চরচা প্রতিবেদক

জেট ফুয়েলের দাম লিটারপ্রতি প্রায় ৮২ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার এক ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে সেই সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। গতকাল বুধবার রাতে জারি করা এক জরুরি বার্তায় কমিশন জানায়, সমন্বয়কৃত জেট এ-১ (এভিয়েশন ফুয়েল)–এর নতুন মূল্যহার আপাতত কার্যকর হবে না।
বিইআরসির সহকারী পরিচালক (ট্যারিফ-২) রাজু আহমেদ স্বাক্ষরিত বার্তায় বলা হয়, নির্দিষ্ট স্মারকের মাধ্যমে ঘোষিত নতুন দর স্থগিত থাকায় আগের নির্ধারিত মূল্যেই জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত থাকবে।
এর আগে, একই দিন রাতে কমিশন মার্চ মাসের জন্য জেট ফুয়েলের মূল্য বড় ধরনের বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। অভ্যন্তরীণ রুটে প্রতি লিটার জ্বালানির দাম ১১২ টাকা ৪১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৯৪ টাকা ১৮ পয়সা নির্ধারণের কথা বলা হয়—যা লিটারপ্রতি প্রায় ৮১ টাকা ৭৭ পয়সা বৃদ্ধি। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রুটে দাম ০.৭৩৮৪ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১.২৬৮৯ ডলার করার প্রস্তাবও জানানো হয়েছিল।
হঠাৎ এ ধরনের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণায় এভিয়েশন খাতে তাৎক্ষণিক উদ্বেগ তৈরি হয়। বিমান সংস্থাগুলো আশঙ্কা করছিল, এতে পরিচালন ব্যয় বেড়ে ভাড়া বাড়ানোর চাপ তৈরি হবে। বিশেষ করে ঈদ সামনে রেখে যাত্রী চাহিদা বাড়ার সময় এমন সিদ্ধান্ত বাজারে অস্থিরতা তৈরি করতে পারত।
তবে ঘোষণা দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তা স্থগিত করায় আপাতত স্বস্তি ফিরে এসেছে খাতটিতে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকলে স্বল্পমেয়াদে বিমান ভাড়ায় বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই।
বিইআরসি সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারের দামের সঙ্গে সমন্বয়ের অংশ হিসেবে জেট ফুয়েলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। ২০২৫ সালের মে মাসে চালু হওয়া সূত্র অনুযায়ী, বৈশ্বিক বাজারে দাম বাড়লে দেশে বাড়ানো এবং কমলে কমানোর কথা। তবে সর্বশেষ ঘোষণায় হঠাৎ বড় ব্যবধান তৈরি হওয়ায় তা পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
কমিশন জানায়, ঈদের আগে জেট ফুয়েলের দাম বাড়ানো হয়নি এবং বিষয়টি পুনর্বিবেচনায় রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, বাজার বাস্তবতা ও খাত সংশ্লিষ্টদের প্রতিক্রিয়া বিবেচনায় নিয়েই দ্রুত এই ‘ইউ-টার্ন’ নিতে হয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে।
একই সাথে দাম বৃদ্ধি স্থগিত করা হলেও, এই ঘটনাকে আমদানী করা জ্বালানী তেলের দামে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সমন্বয় করে প্রতি মাসের জ্বালানী তেলের দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।

জেট ফুয়েলের দাম লিটারপ্রতি প্রায় ৮২ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার এক ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে সেই সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। গতকাল বুধবার রাতে জারি করা এক জরুরি বার্তায় কমিশন জানায়, সমন্বয়কৃত জেট এ-১ (এভিয়েশন ফুয়েল)–এর নতুন মূল্যহার আপাতত কার্যকর হবে না।
বিইআরসির সহকারী পরিচালক (ট্যারিফ-২) রাজু আহমেদ স্বাক্ষরিত বার্তায় বলা হয়, নির্দিষ্ট স্মারকের মাধ্যমে ঘোষিত নতুন দর স্থগিত থাকায় আগের নির্ধারিত মূল্যেই জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত থাকবে।
এর আগে, একই দিন রাতে কমিশন মার্চ মাসের জন্য জেট ফুয়েলের মূল্য বড় ধরনের বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। অভ্যন্তরীণ রুটে প্রতি লিটার জ্বালানির দাম ১১২ টাকা ৪১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৯৪ টাকা ১৮ পয়সা নির্ধারণের কথা বলা হয়—যা লিটারপ্রতি প্রায় ৮১ টাকা ৭৭ পয়সা বৃদ্ধি। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রুটে দাম ০.৭৩৮৪ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১.২৬৮৯ ডলার করার প্রস্তাবও জানানো হয়েছিল।
হঠাৎ এ ধরনের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণায় এভিয়েশন খাতে তাৎক্ষণিক উদ্বেগ তৈরি হয়। বিমান সংস্থাগুলো আশঙ্কা করছিল, এতে পরিচালন ব্যয় বেড়ে ভাড়া বাড়ানোর চাপ তৈরি হবে। বিশেষ করে ঈদ সামনে রেখে যাত্রী চাহিদা বাড়ার সময় এমন সিদ্ধান্ত বাজারে অস্থিরতা তৈরি করতে পারত।
তবে ঘোষণা দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তা স্থগিত করায় আপাতত স্বস্তি ফিরে এসেছে খাতটিতে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকলে স্বল্পমেয়াদে বিমান ভাড়ায় বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই।
বিইআরসি সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারের দামের সঙ্গে সমন্বয়ের অংশ হিসেবে জেট ফুয়েলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। ২০২৫ সালের মে মাসে চালু হওয়া সূত্র অনুযায়ী, বৈশ্বিক বাজারে দাম বাড়লে দেশে বাড়ানো এবং কমলে কমানোর কথা। তবে সর্বশেষ ঘোষণায় হঠাৎ বড় ব্যবধান তৈরি হওয়ায় তা পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
কমিশন জানায়, ঈদের আগে জেট ফুয়েলের দাম বাড়ানো হয়নি এবং বিষয়টি পুনর্বিবেচনায় রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, বাজার বাস্তবতা ও খাত সংশ্লিষ্টদের প্রতিক্রিয়া বিবেচনায় নিয়েই দ্রুত এই ‘ইউ-টার্ন’ নিতে হয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে।
একই সাথে দাম বৃদ্ধি স্থগিত করা হলেও, এই ঘটনাকে আমদানী করা জ্বালানী তেলের দামে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সমন্বয় করে প্রতি মাসের জ্বালানী তেলের দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।