
১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১ হাজার ৩৫৬ টাকা।

এই মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

সার্বিকভাবে, ভোলার গ্যাস এলএনজি আকারে রাজধানীতে আনার চেয়ে স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন বা পাইপলাইন স্থাপন করা অর্থনৈতিকভাবে বেশি লাভজনক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। এখন দেখার বিষয়, বিইআরসি ও সরকার বিপিডিবির এই ৯৩০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের প্রস্তাবকে কতটা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে।

ভোলার গ্যাস এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আকারে দেশের মূল ভূখণ্ডে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে পরিবহন খরচ নির্ধারণের লক্ষ্যে গণশুনানি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। আজ মঙ্গলবার এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

কমিশন বৃদ্ধি, বিইআরসি কর্তৃক একতরফা মূল্য ঘোষণা বন্ধসহ ৬ দফা দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি। দাবি মেনে নেওয়া না হলে ৮ জানুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এলপিজি সরবরাহ ও বিপণন বন্ধ করার হুমকি দিয়েছে সংগঠনটি

কমিশন জানায়, বর্তমানে অনেক এলাকায় ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। এমনকি নির্ধারিত দাম ঘোষণার আগেই কিছু কোম্পানি ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছে বাড়তি দামের তালিকা পাঠিয়ে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম আগের চেয়ে ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১২৫৩ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। আন্তর্জাতিক বাজার দর এবং ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে অনুযায়ী এলপিজির দাম বাড়ানো হয়। কিন্তু বাজারের বাস্তবতা ভিন্ন।