Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৮ আগস্ট, ২০২৬
২৮ আগস্ট, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৮ আগস্ট, ২০২৬
২৮ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

স্বত্ব © চরচা

Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

ইরান যুদ্ধে তেলের দাম বাড়ায় মহাবিরক্ত ট্রাম্পের ভোটাররা

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৬, ২১: ২১
ইরান যুদ্ধে তেলের দাম বাড়ায় মহাবিরক্ত ট্রাম্পের ভোটাররা

ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। যুদ্ধের কয়েক দিনের মধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; বরং তা মার্কিন ভোক্তা অর্থনীতি থেকে শুরু করে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতিতেও চাপ সৃষ্টি করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন মুদ্রাস্ফীতি, জ্বালানি সংকট এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

দ্রুত বাড়ছে তেলের দাম

Advertisement
Advertisement
Advertisement

যুদ্ধ শুরুর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল প্রতি ব্যারেল প্রায় ৬৭ ডলার। কিন্তু সংঘাত শুরুর পর তা দ্রুত বেড়ে প্রায় ৯৭ ডলারে পৌঁছায় এবং কিছু সময়ের জন্য ১০০ ডলারও অতিক্রম করে।

এর মূল কারণ হলো মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল এবং বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়।

যুদ্ধের কারণে এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে শুধু তেলের দামই নয়, জ্বালানি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পণ্যের দামও বাড়তে শুরু করেছে।

তেল-গ্যাসের দামে জোর হাওয়া, ঝুঁকিতে খোদ আমেরিকাওgas middle east

আমেরিকায় জ্বালানির দাম ও রাজনৈতিক চাপ

যুদ্ধের প্রভাব প্রথমেই দৃশ্যমান হয়েছে আমেরিকার ভোক্তা বাজারে। গত এক সপ্তাহে আমেরিকায় গ্যাসোলিনের দাম প্রতি গ্যালনে প্রায় ৫১ সেন্ট বেড়েছে।

ইরান ও জ্বালানি তেলবাজার বিশ্লেষক গ্রেগরি ব্রিউ সতর্ক করে দিয়ে আল জাজিরাকে বলেছেন, খুব দ্রুতই আমেরিকায় গ্যাসোলিনের দাম প্রতি গ্যালনে ৩.৫০ থেকে ৪ ডলারে পৌঁছাতে পারে। আর ডিজেলের দাম ৫ ডলারের কাছাকাছি যেতে পারে।

তেলবাহী জাহাজ। ছবি: রয়টার্স
তেলবাহী জাহাজ। ছবি: রয়টার্স

এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে। কারণ, আমেরিকায় জীবনযাত্রার ব্যয় ইতিমধ্যেই একটি বড় রাজনৈতিক ইস্যু, বিশেষ করে সামনে থাকা মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে।

একটি জরিপে দেখা গেছে, মার্কিন ভোটারদের অর্ধেকেরও বেশি ইরান যুদ্ধের বিরোধিতা করছেন। ফলে জ্বালানির দাম বাড়তে থাকলে যুদ্ধবিরোধী জনমত আরও শক্তিশালী হতে পারে। এর মধ্যে ট্রাম্পের ‘মাগা’ সমর্থকেরাও আছেন।

বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম, চাঙ্গা শেয়ারবাজারqatar energy

বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সম্ভাব্য ধাক্কা

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তার প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বহুমাত্রিক হতে পারে। যেমন, ১. জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন, ২. পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি, ৩. খাদ্য ও সার উৎপাদনের খরচ বৃদ্ধি ও ৪. মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি।

বিশেষ করে সার উৎপাদনের কাঁচামাল পরিবহনের বড় অংশও একই জলপথ দিয়ে যায়। ফলে কৃষি উৎপাদনের খরচ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের পরিস্থিতি ২০২২ সালের ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের পর যে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি দেখা দিয়েছিল, তার মতো আরেকটি ধাক্কা তৈরি করতে পারে।

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

হামলা চললে মধ্যপ্রাচ্য থেকে এক লিটার তেলও রপ্তানি হবে না: ইরানOil tanker

দরিদ্র দেশগুলোর ওপর বেশি চাপ

জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বাড়লে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় উন্নয়নশীল ও দরিদ্র দেশগুলো। উদাহরণ হিসেবে ইতোমধ্যেই পাকিস্তান জ্বালানি ভর্তুকি কমানোসহ কৃচ্ছ্রসাধনের ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ জ্বালানি ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ এবং কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বাংলাদেশের মতো জ্বালানি আমদানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি করতে পারে। এতে আমদানি ব্যয় বাড়বে, বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ বাড়বে এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে।

বৈশ্বিক শক্তিগুলোর সম্ভাব্য পদক্ষেপ

সংকট মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলো ইতোমধ্যেই সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। জি-৭ দেশগুলো কৌশলগত তেলের মজুত বাজারে ছাড়ার সম্ভাবনা বিবেচনা করছে। আমেরিকার নিজস্ব কৌশলগত তেলের মজুত প্রায় ৪১৫ মিলিয়ন ব্যারেল। প্রয়োজনে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে এই মজুত বাজারে ছাড়তে পারে।

সয়াবিন তেল কোথাও সীমিত, কোথাও নেইoil

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের পদক্ষেপ কেবল সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা অব্যাহত থাকবে।

যুদ্ধ কতদিন চলবে, সেটিই মূল প্রশ্ন

বিশ্লেষকদের মতে, তেলের বাজারের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে যুদ্ধ কত দ্রুত শেষ হয়, তার ওপর। নিরাপত্তা বিশ্লেষক র‍্যাচেল জেইম্বা মনে করেন, যদি সংঘাত দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে বাজার দীর্ঘস্থায়ী সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়ে তেলের দাম আরও বাড়াতে পারে।

আর যুদ্ধ শেষে জ্বালানি অবকাঠামোর কতটা ক্ষতি হয়েছে এবং সরবরাহ কত দ্রুত পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে–তাও একটি বড় অনিশ্চয়তা।

বিষয়:

জ্বালানিআমেরিকাজরিপবিশ্ব রাজনীতিবিশ্লেষকের চোখেইরান-ইসরায়েল সংঘাতমধ্যপ্রাচ্যডোনাল্ড ট্রাম্পদামতেল
১

ক্রিকেটের উন্নয়নে ওয়ালটনের সহযোগিতা প্রত্যাশা তামিমের

২

পূর্ণ সংস্কারের দাবিতে সংসদ থেকে বিরোধীদের ওয়াকআউট

৩

একীভূত ৫ ব্যাংক: চেক বই, ডিপিএস, এফডিআর ও শাখার কী হবে

৪

চেক জালিয়াতির মামলায় ববির প্রশাসনিক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

৫

আমেরিকা–কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধে চীনের লাভ

সম্পর্কিত

আমেরিকা–কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধে চীনের লাভ

আমেরিকা–কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধে চীনের লাভ

চীন এই সংঘাতকে শুধু অর্থনৈতিক সুযোগ হিসেবে দেখছে না; এটি তার জন্য একটি কূটনৈতিক প্রচারেরও সুযোগ। বেইজিং দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, যুক্তরাষ্ট্র তার অর্থনৈতিক শক্তিকে ব্যবহার করে অন্য দেশগুলোর ওপর একতরফা চাপ সৃষ্টি করে।

যুক্তরাষ্ট্র: চিরস্থায়ী শত্রু নয়, দরকার বাস্তব কূটনীতি

যুক্তরাষ্ট্র: চিরস্থায়ী শত্রু নয়, দরকার বাস্তব কূটনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো— কোনো কোনো দেশকে একবার শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার পর দীর্ঘদিন সেই অবস্থান থেকে বের হতে না দেওয়া। বিশ্ব রাজনীতিতে ‘ফরেভার ওয়ার’ বা চিরস্থায়ী যুদ্ধ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। কিন্তু ‘ফরেভার এনিমি’

ভবিষ্যতে পৃথিবীতে যথেষ্ট মানুষ থাকবে?

ভবিষ্যতে পৃথিবীতে যথেষ্ট মানুষ থাকবে?

একসময় মানবসভ্যতার সবচেয়ে বড় জনসংখ্যাগত ভয় ছিল অতিরিক্ত মানুষ। দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, খাদ্যসংকট, সম্পদের সীমাবদ্ধতা এবং পরিবেশের ওপর বাড়তি চাপ নিয়ে বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। কিন্তু একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে এসে সেই চিত্র দ্রুত বদলে যাচ্ছে। এখন প্রশ্নটি আর শুধু ‘পৃথিবীত

বাটন ফোন ছাড়তে প্রস্তুত দেশের ৭ কোটি মানুষ?

বাটন ফোন ছাড়তে প্রস্তুত দেশের ৭ কোটি মানুষ?

এক হাতে বাটন ফোন, অন্য হাতে স্মার্টফোন। মোবাইল যোগাযোগের দুই ভিন্ন যুগের প্রতীক এই দুই ডিভাইস। বাংলাদেশ এখন বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।