Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ
এপির প্রতিবেদন

ইউক্রেন যুদ্ধে ‘পণ্য’ হিসেবে বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশি শ্রমিক!

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১৩: ০৭
ইউক্রেন যুদ্ধে ‘পণ্য’ হিসেবে বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশি শ্রমিক!

লক্ষ্মীপুর জেলার মাকসুদুর রহমানকে মানব পাচারকারীরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল রাশিয়ার একটি সামরিক ক্যাম্পে ‘পরিচ্ছন্নতাকর্মী’ হিসেবে কাজ দেওয়ার। কিন্তু কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে তিনি নিজেকে আবিষ্কার করেন ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের জীবন-মরণ সন্ধিক্ষণে, একেবারে সম্মুখসারিতে। মাকসুদুরের মতো এমন অনেক বাংলাদেশির ভাগ্য এখন অনিশ্চিত।

Advertisement

বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর ও রোমহর্ষক তথ্য।

এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি শ্রমিকদের বেসামরিক কাজের ভুয়া প্রতিশ্রুতি দিয়ে রাশিয়ায় নেওয়া হলেও সেখানে তাদের জোরপূর্বক যুদ্ধে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। মাকসুদুর রহমানসহ রাশিয়া থেকে পালিয়ে আসা তিনজনের সাথে কথা বলেছে এপি।

মাকসুদুর রহমান জানান, মস্কোতে পৌঁছানোর পর রুশ ভাষায় লেখা কিছু কাগজে তাদের স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়। পরে তারা জানতে পারেন, সেগুলো ছিল মূলত সামরিক চুক্তিনামা। এরপর তাদের ড্রোন চালানো, ভারী অস্ত্র ব্যবহার এবং আহতদের সরিয়ে নেওয়ার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
কীসে আটকে ইউক্রেন-রাশিয়ার শান্তিচুক্তি?russia-ukraine war

মাকসুদ প্রতিবাদ জানালে এক রুশ কমান্ডার অনুবাদ অ্যাপের মাধ্যমে তাকে সরাসরি বলেন, “তোমার এজেন্ট তোমাকে এখানে পাঠিয়েছে। আমরা তোমাকে কিনে নিয়েছি।”

ফিরে আসা ব্যক্তিরা জানান, তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিপজ্জনক সম্মুখসারিতে পাঠানো হতো। রুশ সেনারা পেছনে থাকলেও বাংলাদেশিদের সামনে রাখা হতো রসদ বহন, বাঙ্কার খনন এবং মৃতদেহ সংগ্রহের জন্য।

মাকসুদ স্মৃতিচারণ করে বলেন, মাথার ওপর ক্ষেপণাস্ত্রের শব্দ আর ড্রোনের হামলার মধ্যেই তাদের কাজ করতে হতো। কাজ করতে অস্বীকার করলে ১০ বছরের জেল, খাবার বন্ধ এবং শারীরিক নির্যাতনের হুমকি দেওয়া হতো। প্রায় সাত মাস এমন নরকবাসের পর মাকসুদ আহত অবস্থায় পালিয়ে দেশে ফিরতে সক্ষম হন।

প্রতারণার শিকার আরেকজন হলেন মোহন মিয়াজি। তিনি রাশিয়ায় ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কাজ করতেন। তীব্র ঠান্ডায় অসুস্থ হয়ে অনলাইনে নতুন কাজ খুঁজতে গিয়ে তিনি রুশ বাহিনীর এক নিয়োগকারীর খপ্পরে পড়েন। তাকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে তার দক্ষতার কারণে তাকে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে দূরে ইলেকট্রনিক বা ড্রোন ইউনিটে কাজ দেওয়া হবে। কিন্তু ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তাকে ইউক্রেনের অধিকৃত শহর আভদিভকায় নিয়ে গিয়ে সরাসরি ব্যাটালিয়নে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়। আদেশ অমান্য করলে তাকে বেজমেন্টে আটকে রেখে নির্যাতন করা হতো।

রাশিয়ার ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র কতটা ভয়ঙ্কর?oreshnik 1

তদন্তকারী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান এপি-কে জানিয়েছেন, এই যুদ্ধে প্রায় ৪০ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়ে থাকতে পারেন। যদিও কতজন বাংলাদেশি এভাবে প্রতারিত হয়েছেন তার সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই, তবে ফিরে আসা ব্যক্তিরা জানিয়েছেন তারা সেখানে শত শত বাংলাদেশিকে রুশ বাহিনীর সাথে কাজ করতে দেখেছেন।

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের তথ্যমতে, এটি একটি সুসংগঠিত মানবপাচার চক্রের কাজ। তদন্তে দেখা গেছে, বাংলাদেশি মধ্যস্বত্বভোগী এবং রুশ কানেকশন থাকা একটি নেটওয়ার্ক এই জালিয়াতির সাথে জড়িত। ‘এসপি গ্লোবাল’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অনেককে পাঠানো হলেও বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে।

নিখোঁজ আজগর হোসেনের স্ত্রী সালমা আক্তার জানান, তার স্বামী দালালের খরচ মেটাতে জমিও বিক্রি করেছিলেন। শেষ অডিও বার্তায় আজগর বলেছিলেন, “আমার জন্য দোয়া করো।” আজগরসহ আরও অনেকের পরিবার এখন ঢাকায় পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং স্বজনদের ফিরে পাওয়ার দাবিতে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন।

এই ভয়াবহ অভিযোগের বিষয়ে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এপি-র কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিষয়: রাশিয়াবাংলাদেশপররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ইউক্রেনযুদ্ধ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    দেশীয় ব্যবস্থাপনায় লাভজনক এনসিটি, তবু কেন ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা?

  • ২

    ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে কী লাগে? ৫টি যোগ্যতার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনটি?

  • ৩

    বাংলাদেশ লিড নেওয়ার আশায় বাধা রহমতের প্রতিরোধ

  • ৪

    কানাইঘাট সীমান্তে গুলিবিদ্ধ যুবকের লাশ উদ্ধার

  • ৫

    দিল্লিতে লকডাউন পরিস্থিতি: ৬ হাজার আটক, সিজেপির আন্দোলন ‘চলবে’

সম্পর্কিত
  • ক্ষমতার ২৫ বছরে কীভাবে এই বাচ্চাদের থামাবেন মোদি?

    ক্ষমতার ২৫ বছরে কীভাবে এই বাচ্চাদের থামাবেন মোদি?

    সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী ও অধিকারকর্মী প্রশান্ত ভূষণ আল জাজিরাকে বলেন, “মোদি সরকারকে জনগণের কাছে বেশ ভীত বলে মনে হচ্ছে।”

  • ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য

    ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য

    ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বিস্তারের কৌশল, রাজনৈতিক মেরুকরণ, ডিজিটাল প্রচারণা এবং আন্তর্জাতিক আইনের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে

  • মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

    মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

    বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর প্রায় প্রতিদিনের বিক্ষোভ মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এর মাত্র কয়েক মাস আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় একই ধরনের বিক্ষোভের মুখে তার শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল।

  • নড়বড়ে মুশফিকুরকে কেন খেলাচ্ছে বাংলাদেশ?

    নড়বড়ে মুশফিকুরকে কেন খেলাচ্ছে বাংলাদেশ?

    আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের একমাত্র টেস্টের স্কোয়াড যখন ঘোষিত হয়, তখন থেকেই আলোচনা ছিল মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বাইরের এরকম একটা অগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কেন মুশফিকুরকে দলে রাখা হলো, সেটা প্রশ্নের উদ্রেক করেছিল। কেননা মুশফিকুরের স্কোয়াডে থাকা মানেই একাদশে থাকাটাও ন