Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

ইরানে মার্কিন যুদ্ধের চড়া দাম দিচ্ছে পুরো বিশ্ব

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১৭: ৫০
ইরানে মার্কিন যুদ্ধের চড়া দাম দিচ্ছে পুরো বিশ্ব

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ মার্কিন অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানির দাম এক-তৃতীয়াংশের বেশি বেড়েছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে এবং প্রবৃদ্ধি কমবে। ইপসস-এর জরিপে দেখা গেছে, ১০ জনে ছয়জন আমেরিকান এই যুদ্ধের বিরোধী।

Advertisement

অনেকেই মনে করেন, এই যুদ্ধ তাদের ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক ক্ষতি করবে। মাত্র এক শতাংশ মানুষ মনে করেন এর ভালো প্রভাব পড়বে। এক-চতুর্থাংশেরও কম মানুষ মনে করেন যুদ্ধটি মূল্যবান।

প্রভাবশালী মার্কিন সময়িকী ফরেন পলিসির প্রধান সম্পাদক রবি আগরওয়াল তার বিশ্লেষণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রভাব বিবরণ তুলে ধরেছেন। সেখানে শুরুতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রসঙ্গ টেনেছেন।

রবি লিখেছেন, তবু যুক্তরাষ্ট্রে বড় বিক্ষোভ দেখা যাচ্ছে না। এর কারণও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। ইপসস–এর জরিপে দেখা গেছে, ৪৪ শতাংশ মানুষ এই সংঘাত সম্পর্কে খুব কম জানেন। ৭ শতাংশ কিছুই জানেন না।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গ্যালপের জরিপ বলছে, মানুষ অর্থনীতির চেয়ে স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে বেশি চিন্তিত। যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে কিছু সুবিধা নিয়ে ঢুকেছে। তারা বড় জ্বালানির উৎপাদক। তাদের শেয়ারবাজার শক্তিশালী। ডলারও শক্ত অবস্থায় আছে। কিন্তু অন্য দেশগুলোর জন্য এই সুবিধাগুলোই সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোতে মানুষ বেশি সচেতন। একটি জরিপে দেখা গেছে, ১০০ শতাংশ মানুষ এই সংঘাত সম্পর্কে জানে। ১০ জনে সাতজন জীবনযাত্রার খরচ নিয়ে খুব উদ্বিগ্ন। কারণ বেশির ভাগ দেশই জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীল। এশিয়া বিশ্বের ৪০ শতাংশ জ্বালানি ব্যবহার করে। ফলে দামের ধাক্কা এখানে বেশি লাগে। উন্নয়নশীল দেশগুলো ভর্তুকি দিতে পারে না। তাই সাধারণ মানুষ বেশি কষ্ট পায়।

পাকিস্তান এই সংকটে বড় চাপে আছে। তারা তাদের ৮০ শতাংশ জ্বালানি উপসাগর থেকে আনে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম রেকর্ড পর্যায়ে গেছে। সরকার চার দিনের কর্মসপ্তাহ চালু করেছে। অনেক কর্মীকে বাসা থেকে কাজ করতে বলা হয়েছে। স্কুল বন্ধ হয়েছে। মন্ত্রীদের বেতন কমানো হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের ঋণ পরিশোধ করতেও সমস্যা হচ্ছে। তাই সৌদি আরবের কাছ থেকে সহায়তা নিতে হয়েছে।

এই সমস্যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশেও দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশ তার ৯৫ শতাংশ জ্বালানি আমদানি করে। মজুদও খুব কম। তাই সরকার জ্বালানি বিক্রিতে সীমা দিয়েছে। রান্নার গ্যাসের (সিলিন্ডার) দাম প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। কম আয়ের মানুষের জন্য এটি বড় চাপ।

মার্কিন-ইরান আলোচনায় প্রধান বিরোধের বিষয়গুলো কীUS-Iran-talk01

শ্রীলঙ্কা চার দিনের কর্মসপ্তাহ চালু করেছে। নেপালে পরিবহন ধর্মঘটে খাদ্যের দাম বেড়েছে। ভুটানে গ্যাস স্টেশনে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে।

ভারত কিছুটা ভালো অবস্থায় আছে। তারা বড় অর্থনীতি। কিন্তু তারাও চাপের বাইরে নয়। সরকার জ্বালানির কর কমিয়েছে। তবু ১৪০ কোটির বেশি মানুষ প্রভাবিত। তারা ৯০ শতাংশ এলপিজি আমদানি করে। ফলে রেস্তোরাঁগুলো খরচ কমাচ্ছে। শেয়ারবাজারও পড়ছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমার আশঙ্কা আছে। সার আমদানিও কমে গেলে কৃষিতে সমস্যা হতে পারে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে এশিয়া ৮০ শতাংশ জ্বালানি আনে। ফিলিপাইন জ্বালানি নিয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। থাইল্যান্ড কর্মীদের বাসা থেকে কাজ করতে বলেছে। ভিয়েতনাম বিমান চলাচল কমিয়েছে জ্বালানির দামের কারণে।

ধনী দেশগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত। জার্মানি জ্বালানিতে বড় ভর্তুকি দিয়েছে। তাদের প্রবৃদ্ধি কমতে পারে। আয়ারল্যান্ডে জ্বালানির দাম নিয়ে বিক্ষোভ হয়েছে। ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে এবং প্রবৃদ্ধির অনুমান কমিয়েছে।

রবি আগরওয়াল বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শক্তিশালী হলেও বিশ্ব থেকে আলাদা নয়। আইএমএফ বলছে, খারাপ পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ২ শতাংশে নামতে পারে। এটি খুব বিরল ঘটনা। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বাংলাদেশের পোশাক খাতে কাঁচামালের দাম বেড়েছে। ফলে জারা ও ইউনিক্লোর মতো ব্র্যান্ডের খরচ বাড়বে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনেক জিনিস আসে। এগুলো আটকে গেলে শিল্পে সমস্যা হয়। যুদ্ধের সরাসরি খরচও বিশাল। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যিলয়ের অর্থনীতিবিদ লিন্ডা বিলমেস মনে করেন, এই যুদ্ধের খরচ এক ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানোর পরিকল্পনাও করছে।

সব মিলিয়ে বার্তাটি স্পষ্ট। যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, তত বেশি ক্ষতি বাড়বে। শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রেও পড়বে। কিন্তু তার আগেই সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাবে গ্লোবাল সাউথের মানুষ– যাদের এই যুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগই ছিল না।

বিষয়: ইরানমধ্যপ্রাচ্যযুদ্ধমার্কিন যুক্তরাষ্ট্রইসরায়েল
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ দলে রহস্য স্পিনার আলিস

  • ২

    দিল্লির বিক্ষোভে যোগ দিতে গিয়ে আটক সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল ও বিজয়ন

  • ৩

    ভারত: গণ-আন্দোলনের মুখোমুখি এক অনমনীয় রাষ্ট্র

  • ৪

    রাজনৈতিক প্রোপাগাণ্ডা ও বিদ্যায়তনিক পরাধীনতার শিকার তাসনীম সিরাজ

  • ৫

    ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য

সম্পর্কিত
  • ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য

    ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য

    ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বিস্তারের কৌশল, রাজনৈতিক মেরুকরণ, ডিজিটাল প্রচারণা এবং আন্তর্জাতিক আইনের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে

  • মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

    মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

    বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর প্রায় প্রতিদিনের বিক্ষোভ মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এর মাত্র কয়েক মাস আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় একই ধরনের বিক্ষোভের মুখে তার শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল।

  • নড়বড়ে মুশফিকুরকে কেন খেলাচ্ছে বাংলাদেশ?

    নড়বড়ে মুশফিকুরকে কেন খেলাচ্ছে বাংলাদেশ?

    আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের একমাত্র টেস্টের স্কোয়াড যখন ঘোষিত হয়, তখন থেকেই আলোচনা ছিল মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বাইরের এরকম একটা অগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কেন মুশফিকুরকে দলে রাখা হলো, সেটা প্রশ্নের উদ্রেক করেছিল। কেননা মুশফিকুরের স্কোয়াডে থাকা মানেই একাদশে থাকাটাও ন

  • নিউইয়র্ক টাইমস: ট্রাম্পের প্রতি রিপাবলিকানদের হতাশা বাড়ছে

    নিউইয়র্ক টাইমস: ট্রাম্পের প্রতি রিপাবলিকানদের হতাশা বাড়ছে

    ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের মধ্যবর্তী নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের আভাস দেখা যাচ্ছে। পরিবর্তনটি সরাসরি ডেমোক্র্যাটদের প্রতি মানুষের ভালোবাসা বা রিপাবলিকান ভোটারদের রাজনৈতিক অবস্থান বদলে যাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বরং এর কেন্দ্রে রয়েছে ক্লান্তি