
বাংলাদেশ আইসিসিকে আবারও জানিয়ে দিয়েছে ভারতে না যাওয়ার কথা। আইসিসির অনুরোধ সত্ত্বেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড অনড়। ফেব্রুয়ারিতে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচগুলো কলকাতা ও মুম্বাই থেকে শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করার অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ।

আইসিসির অনুরোধ রাখতে পারছে না বিসিবি। বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আজ মঙ্গলবার দুপুরে আইসিসির সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে ভারতে না যাওয়ার ব্যাপারে নিজেদের অনড় অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে বিসিবি।

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল কাল বাফুফে ভবনে আইসিসির নিরাপত্তা বিশ্লেষক দলের একটি চিঠির কথা উল্লেখ করে বলেছেন, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের মাটিতে খেলতে যাওয়ার কোনো পরিবেশ নেই বাংলাদেশের জন্য। তিনি নির্দিষ্ট করেই বলেছেন, আইসিসির নিরাপত্তা বিশ্লেষক দল মোস্তাফিজুর রহমানের নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বলেছ

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলই বললেন এই কথা। আইসিসির নিরাপত্তা দলের পাঠানো চিঠিতে হতবাক বাংলাদেশ। তার সাফ কথা, ভারতে খেলার পরিবেশ নেই, এটা আর কীভাবে প্রমাণ করতে হবে? বাফুফে ভবন পরিদর্শনে গিয়ে প্রধানত তাকে ক্রিকেট নিয়ে কথা বলতে হলো।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, আইসিসি নাকি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভেন্যু স্থানান্তরের অনুরোধ অগ্রাহ্যই করতে যাচ্ছে। মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নেওয়ার জন্য আইসিসিকে অনুরোধ করেছিল বিসিবি।

বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচ ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আইসিসিকে চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সেই আবেদন নাকি অগ্রাহ্যই হতে চলেছে।

জিও নিউজের প্রতিবেদন
২০২৬ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো নিজেদের মাটিতে আয়োজন করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। পিসিবির একটি সূত্রের বরাতে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়।

ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতার পুত্র হিসেবেই ক্রিকেট প্রশাসনে এসেছেন জয় শাহ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব হিসেবে কাজ করে তিনি আইসিসির চেয়ারম্যান হয়েছেন। মোস্তাফিজ-ইস্যুতে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যেতে অনড় বাংলাদেশ। এটি এখন বাংলাদেশের জাতীয় মর্যাদার বিষয়। জয় শাহ এখন কী সিদ্ধান্ত নেবেন?

মোস্তাফিজুর রহমান ইস্যুতে ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের। কলকাতা ও মুম্বাই থেকে চারটি ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নিতে আইসিসির কাছে আবেদন জানিয়েছে বিসিবি। আইসিসি কি শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের কথা শুনবে? যদি না শোনে, তবে বাংলাদেশ কি বিশ্বকাপ বয়কট করতে যাচ্ছে?

ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ অনড় রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বাংলাদেশের এই অবস্থান আইসিসিকে বোঝাতে সক্ষম হবেন বলেও আশা প্রকাশ করেছেন উপদেষ্টা।

আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কিছু জানায়নি। তবে ক্রিকেট ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোর খবর, মোস্তাফিজুর রহমান ইস্যুতে ভারতের মাটি থেকে নিজেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে বিসিবির যে আবেদন, সেটিতে না করে দিয়েছে আইসিসি।

সবচেয়ে বড় কথা, মোস্তাফিজকে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ায় আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তটিতে ‘অপরিপক্কতা’র ছাপ সুস্পষ্ট। ব্যাপারটি অনেকটাই পাড়ার ক্রিকেটে কোনো ঝগড়ার জের ধরে কাউকে খেলায় না নেওয়া মতো।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো তেল ট্যাংকারে হামলার অভিযোগ তুলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, মার্কিন বাহিনীর হামলার পর জাহাজের ক্রুরা নিখোঁজ হলেও আইসিসি ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো নীরব।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনায় সামগ্রিক ক্ষমা দেওয়া হলেও পুতিনসহ ছয় রুশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বহাল থাকছে। আদালত বলছে, রাজনৈতিক সমঝোতা নয়, রোম স্ট্যাটিউটই তাদের সিদ্ধান্তের ভিত্তি। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব ছাড়া এসব পরোয়ানা স্থগিতের কোনো সুযোগ নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনায় সামগ্রিক ক্ষমা দেওয়া হলেও পুতিনসহ ছয় রুশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বহাল থাকছে। আদালত বলছে, রাজনৈতিক সমঝোতা নয়, রোম স্ট্যাটিউটই তাদের সিদ্ধান্তের ভিত্তি। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব ছাড়া এসব পরোয়ানা স্থগিতের কোনো সুযোগ নেই।

সূর্যকুমার এরপর যেটি বলেছেন, তার সারসংক্ষেপ হলো, একটা ক্রিকেট ম্যাচকে দ্বৈরথ তখনই বলা যায়, যখন সেটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহ থাকে। প্রতিদ্বন্দ্বিতার রোমাঞ্চ থাকে। কিন্তু যে লড়াইয়ে এক প্রতিপক্ষ শুধু জিততেই থাকে, সেটিকে কি দ্বৈরথ বলা ঠিক?

সূর্যকুমার এরপর যেটি বলেছেন, তার সারসংক্ষেপ হলো, একটা ক্রিকেট ম্যাচকে দ্বৈরথ তখনই বলা যায়, যখন সেটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহ থাকে। প্রতিদ্বন্দ্বিতার রোমাঞ্চ থাকে। কিন্তু যে লড়াইয়ে এক প্রতিপক্ষ শুধু জিততেই থাকে, সেটিকে কি দ্বৈরথ বলা ঠিক?