাশে ঘেষতে দেন না।”

আরেকটি প্রোফাইল থেকে পোস্ট করা হয়, “মা গনভবনের নেত্রীর ব্যাগ চুরনী এবং বাবা গনভবনের ল্যাপটপ চোর…..আর আজকে তাদের মেয়েকে আল্লাহ নিয়ে যাচ্ছে …..পাপের শাস্তি অবশ্যই ভোগ করতে হবে ইহকালে অথবা পরকালে ৷ আল্লাহ সাময়িক ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না…..এটা আবারও প্রমাণিত ৷ কারিনার বাবা কায়সার হামিদ গণভবনের ল্যাপটপ চোর, কারিনার মাও নেত্রীর ব্যাগ ও চিরুনি চুরি করেছিল সেদিন। এই সকল চোর গুলোর ধ্বংস নিশ্চিত আজ বা কাল ৷”

বিগত সরকারদের ভুলে টিকার সংকটে শিশুদের প্রাণহানি হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রীhealth-minister-file-photo

ফেসবুকে ‘সাপোর্টার্স অব বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ নামের একটি গ্রুপ থেকে কারিনা কায়সারকে নিয়ে ৯ এবং ১০ মে ১৯টি পোস্ট করা হয়। একটি প্রোফাইল থেকে গ্রুপে পোস্ট করে লেখা হয়, “আ**রিকা থেকে কেও ডলার পাঠাও এই চুন্নী হাতিটার জন্য!😂জুলাইয়ের লাল বান্দর যে কয়টা আছে সবগুলারই এমন অপমৃত্যু হচ্ছে। কাহিনি কি?।” আরেক সদস্য লিখেছেন, “গনভবনের লুটকারী জুলাইয়ের চোর করিনা কায়সার লাইফ সাপোর্টে। আলহামদুলিল্লাহ।”

ছবি: ডিসমিসল্যাব থেকে নেওয়া
ছবি: ডিসমিসল্যাব থেকে নেওয়া

আওয়ামী লীগপন্থী অ্যাক্টিভিস্ট নিঝুম মজুমদার এ বিষয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, “কারিনা কায়সার: গণভবনে চুরি, মৃত্যুর দিকে যাত্রা ও অন্যান্য।” তিনি এ ভিডিওর এক অংশে বলেন, “আজকে কারিনা কিন্তু প্রত্যেকের সহমর্মিতা, ভালোবাসা, আদর, স্নেহ পেতে পারত। সবাই মিলে কিন্তু আজকে কারিনাকে সাহায্য করত। কিন্তু দেখুন, এই নোংরা কাজটার কারণে বাংলাদেশের একটা বড় অংশ যারা মুক্তিযুদ্ধের, মুক্তবুদ্ধির, যারা বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসে, যারা আওয়ামী লীগকে ভালোবাসে, আমি আওয়ামী লীগ বাদ দিলাম, যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের, তারা কিন্তু এই মেয়েটা থেকে সরে এসেছে। সে গণশত্রুতে পরিণত হয়েছে।”

সামাজিক মাধ্যম এক্সের একাধিক পোস্টেও কারিনা কায়সারকে নিয়ে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছড়াতে দেখা যায়। ‘বিডি ফর নৌকা’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ১০ মে পোস্ট করে লেখা হয়, “এরা মা-বাবা মেয়ে মিলে সেদিন (৫ আগস্ট জঙ্গি হামলার দিন) গণভবন লুট করেছিল, প্রিয় নেত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করেছিলো, আজ আমাদের কাছে দোয়া চাচ্ছে!”

৯ মে এক্সের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করে লেখা হয়, “কায়সার হামিদ পুরো পরিবার নিয়ে গেছিল গণভবন দখল করতে, শেখ হাসিনা থাকলে হয়তো বা কিছু সাহায্য করত, এখন যাক তারেক জিয়ার কাছে হাত পাতুক জমি না বিক্রি করে……ষড়যন্ত্রকারী জুলাই যোদ্ধাদের পরিণতি এটা হবে এটাই স্বাভাবিক কিন্তু জনগণের মাইর গুলি না খেয়ে আল্লাহর বিচারের সামনে দাঁড়ায় যাচ্ছে…. কেমনে কি!!!” (বানান অপরিবর্তিত)

পুলিশ পদক নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছে: সদর দপ্তরpolice

প্রায় একই ভাষ্যের এ ধরনের বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বা পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে কেন করা হয়, তা উঠে এসেছে স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ কোয়ার্টার্লি জার্নালে প্রকাশিত “কমান্ডিং দ্য ট্রেন্ড: সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাজ ইনফরমেশন ওয়ারফেয়ার” গবেষণাতে।

ছবি: ডিসমিসল্যাব থেকে নেওয়া
ছবি: ডিসমিসল্যাব থেকে নেওয়া

এ গবেষণায় বলা হয়েছে, “প্রোপাগান্ডার অন্যতম প্রধান নীতি হলো, লক্ষ্যবস্তুর চিন্তাধারার সঙ্গে অবশ্যই বার্তার মিল থাকতে হবে। তাই যখন এমন কোনো তথ্য আপনার সামনে আসে যা আপনার বিদ্যমান বিশ্বাসের সঙ্গে খাপ খায়, তখন আপনার পক্ষপাতিত্ব সহজেই সেই প্রোপাগান্ডা গ্রহণ করে। যদি তথ্যটি আপনার চিন্তাধারার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তবে শুরুতে হয়তো আপনি সেটি প্রত্যাখ্যান করবেন। কিন্তু বারবার একই কথা শোনার আপনার মনে একটি ‘অ্যাভেইল্যাবিলিটি হিউরিস্টিক’ (বা সহজলভ্য তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা) তৈরি করতে পারে। সময়ের সাথে সাথে সেই প্রোপাগান্ডা আপনার কাছে স্বাভাবিক হয়ে ওঠে এবং এমনকি বিশ্বাসযোগ্যও মনে হতে থাকে।”

সামাজিক মাধ্যমের ট্রেন্ড ব্যবহার করে কীভাবে এ ধরনের বিদ্বেষমূলক বক্তব্য নির্দিষ্ট গণ্ডির বাইরে ছড়ানো এবং বিশ্বাস করানো হয়, তারও ব্যাখ্যা পাওয়া যায় এই গবেষণায়।

গবেষক জেরার্ড প্রায়ার লিখেছেন, “কোনো নির্দিষ্ট ট্রেন্ড নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে কোনো ন্যারেটিভকে একটি ছোট গণ্ডি থেকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে সামাজিক মাধ্যম। এটি মূলত চারটি ধাপে কাজ করে। প্রথমত, এমন একটি গল্প তা যত অবিশ্বাস্যই হোক, আগ থেকেই মানুষের মনে ছিল। দ্বিতীয়ত, একদল অন্ধ বিশ্বাসী মানুষ, যারা আগ থেকেই এই গল্প বিশ্বাস করার জন্য মুখিয়ে আছে। তৃতীয়ত, একদল দক্ষ এজেন্ট বা সাইবার যোদ্ধা (আইটি সেল) এবং সবশেষে, স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করা প্রচুর পরিমাণ ভুয়া বা ‘বট’ অ্যাকাউন্ট।”

বিষয়: ফ্যাক্টচেকসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমবিদ্বেষমূলক বক্তব্যস্বাস্থ্যফেসবুকএক্স
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    স্পেনে দুইটি ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৬৪

  • ২

    ইউরোপজুড়ে জেন-জিরা কেন রাস্তায়

  • ৩

    হাল ফ্যাশন ও এনেক্সের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

  • ৪

    ভোটে হেরে দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বলসোনারো, ব্রাজিলের সঙ্গে সম্পর্কে নতুন মোড়?

  • ৫

    পাঁচ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সম্পর্কিত
  • ইউরোপজুড়ে জেন-জিরা কেন রাস্তায়

    ইউরোপজুড়ে জেন-জিরা কেন রাস্তায়

    জীবনযাত্রার ব্যয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেহাল দশা এবং দুর্নীতি নিয়ে অসন্তোষের জেরে ফ্রান্স, ইতালি, বেলজিয়াম ও আলবেনিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ‘জেন-জি’ বিক্ষোভ। সার্বিয়ায় শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে আন্দোলনের পর নির্বাচনে দেশটির দীর্ঘদিনের শাসকের পতন ঘটেছে।

  • সমঝোতার ফাঁদে যেভাবে আটকে যায় নারীর সম্পত্তির অধিকার

    সমঝোতার ফাঁদে যেভাবে আটকে যায় নারীর সম্পত্তির অধিকার

    কারণ সম্পত্তির মালিকানা ছাড়া অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অসম্পূর্ণ। আর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া সহিংসতার বিরুদ্ধে নারীর লড়াইটিও থেকে যায় অসম শক্তির লড়াই।

  • ইরান যুদ্ধ: প্রত্যেক মার্কিন পরিবারের ব্যয় বেড়েছে ২০০০ ডলার

    ইরান যুদ্ধ: প্রত্যেক মার্কিন পরিবারের ব্যয় বেড়েছে ২০০০ ডলার

    যুদ্ধের ব্যয়, উচ্চ সুদের হার এবং নিত্যপণ্য, জ্বালানি ও অন্যান্য জিনিসের বর্ধিত মূল্য বিবেচনায় নিলে, এই যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি পরিবারের ওপর প্রায় ২,০০০ ডলারের সমতুল্য আর্থিক বোঝা পড়েছে। আর ট্রাম্প প্রশাসন যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের স্বেচ্ছায় বেছে নেওয়া এই যুদ্ধ চালিয়ে যাবে

  • বিশ্বে নারী-পুরুষে বৈষম্য ঘুচেছে কতটা?

    বিশ্বে নারী-পুরুষে বৈষম্য ঘুচেছে কতটা?

    বিশ্বজুড়ে নারী ও পুরুষের মধ্যে বৈষম্য কমছে, কিন্তু সেই অগ্রগতির গতি কি যথেষ্ট? শিক্ষায় সমতার কাছাকাছি পৌঁছেছে বিশ্ব। স্বাস্থ্য খাতেও ব্যবধান তুলনামূলক কম। কিন্তু অর্থনৈতিক সুযোগ এবং রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে নারী-পুরুষের সমতা এখনো অনেক দূরে। বর্তমান অগ্রগতির হার অপরিবর্তিত থাকলে বিশ্বজুড়ে পূর্ণ লিঙ্গসমতা