Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১১ অক্টোবর, ২০২৬
১১ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১১ অক্টোবর, ২০২৬
১১ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে ‘কমিউনিজম’ ইস্যু কেন জোরদার করছেন ট্রাম্প?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২৬, ১৯: ৩১
ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে ‘কমিউনিজম’ ইস্যু কেন জোরদার করছেন ট্রাম্প?

আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেমোক্র্যাটিক পার্টিতে ‘কমিউনিস্টদের প্রভাব’ নিয়ে সতর্কবার্তা আরও জোরালো করেছেন। একই সঙ্গে তার রাজনৈতিক দল খতিয়ে দেখছে, এই বার্তা কেবল মূল সমর্থকদের মধ্যেই নয়, বৃহত্তর ভোটারদের মধ্যেও কতটা কার্যকর হতে পারে।

Advertisement

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তির বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ট্রাম্পের দলের পরিচালিত প্রাথমিক ফোকাস গ্রুপ গবেষণায় দেখা গেছে, ‘কমিউনিজম’ ইস্যুটি ট্রাম্পের মূল সমর্থকদের ব্যাপকভাবে উদ্দীপ্ত করছে এবং অনিয়মিত রিপাবলিকান ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনতেও সহায়ক হতে পারে। তবে নির্দলীয় ভোটার এবং স্নায়ুযুদ্ধ-পরবর্তী প্রজন্মের তরুণদের কাছে এই বার্তা তুলনামূলকভাবে কম কার্যকর বলে মনে হয়েছে।

কলোরাডো, কেনটাকি, নিউইয়র্ক, ওহাইও, টেক্সাসসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্ট ও অন্য প্রগতিশীল প্রার্থীদের সাফল্যের পর রিপাবলিকানরা নতুন আক্রমণের সুযোগ পেয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় মোকাবিলায় ট্রাম্প প্রশাসনের সাফল্য তুলে ধরার বদলে তারা এখন ডেমোক্র্যাটদের ‘চরমপন্থী’ হিসেবে তুলে ধরার কৌশল নিচ্ছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

রয়টার্সের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাইয়ের মধ্যে ট্রাম্প তার প্রকাশ্য বক্তব্যে ৮১ বার ‘কমিউনিজম’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। এ সময় তিনি প্রাইমারিতে বিজয়ী কয়েকজন বামপন্থী প্রার্থীকে ‘কট্টর, ধর্মহীন কমিউনিস্ট’ বলেও আখ্যায়িত করেন।

প্রগতিশীল প্রার্থীদের অনেকেই বলছেন, জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে ধনীদের ওপর বেশি কর আরোপ, সামরিক ব্যয় হ্রাস, ইসরায়েলকে অর্থায়নের বিরোধিতা, সরকারি সামাজিক কর্মসূচি সম্প্রসারণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা (আইসিই) বিলুপ্ত করা প্রয়োজন।

ট্রাম্প এসব নীতির সমর্থকদের দ্রুত ‘কমিউনিস্ট’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তবে সংশ্লিষ্ট অনেক প্রার্থী নিজেদের ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্ট হিসেবে পরিচয় দেন। তাদের মতে, তারা নির্বাচনী গণতন্ত্রের মাধ্যমে প্রগতিশীল নীতি বাস্তবায়নে বিশ্বাসী, যেখানে কমিউনিজম ব্যক্তিগত সম্পত্তির মালিকানা বিলুপ্ত করে শ্রেণিহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার ধারণা প্রচার করে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস বলেন, “ডেমোক্র্যাটদের সমাজতন্ত্র ও কমিউনিজমের প্রতি ঝোঁক আমাদের দেশের অস্তিত্বের জন্য হুমকি।” তিনি বলেন, ট্রাম্প তাদের ‘চরমপন্থা’ তুলে ধরা এবং তার ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ কর্মসূচির সঙ্গে স্পষ্ট পার্থক্য দেখানো অব্যাহত রাখবেন।

‘কমিউনিজম’ বনাম ‘সমাজতন্ত্র’ বার্তা পরীক্ষা

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে ৪ জুলাই দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প কমিউনিজমের উত্থানকে ক্যানসারের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, “এটাকে কেটে ফেলতে হবে, আর খুব দ্রুত কেটে ফেলতে হবে।”

ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মলে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডেমোক্র্যাটদের সমাজতন্ত্রী ও কমিউনিস্ট হিসেবে চিত্রিত করে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের পুরোনো রাজনৈতিক কৌশলগুলোর একটি আবার সামনে এনেছেন। স্নায়ুযুদ্ধের সময় রিপাবলিকান নেতা রিচার্ড নিক্সন ও রোনাল্ড রিগ্যানও একই ধরনের প্রচারণা চালিয়েছিলেন। তবে স্বাধীনতা দিবসের মতো সাধারণত দলনিরপেক্ষ জাতীয় অনুষ্ঠানকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবহার করায় ট্রাম্পের সমালোচনাও হয়েছে।

পর্দার আড়ালে ট্রাম্পের উপদেষ্টারা বিভিন্ন ফোকাস গ্রুপের মাধ্যমে এই বার্তার কার্যকারিতা যাচাই করছেন। নভেম্বরের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণ হবে, তাই রিপাবলিকানরা প্রচারণার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ট্রাম্পের কমিউনিজম ভীতি ও শোকের শক্তিdonald-trump

ফোকাস গ্রুপের সঙ্গে পরিচিত এক ব্যক্তি জানান, কিছু নির্বাচনী এলাকায় ‘সমাজতন্ত্র’ শব্দটির তুলনায় ‘কমিউনিজম’ বেশি প্রভাব ফেলতে পারে। তবে অর্থের বিনিময়ে প্রচারিত বিজ্ঞাপন এবং স্থানীয় পর্যায়ের প্রচারণায় ‘সমাজতন্ত্র’ শব্দটি তুলনামূলকভাবে বেশি গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ওয়েস্ট পাম বিচে পাম বিচ কাউন্টি কনভেনশন সেন্টারে ‘অ্যান্টি কমিউনিস্ট প্যাট্রিয়ট’ লেখা পোশাক পরিহিত এক অংশগ্রহণকারী। ছবিটি ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর তোলা। ছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ওয়েস্ট পাম বিচে পাম বিচ কাউন্টি কনভেনশন সেন্টারে ‘অ্যান্টি কমিউনিস্ট প্যাট্রিয়ট’ লেখা পোশাক পরিহিত এক অংশগ্রহণকারী। ছবিটি ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর তোলা। ছবি: রয়টার্স

রিপাবলিকানদের ধারণা, বিশেষ করে ফ্লোরিডা ও টেক্সাসের হিস্পানিক ভোটারদের মধ্যে এই বার্তা সাড়া ফেলতে পারে। কারণ লাতিন আমেরিকার বামপন্থী সরকারের সময়ে পালিয়ে আসা বহু পরিবারের মধ্যে সমাজতন্ত্রবিরোধী মনোভাব আগে থেকেই রয়েছে।

ট্রাম্প-সমর্থিত মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন ইনকের (MAGA Inc.) মুখপাত্র অ্যালেক্স ফাইফার বলেন, “এটি ভোটারদের কাছে আকর্ষণীয় একটি বার্তা এবং নভেম্বরে দুই পক্ষের পার্থক্য স্পষ্ট করতে সহায়তা করবে।”

২০২৫ সালের গ্যালাপ জরিপে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে এখনো সমাজতন্ত্র সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাবই বেশি। জরিপে ৫৭ শতাংশ উত্তরদাতা সমাজতন্ত্র সম্পর্কে নেতিবাচক এবং ৩৯ শতাংশ ইতিবাচক মত প্রকাশ করেন। তবে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে সমাজতন্ত্রের প্রতি সমর্থন পুঁজিবাদের তুলনায় বেশি।

রিপাবলিকান কৌশলবিদ অ্যামি কখের মতে, ‘কমিউনিস্ট’ তকমা তরুণ ভোটার বা নির্দলীয়দের মধ্যে রিপাবলিকানদের সমর্থন বাড়াতে পারবে বলে তিনি মনে করেন না।

তিনি বলেন, “আমার মনে হয় ৫৫ বছরের নিচের মানুষের কাছে ‘কমিউনিজম’ শব্দটির অর্থ আগের প্রজন্মের মতো নয়।”

অন্যদিকে, হাউস ডেমোক্র্যাটিক প্রচার কমিটির চেয়ার সুজান ডেলবেনি এক বিবৃতিতে বলেন, রিপাবলিকানরা এখন এমন ‘হতাশাজনক আক্রমণ’ চালাচ্ছে, যার সঙ্গে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয়ের সমস্যার কোনো সম্পর্ক নেই।

আক্রমণাত্মক প্রচারে রিপাবলিকানরা

গত এক সপ্তাহেই ট্রাম্প ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ, নর্থ ডাকোটায় থিওডোর রুজভেল্ট প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরির উদ্বোধন এবং মাউন্ট রাশমোর ও ন্যাশনাল মলে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে একাধিকবার কমিউনিজমের প্রসঙ্গ তুলেছেন।

তিনি কমিউনিজমকে “দেশের প্রতিষ্ঠার পর থেকে সবচেয়ে গুরুতর হুমকি” বলে উল্লেখ করেছেন। এমনকি এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বা ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার চেয়েও বড় হুমকি হতে পারে বলেও মন্তব্য করেছেন। তার ভাষায়, এটি “আমেরিকার স্বাধীনতার জন্য প্রাণঘাতী হুমকি”।

বিশ্লেষকদের মতে, এই কৌশলের মাধ্যমে রিপাবলিকানরা এখন আক্রমণাত্মক অবস্থানে যেতে চাইছে। কারণ সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভোটারদের প্রধান উদ্বেগ—জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতির পক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে তাদের বেগ পেতে হয়েছে।

ট্রাম্প নিজেও বারবার সেই প্রচারণাকে দুর্বল করেছেন। তিনি এক পর্যায়ে বলেছেন, তিনি ‘মুদ্রাস্ফীতি পছন্দ করেন’; ইরান-সংক্রান্ত সংঘাতের কারণে জ্বালানির দাম বাড়াকে ‘তুচ্ছ’ বলে মন্তব্য করেছেন এবং আবাসনের দাম কমানোর উদ্দেশ্যে দুই দলের সমর্থিত আবাসন বিলকে ‘বিরক্তিকর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

এদিকে প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসন এবং রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির চেয়ার জো গ্রুটার্সসহ দলের শীর্ষ নেতারা ট্রাম্পের বার্তা আরও জোরালোভাবে প্রচার করছেন। তারা মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ‘সাধারণ জ্ঞান বনাম চরমপন্থার’ লড়াই হিসেবে তুলে ধরছেন।

বিষয়: জরিপআমেরিকামার্কিন কংগ্রেসডেমোক্র্যাটনির্বাচনডোনাল্ড ট্রাম্পযুক্তরাষ্ট্ররিপাবলিকান
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানকে জড়িয়ে অপপ্রচারে প্রভাবিত না হওয়ার অনুরোধ আইএসপিআরের

  • ২

    ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা রুটে ফ্লাইট স্থগিত করেছে বিমান

  • ৩

    যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় বন্দুক হামলায় নিহত ৯

  • ৪

    ফিলিস্তিনের নির্বাচন কেন স্থগিত করলেন আব্বাস?

  • ৫

    রিয়াদের কিং খালেদ বিমানবন্দরে হামলায় কয়েকজন আহত, কার্যক্রম বন্ধ

সম্পর্কিত
  • ফিলিস্তিনের নির্বাচন কেন স্থগিত করলেন আব্বাস?

    ফিলিস্তিনের নির্বাচন কেন স্থগিত করলেন আব্বাস?

    গত ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে আব্বাস নভেম্বরে নির্বাচন আয়োজনের সময়সূচি পুনর্ব্যক্ত করেছিলেন। আন্তর্জাতিকভাবে সমর্থিত সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অংশ হিসেবেই তিনি ওই অঙ্গীকার করেছিলেন। এর দুই সপ্তাহ পর আব্বাসের নির্বাচনের সময়সূচি পেছানোর সিদ্ধান্ত এলো।

  • ক্ষমতার ২৫ বছরে কীভাবে এই বাচ্চাদের থামাবেন মোদি?

    ক্ষমতার ২৫ বছরে কীভাবে এই বাচ্চাদের থামাবেন মোদি?

    সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী ও অধিকারকর্মী প্রশান্ত ভূষণ আল জাজিরাকে বলেন, “মোদি সরকারকে জনগণের কাছে বেশ ভীত বলে মনে হচ্ছে।”

  • ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য

    ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য

    ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বিস্তারের কৌশল, রাজনৈতিক মেরুকরণ, ডিজিটাল প্রচারণা এবং আন্তর্জাতিক আইনের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে

  • মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

    মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

    বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর প্রায় প্রতিদিনের বিক্ষোভ মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এর মাত্র কয়েক মাস আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় একই ধরনের বিক্ষোভের মুখে তার শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল।