
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা করছে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় প্রস্তাবিত ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা এবং ইউক্রেনের জন্য আমেরিকান নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

কোনো ধরনের বিবাদে না জড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ‘শান্তি চুক্তি’ করার এক মাস পূরণের দিনই ফের সংঘর্ষে জড়িয়েছে জড়িয়েছে ঢাকা কলেজ ও ধানমন্ডির আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে। চুক্তির ২৮তম বর্ষপূর্তিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান বক্তারা।

সামরিক কর্মকর্তা জানায়, শান্তি আলোচনা আগামী বুধবার পর্যন্ত চলতে পারে। তবে রাশিয়ান পক্ষ থেকে প্রতিনিধিদলে কারা থাকবেন তা নিশ্চিত নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে কিয়েভ ওয়াশিংটনের সমর্থন হারাতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তবে দেশের মর্যাদা হারাতে হতে পারে, এমন কোনো চুক্তিতে ইউক্রেন রাজি নয় বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ক্যারিবীয় অঞ্চলে আমেরিকার সামরিক তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে যুদ্ধ ঠেকানোর আহ্বান জানিয়েছেন। আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ক সম্মেলনে তিনি শান্তি রক্ষার জন্য আমেরিকার জনগণকে সরব হওয়ার বার্তা দেন।

ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আমেরিকার কাছে শান্তি সমঝোতার বার্তা পাঠাচ্ছে ইরান।

কম্বোডিয়া চুক্তির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকলেও, থাইল্যান্ড এটিকে সরাসরি শান্তি চুক্তি হিসেবে স্বীকার করছে না। চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল সীমান্ত সংঘর্ষের পরে স্থায়ী শান্তি স্থাপন করা।

জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ জানান, আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার কারণ, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য ইসলামাবাদ আফগানিস্তানকে জোর করেছিল। তিনি এই দাবিকে আফগানিস্তানের ‘সক্ষমতার’ বাইরে বলে বর্ণনা করেছেন।

ইউরোপীয় দেশগুলো ইউক্রেনের প্রতিরক্ষায় সমর্থন করবে কিনা এমন প্রশ্নে অ্যাডমিরাল জিউসেপ জানান, দেশগুলো প্রস্তুত এবং তারা এক ধরনের সতর্কবার্তা পেয়েছে।

ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন দেশকে চাপ দিতে আমেরিকান বাণিজ্য চুক্তিকে একটি কৌশল হিসেবে ব্যবহার করবেন।

‘ট্রাম্প ডিক্লারেশন ফর এনডিউরিং পিস অ্যান্ড প্রসপারিটি’ নামে কোনো দলিলের মধ্যে তেমন বিস্তারিত কিছুই নেই। এটি মাত্র ৪৬২ শব্দের এক বিবৃতি, যা মিশরে স্বাক্ষরিত হয়েছে কয়েকজন আন্তর্জাতিক নেতার মধ্যে। তবে সেখানে ইসরায়েল বা হামাসের কোনো প্রতিনিধিই ছিল না।

চুক্তি অনুযায়ী, ইসরায়েলি জিম্মিদের বিনিময়ে কিছু ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হবে এবং পর্যায়ক্রমে গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার শুরু হবে।