শিক্ষাক্রম

এআই ও বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা: বদলাও, নয়তো বিপদ সামনে
আমাদের অধিকাংশ শ্রেণিকক্ষে এখনো শিক্ষক কথা বলেন, শিক্ষার্থীরা শোনে। পরীক্ষায় বইয়ের ভাষা যত নিখুঁতভাবে পুনরুৎপাদন করা যায়, তত বেশি নম্বর পাওয়া যায়। অথচ এআই তথ্য পুনরাবৃত্তিতে অনেক দ্রুত এবং দক্ষ। তাই যে শিক্ষা মুখস্থবিদ্যার ওপর দাঁড়িয়ে আছে, সেই শিক্ষা সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

পরীক্ষা চলিতেছে, পরীক্ষার্থী নিখোঁজ
তারা পরীক্ষা দেয়নি বলে আমরা অবাক। বরং অবাক হওয়া উচিত, এত বছর ধরে একই নাটক দেখে, একই প্রতিশ্রুতি শুনে, একই প্রশ্ন মুখস্থ করে, একই লাইনে দাঁড়িয়ে, একই হতাশার গল্প শুনেও এত মানুষ এখনো বিশ্বাস করে, এইবার হয়তো অলৌকিক কিছু ঘটবে! বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থা আর নদী নয়, এটা মরীচিকা।

শিশুরা ‘এআইয়ের দাস’, পড়াশোনার সর্বনাশ?
শিশুরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ফলভোগী এবং একই সঙ্গে গিনিপিগও। সেন্টার ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড টেকনোলজি (সিডিটি) নামের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের জরিপ অনুযায়ী, আমেরিকান তরুণরা তাদের বাবা-মায়ের তুলনায় বাড়িতে এআই ব্যবহার করে বেশি। স্কুলেও তারা এআই ব্যবহার করে তাদের বাবা-মায়ের চেয়ে বেশি।

গণঅভ্যুত্থান শিক্ষায় কী দিল?
বঙ্গমুলুকে শিক্ষার আরেক নাম শাস্তিও সম্ভবত। না হলে, আমরা কি আর সাধে বলি যে, এবার তাকে একটা শিক্ষা দিতে হবে। ভাবা যায়! কাউকে একহাত নেওয়া বা কাউকে সাজা দেওয়া অর্থে শিক্ষার এমন ব্যবহার আমাদের এখানে এমন প্রবলভাবে আছে যে, শিক্ষার পাশ ঘেঁষতেও একটু ভয় পেতে হয় বৈকি।

বাড়িকেই স্কুল বানিয়ে ফেলছে ফ্লোরিডার বাসিন্দারা!
শিক্ষা গবেষক জানান, রাজ্যের ভর্তুকি পদ্ধতি নিয়ে অভিভাবকরা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা করছেন। যেখানে নেটফ্লিক্স সাবস্ক্রিপশন, ডিজনি ওয়ার্ল্ড পাস এবং হোম-জিমগুলোকে ‘শিক্ষামূলক উপকরণ’ হিসেবে অর্থ ফেরত পাওয়ার কথা বলছেন।



