Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা

বিশ্বে কি আবার চেঙ্গিস খান বা হিটলার আসবে?

সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ

সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ

প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১০: ৪৪
বিশ্বে কি আবার চেঙ্গিস খান বা হিটলার আসবে?

ভয়াবহ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শেষে জাতিসংঘের জন্ম হয়। ১৯৪৫ সালের ২৬শে জুন আমেরিকার সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘের চার্টার সাক্ষরিত হয়। একই বছরের ২৪শে অক্টোবর এটি কার্যকর করা হয়। জাতিসংঘের চার্টারের মূল কথা হলো, সকল সদস্য রাষ্ট্রের পরস্পরের সার্বভৌমত্বের প্রতি সমান মূল্যবোধ। এরপর আর একটি মূল্যবান ঘোষণা পত্র গৃহিত হয়, সেটি হল মানবাধিকার সংক্রান্ত।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এভাবে বহু ঘোষণাপত্র, নির্দেশিকা, পরামর্শ প্রদান করা হয় জাতিসংঘ থেকে। উদ্দেশ্য একটাই- তাহলো আর যুদ্ধ নয়, অশান্তি নয়, দুর্ভিক্ষ নয়। মানুষের কল্যাণ। এদিকে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর বিজয়ী মিত্রশক্তি দুভাগে বিভক্ত হয়। আমেরিকার নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক দেশ এক কাতারে এসে দাঁড়ায়। নাম দেওয়া হয় মুক্তবিশ্ব। আর কম্যুনিস্ট দেশগুলোর নেতৃত্বে থাকে সোভিয়েত ইউনিয়ন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চার্চিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নাম দেন লৌহপর্দার দেশ। ১৯৯০ সালে সোভিয়েত বিশ্বের পতন হয়। ১৯৯০ সালের পূর্বে আমেরিকা এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেতর দ্বন্দ্ব বিরাজ করছিল, তাকে বলা হত স্নায়ুযুদ্ধ।

৯০ এর পর থেকে মুক্তবিশ্বের একতরফা অস্তিত্ব বিরাজমান। কিন্তু তিন যুগের অধিক সময় মুক্ত বিশ্বের এই এক তরফা অবস্থান বিশ্বকে কতটা শান্তি দিয়েছে? ইরাক বারবার নিশ্চয়তা দিয়েছিল যে তার কাছে গণবিধ্বংসী যুদ্ধাস্ত্র নেই। সে কথার কর্ণপাত না করে আমেরিকা তার সাথী যুক্তরাজ্যকে সঙ্গে নিয়ে ইরাকের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। ইরাককে ধ্বংস করে তার প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এখানে উল্লেখ্য যে, এর পূর্বে যখন ইরান-ইরাক যুদ্ধ হয়, তখন আমেরিকা ইরাককে অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করে। আর সেই সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তারের পর তার দাঁতের চিকিৎসার ভান করে বিশ্বের সম্মুখে তাকে নিয়ে চরম উপহাস করা হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
আমেরিকার স্বাধীনতার প্রতীক স্ট্যাচু অব লিবার্টি। ছবি: রয়টার্স
আমেরিকার স্বাধীনতার প্রতীক স্ট্যাচু অব লিবার্টি। ছবি: রয়টার্স

আমেরিকা বিশ্বের অন্যতম সভ্য দেশ। তাই নয় কি? ২০২৩ সালের ৭ই অক্টোবর হামাস হটকারিতার পরিচয় দিয়ে ইসরায়েল আক্রমণ করে বসে। ইসরায়েলের প্রতিরোধের অধিকার রয়েছে। কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে মনে হল যে আঘাতটা আমেরিকারই লেগেছে বেশি। আরেমিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মনে হল সাময়িকভাবে ওয়াশিংটন ডিসি থেকে ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

এরপর দু’বছরের বেশি গাজায় যে ধ্বংসলীলা চালানো হল- নারী, শিশুসহ সব নাগরিকের হত্যাযজ্ঞ, বিদ্যালয়, হাসপাতাল কেউ রেহাই পায়নি। এমন কি রিলিফ প্রদানের সময়ও বোমা বর্ষণ করা হয়েছে। এরকম বিভৎস চিত্র দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় ও পাওয়া যাবে না। ট্রাম্পের নেতৃত্বে বা বলা চলে নির্দেশে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি করা হয়েছে। ইংরেজ মহাকবি শেক্সপিয়ারের ভাষায় বলা যায়, এই চুক্তি পালন করার চেয়ে ভঙ্গ করার অধিক মাহাত্ম্য।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করে বসল। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত অবশ্য ইউক্রেন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ছিল। তবে সংখ্যাসাম্য রক্ষার্থে ইউক্রেনকে জাতিসংঘের জন্মলগ্ন থেকে পৃথক সদস্য হিসেবে দেখানো হয়েছিল। এবারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সার্বিকভাবে প্রতিবাদ করে উঠল এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে। চীনের অনুকূল সাড়া না পেয়ে খুব বেশি ক্ষিপ্ত হয়েছিল যুক্তরাজ্য। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তো বলে বসলেন যে, এখন থেকে চীনকে কোনো বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে না। তিনিতো রাজনীতিবিদ। স্মৃতি দুর্বল হওয়ার কথা নয়। চীনকে কারো কাছে গুরুত্ব চাইতে হয়নি। ১৯৪৯ সালে চীনে কম্যুনিস্ট পার্টি ক্ষমতায় আসার পর মুক্ত বিশ্বতো একঘরে রেখেছিল।

১৯৫৪ সালে জেনেভায় যখন ইন্দো-চীন নিয়ে বৈঠক চলছিল, তখন বারান্দায় চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাই আগত আমেরিকান পররাষ্ট্র সচিব ডালেসের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করার জন্য হাত এগিয়ে দিলে ডালেস তা দেখেও উপেক্ষা করে চলে যান। অবশ্য মার্কিন রাজনীতিবিদের মাঝে মাঝে অভদ্র হতে দেখা যায়, যেমন দেখা গিয়েছিল ট্রাম্পের প্রথম দফায় তাকে এবং হাউজ স্পিকার পেলোসিকে।

যা হোক সেই চৌ এন লাই এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য অস্থির হয়ে পড়েন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নিক্সন। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান যখন বাংলাদেশে গণহত্যা চালায় তাকে সমর্থন দেওয়ার বিনিময়ে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া গোপনে নিক্সনের প্রতিনিধি কিসিঞ্জারকে চীন যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেন।

ভেনেজুয়েলা দক্ষিণ আমেরিকার তেল সমৃদ্ধ দেশ। সে দেশের প্রেসিডেন্ট মাদুরো আন্তর্জাতিক সর্বনাশা মাদক দ্রব্যের অন্যতম প্রধান নেতা। তিনি আমেরিকার নাগরিক বিশেষ করে যুব সমাজের সর্বনাশ করছেন এই মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে। তাই তাকে সস্ত্রীক প্রেসিডেন্টের প্যালেস থেকে উঠিয়ে নিউইয়র্ক সিটিতে আনা হলো বিচারের জন্য। এটা সম্ভব হলো আমেরিকার অদ্বিতীয় সামরিক শক্তির অধিকারী হওয়ার জন্য। এখানে উল্লেখ্য যে ভেনেজুয়েলা একজন জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠাকারী সদস্য। আমেরিকার নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজন গ্রিনল্যান্ডকে নেওয়ার। তাই ট্রাম্প গান ধরেছেন “তোরা যে যা বলিস ভাই, আমার গ্রিনল্যান্ড চাই। ডেনমার্ক এবং আমেরিকা উভয়েই ন্যাটোর সদস্য। সোভিয়েত ইউনিয়ন নেই। তাহলে যুক্তরাষ্ট্রকে গ্রিনল্যান্ড ব্যবহার করে হামলা করবে কে?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

দ্বিতীয় দফায় ট্রাম্প কানাডাকে আহ্বান করলেন আমেরিকার অঙ্গরাজ্য হওয়ার জন্য, সেটা কোন আক্রমণ ঠেকানোর জন্য? এখানে একটি কথা মনে পড়ল। ভেনেজুয়েলার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ট্রাম্প এখন বেশি উৎফুল্ল তেলের নিয়ন্ত্রণ পাবেন বলে। আমেরিকার মাদকদ্রব্যের কথাতো ছয় যুগের বেশি সময় ধরে। এর উৎস কোথায় তা মার্কিন বিশেষজ্ঞদের জানার কথা।

মানবাধিকার, মানবিক মর্যাদা , ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এসব নিয়ে বিশ্বে অজস্র সুশীল সামাজিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। জাতিসংঘতো রয়েছে। বহু বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষকরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পরিশ্রম করছেন। কত বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় হচ্ছে। এসবই কি ধরার ধুলায় হারিয়ে যাবে? কেননা ট্রাম্পের অন্যতম প্রভাবশালী উপদেষ্টা স্টিফেন মিলান বলেন, “ভুলে যাও আন্তজাতির্ক আইনের কথা, আমরা এমন একটা বিশ্বে বাস করি যেটা শাসিত হয় শক্তির দ্বারা, পরিচালিত হয় সামরিক শক্তির দ্বারা, যেটা পরিচালিত হয় সার্বিক ক্ষমতার দ্বারা।” অতএব, আমেরিকা প্রয়োজন বোধে সকল শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিননল্যান্ডকে দখল করবে এটাই স্টিফেনের মূল কথা।

গণতান্ত্রিক সরকার দুই ধরনের সংসদীয় পদ্ধতি, যেটি যুক্তরাজ্যে রয়েছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞান অনুযায়ী সংসদীয় পদ্ধতির সরকারের পথিকৃৎ যুক্তরাজ্য। আর রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির পথিকৃৎ আমেরিকা। আদর্শ গণতন্ত্র তখনই আখ্যায়িত হয় যখন নির্বাহী বিভাগ, আইন বিভাগ এবং বিচার বিভাগ স্ব স্ব বিভাগের কার্য সুচারুরূপে জনস্বার্থে সম্পন্ন করবে। একে অপরের প্রভাবে যেন নিজের কার্য সম্পন্ন করতে ব্যর্থ না হয়। কিন্তু পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে যে আমেরিকা যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার ব্যাপারে নির্বাহী বিভাগ আইন বিভাগকে এড়িয়ে গেছে। যেমন কোরিয়া ও ভিয়েতনাম দুটো যুদ্ধে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় থাকেনি যা কিনা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। এরপর অবশ্য একটা সংশোধন আনা হয়েছে, তাহলো যুদ্ধ বেঁধে গেলে ৬০ দিনের ভেতর কংগ্রেসকে অবহিত করতে হবে। তবে  আমেরিকার সেনাবাহিনী যেরকম শক্তিশালী এবং সর্বাধুনিক, বিপরীতে সে সব দুর্বলের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে, তাতে ৬০ দিনের প্রয়োজন হয় না।

বিষয়: আমেরিকাজাতিসংঘবিশ্বযুদ্ধমানবাধিকারইরাক
সর্বশেষ
  • ১

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ২

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৩

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৪

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

  • ৫

    ‘২৪ ঘণ্টা হল খোলা চাই, এইখানে একটা মিসলিডিং আছে’

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া