Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৫ অক্টোবর, ২০২৬
১৫ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৫ অক্টোবর, ২০২৬
১৫ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

ইরান যুদ্ধে তেলের দাম বাড়ায় মহাবিরক্ত ট্রাম্পের ভোটাররা

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৬, ২১: ২১
ইরান যুদ্ধে তেলের দাম বাড়ায় মহাবিরক্ত ট্রাম্পের ভোটাররা

ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। যুদ্ধের কয়েক দিনের মধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; বরং তা মার্কিন ভোক্তা অর্থনীতি থেকে শুরু করে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতিতেও চাপ সৃষ্টি করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন মুদ্রাস্ফীতি, জ্বালানি সংকট এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

Advertisement

দ্রুত বাড়ছে তেলের দাম

যুদ্ধ শুরুর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল প্রতি ব্যারেল প্রায় ৬৭ ডলার। কিন্তু সংঘাত শুরুর পর তা দ্রুত বেড়ে প্রায় ৯৭ ডলারে পৌঁছায় এবং কিছু সময়ের জন্য ১০০ ডলারও অতিক্রম করে।

এর মূল কারণ হলো মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল এবং বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

যুদ্ধের কারণে এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে শুধু তেলের দামই নয়, জ্বালানি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পণ্যের দামও বাড়তে শুরু করেছে।

তেল-গ্যাসের দামে জোর হাওয়া, ঝুঁকিতে খোদ আমেরিকাওgas middle east

আমেরিকায় জ্বালানির দাম ও রাজনৈতিক চাপ

যুদ্ধের প্রভাব প্রথমেই দৃশ্যমান হয়েছে আমেরিকার ভোক্তা বাজারে। গত এক সপ্তাহে আমেরিকায় গ্যাসোলিনের দাম প্রতি গ্যালনে প্রায় ৫১ সেন্ট বেড়েছে।

ইরান ও জ্বালানি তেলবাজার বিশ্লেষক গ্রেগরি ব্রিউ সতর্ক করে দিয়ে আল জাজিরাকে বলেছেন, খুব দ্রুতই আমেরিকায় গ্যাসোলিনের দাম প্রতি গ্যালনে ৩.৫০ থেকে ৪ ডলারে পৌঁছাতে পারে। আর ডিজেলের দাম ৫ ডলারের কাছাকাছি যেতে পারে।

তেলবাহী জাহাজ। ছবি: রয়টার্স
তেলবাহী জাহাজ। ছবি: রয়টার্স

এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে। কারণ, আমেরিকায় জীবনযাত্রার ব্যয় ইতিমধ্যেই একটি বড় রাজনৈতিক ইস্যু, বিশেষ করে সামনে থাকা মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে।

একটি জরিপে দেখা গেছে, মার্কিন ভোটারদের অর্ধেকেরও বেশি ইরান যুদ্ধের বিরোধিতা করছেন। ফলে জ্বালানির দাম বাড়তে থাকলে যুদ্ধবিরোধী জনমত আরও শক্তিশালী হতে পারে। এর মধ্যে ট্রাম্পের ‘মাগা’ সমর্থকেরাও আছেন।

বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম, চাঙ্গা শেয়ারবাজারqatar energy

বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সম্ভাব্য ধাক্কা

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তার প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বহুমাত্রিক হতে পারে। যেমন, ১. জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন, ২. পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি, ৩. খাদ্য ও সার উৎপাদনের খরচ বৃদ্ধি ও ৪. মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি।

বিশেষ করে সার উৎপাদনের কাঁচামাল পরিবহনের বড় অংশও একই জলপথ দিয়ে যায়। ফলে কৃষি উৎপাদনের খরচ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের পরিস্থিতি ২০২২ সালের ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের পর যে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি দেখা দিয়েছিল, তার মতো আরেকটি ধাক্কা তৈরি করতে পারে।

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

হামলা চললে মধ্যপ্রাচ্য থেকে এক লিটার তেলও রপ্তানি হবে না: ইরানOil tanker

দরিদ্র দেশগুলোর ওপর বেশি চাপ

জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বাড়লে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় উন্নয়নশীল ও দরিদ্র দেশগুলো। উদাহরণ হিসেবে ইতোমধ্যেই পাকিস্তান জ্বালানি ভর্তুকি কমানোসহ কৃচ্ছ্রসাধনের ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ জ্বালানি ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ এবং কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বাংলাদেশের মতো জ্বালানি আমদানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি করতে পারে। এতে আমদানি ব্যয় বাড়বে, বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ বাড়বে এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে।

বৈশ্বিক শক্তিগুলোর সম্ভাব্য পদক্ষেপ

সংকট মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলো ইতোমধ্যেই সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। জি-৭ দেশগুলো কৌশলগত তেলের মজুত বাজারে ছাড়ার সম্ভাবনা বিবেচনা করছে। আমেরিকার নিজস্ব কৌশলগত তেলের মজুত প্রায় ৪১৫ মিলিয়ন ব্যারেল। প্রয়োজনে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে এই মজুত বাজারে ছাড়তে পারে।

সয়াবিন তেল কোথাও সীমিত, কোথাও নেইoil

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের পদক্ষেপ কেবল সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা অব্যাহত থাকবে।

যুদ্ধ কতদিন চলবে, সেটিই মূল প্রশ্ন

বিশ্লেষকদের মতে, তেলের বাজারের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে যুদ্ধ কত দ্রুত শেষ হয়, তার ওপর। নিরাপত্তা বিশ্লেষক র‍্যাচেল জেইম্বা মনে করেন, যদি সংঘাত দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে বাজার দীর্ঘস্থায়ী সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়ে তেলের দাম আরও বাড়াতে পারে।

আর যুদ্ধ শেষে জ্বালানি অবকাঠামোর কতটা ক্ষতি হয়েছে এবং সরবরাহ কত দ্রুত পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে–তাও একটি বড় অনিশ্চয়তা।

বিষয়: জ্বালানিআমেরিকাজরিপবিশ্ব রাজনীতিবিশ্লেষকের চোখেইরান-ইসরায়েল সংঘাতমধ্যপ্রাচ্যডোনাল্ড ট্রাম্পদামতেল
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ওয়ালটন হাই-টেকের ২০তম এজিএম সফলভাবে অনুষ্ঠিত

  • ২

    ‘এখনও অলিগলিকে নিরাপদ করতে পারে নাই সরকার, এটা সত্যি’

  • ৩

    রিয়াদ ও দাম্মামে বিমানের সব ফ্লাইট ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

  • ৪

    ‘স্বপ্নজাল’ সিনেমায় সানির ‘আমারে উড়াইয়া দিও’ কীভাবে গেল?

  • ৫

    দুর্গাপূজায় খুলনার ৯৫৬টি মণ্ডপে চার স্তরের নিরাপত্তা জোরদার

সম্পর্কিত
  • ইমরান খানের ঘাঁটিতে হাত দিয়ে মৌচাকে ঢিল দিচ্ছে সরকার?

    ইমরান খানের ঘাঁটিতে হাত দিয়ে মৌচাকে ঢিল দিচ্ছে সরকার?

    স্কুল বন্ধ। ইন্টারনেট সেবাও আংশিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পণ্যবাহী কনটেইনার দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছে রাস্তা। আর শহরের রাস্তায় রাস্তায় টহল চলছে সেনাবাহিনীর। পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) শক্ত ঘাঁটি খাইবার পাখতুনখাওয়ায় চলমান জরুরি অবস্থার চিত্র এটি।

  • ট্রাম্প যে কারণে ছাড় দিচ্ছেন পুতিনকে

    ট্রাম্প যে কারণে ছাড় দিচ্ছেন পুতিনকে

    পুতিনের সামনে এখন এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে সীমিত অগ্রগতি সত্ত্বেও অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন। অন্যদিকে, ইউক্রেনকে অস্ত্রের ঘাটতি, জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা এবং পশ্চিমা সহায়তার ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে লড়াই চালিয়ে যেতে হচ্ছে।

  • গ্রিসে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে পদত্যাগের নির্দেশ, কেন?

    গ্রিসে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে পদত্যাগের নির্দেশ, কেন?

    এথেন্সে দায়িত্ব পালনের শুরু থেকেই আলোচনায় ছিলেন গিলফয়েল। তিনি গ্রিস সাময়িকী ‘ভোগ’–এর প্রচ্ছদে স্থান পেয়েছিলেন এবং গ্রিসের তারকাদের সঙ্গে গভীর রাতের বিভিন্ন পার্টিতে অংশ নিয়েছিলেন।

  • দেশেও সম্ভব, তবু কেন প্রযুক্তিতে ব্যাংকের চোখ বিদেশেই?

    দেশেও সম্ভব, তবু কেন প্রযুক্তিতে ব্যাংকের চোখ বিদেশেই?

    বাংলাদেশের অনেক প্রতিষ্ঠান নিজস্ব সফটওয়্যার তৈরি করলেও ব্যাংকিং খাতের সব গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিতে তেমন সক্ষমতা গড়ে ওঠেনি। কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যারে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের উল্লেখযোগ্য অংশীদারত্ব থাকলেও পেমেন্ট ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ও কারিগরি সহায়তার ক্ষেত্রে নির্ভরতার ধরন আলাদা। দক্ষ জনবল, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়ো