Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা
১১ ডিসেম্বর ১৯৭১

পালানোর পথ রুদ্ধ, প্রতিরোধ ভেঙে পড়ে পাকিস্তানি বাহিনীর

ফজলে রাব্বি

ফজলে রাব্বি

প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০: ০৩
পালানোর পথ রুদ্ধ, প্রতিরোধ ভেঙে পড়ে পাকিস্তানি বাহিনীর

জামালপুর ও ময়মনসিংহের পতনের পর ঢাকার দিকে এগোতে থাকে যৌথ বাহিনী। উত্তর-পূর্বে যৌথ বাহিনী মেঘনা অতিক্রম করে ঢাকার দিকে এগোচ্ছে আরেকটি দল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

যৌথ বাহিনীর ঝটিকা আক্রমণের মুখে রাতে তুমুল যুদ্ধের পর কুষ্টিয়া শহর মুক্ত হয়। আগের দিন যৌথ বাহিনী ঝিনাইদহ থেকে ট্যাংক নিয়ে কুষ্টিয়া শহরে প্রবেশের মুখে পাকিস্তানি বাহিনীর ফাঁদে পড়েছিল। তখন শুরু হয় তুমুল যুদ্ধ। এরপর ভারতীয় বিমানের হামলায় পাকিস্তানি সেনারা হতাহতদের ফেলে সকালে পালিয়ে যায়। ঈশ্বরদী থেকে পালানোর সময় পাকিস্তানি সেনারা হার্ডিঞ্জ রেলসেতুর একাংশের গার্ডার ধ্বংস করে। যুদ্ধে ভারতীয় বাহিনীর প্রায় ২০০ জন শহীদ হন। যশোর থেকে ঢাকা অভিমুখী যৌথ বাহিনী মাগুরা শহর পেরিয়ে মধুমতী নদীর তীরে পৌঁছে যায়। নদীর ওপারে পাকিস্তানি সেনারা ঘাঁটি গেড়ে তাদের প্রতিরোধের চেষ্টা চালায়। খুলনা অঞ্চলে যৌথ বাহিনী এদিন খুলনা জেলা শহরের ১০ মাইলের মধ্যে পৌঁছে যায়।

পশ্চিম পাকিস্তান থেকে পালিয়ে ১৫০ সেনা মুক্তিবাহিনীতেfreedom fighter

যৌথ বাহিনীর আরেক অংশ ভৈরব বাজারের দক্ষিণে সড়কপথ ধরে এগিয়ে যায় ঢাকার দিকে। চাঁদপুর ও কুমিল্লার মধ্যবর্তী লাকসামে ২৩ পাঞ্জাব রেজিমেন্ট ও একটি বালুচ রেজিমেন্টের প্রায় ৪০০ পাকিস্তানি সেনা আত্মসমর্পণ করে।

পাকিস্তানি বাহিনীর সেনারা বেশির ভাগ স্থানেই যৌথ বাহিনীর বিরুদ্ধে দাঁড়াতেই পারেনি। বাধা দেওয়ার চেষ্টা চালালেও শেষ পর্যন্ত তারা হয় পালিয়ে যায়, নয় আত্মসমর্পণ করে। ২৪ ঘণ্টায় আত্মসমর্পণ করে প্রায় দুই হাজার পাকিস্তানি সেনা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ঢাকা থেকে এদিন বিদেশি নাগরিকদের অপসারণের কথা থাকলেও পাকিস্তানিদের বাধার মুখে সেটি স্থগিত হয়ে যায়। আগে থেকে কথা থাকলেও কর্তৃপক্ষ দুটি ব্রিটিশ ও একটি কানাডীয় বিমানকে ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দরে নামতে দেয়নি। এ সময় ভারতীয় বিমানবাহিনী আক্রমণ বন্ধ রেখেছিল।

ভারতের সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল মানেকশ এক বেতার ঘোষণায় বলেন, বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানি সেনাদের পালানোর পথ বন্ধ করার জন্য ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

একদল জ্যেষ্ঠ পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তা বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানি বাহিনীকে সরিয়ে নিতে মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীর মাধ্যমে জাতিসংঘের সাহায্য চেয়েছে। তারা বাংলাদেশে জাতিসংঘের ত্রাণ কার্যক্রমের ফরাসি প্রধান পল মার্ক অঁরির মাধ্যমে জাতিসংঘের সাহায্য চায়। তবে জাতিসংঘে পাকিস্তানি প্রতিনিধি আগা শাহি মহাসচিবকে এ বার্তা আমলে না নেয়ার অনুরোধ করেন।

ব্রিটেনের দ্য টেলিগ্রাফ পত্রিকার সংবাদদাতা ঢাকা থেকে জানান, পূর্ববঙ্গের গভর্নর ডা. আবদুল মোত্তালিব মালিক আত্মসমর্পণের শর্তাবলি নির্ধারণের উদ্দেশ্য জাতিসংঘের মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে আলোচনার জন্য যে প্রস্তাব পেশ করেন, তা নিয়ে ইয়াহিয়া খান আপত্তি জানিয়েছেন।

নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা ডা. আবদুল মোত্তালিব মালিকের আবেদনে সারা দিয়ে আলোচনা শুরু করেছিলেন। কিন্তু অনুরোধে কান না দিতে ইয়াহিয়া খানের বার্তা এলে আলোচনা বন্ধ হয়ে যায়।

যৌথবাহিনীর আক্রমণে শোচনীয় অবস্থায় পাকিস্তান, বুদ্ধিজীবী হত্যার পরিকল্পনা শুরুnational monument-chaarcha

বেইজিংয়ের কূটনীতিক সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, চীন শুধু জাতিসংঘের ভেতরেই পাকিস্তানকে সমর্থন দিয়ে যাবে। সেনা পাঠিয়ে ভারতে আক্রমণ করবে বলে মনে হয় না।

নিউইয়র্কের পথে লন্ডনে যাত্রাবিরতিকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরদার শরণ সিং বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতির মূল সমস্যা না মেটা পর্যন্ত এবং এ আলোচনায় বাংলাদেশকে না ডাকা পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব অবাস্তব।

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের ডেমোক্র্যাট-দলীয় সিনেটর ফ্র্যাঙ্ক চার্চ ওয়াশিংটনে বলেন, পর্যাপ্ত সামরিক সাহায্য দিতে পাকিস্তানের অনুরোধ রক্ষার জন্য প্রেসিডেন্ট নিক্সন বিশেষ বিবেচনা করছেন।

তথ্যসূত্র: একাত্তরের দিনপঞ্জি, সাজ্জাদ শরিফ, রাশেদুর রহমান, আনন্দবাজার পত্রিকা, বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ: সেক্টরভিত্তিক

বিষয়: স্বাধীনতাপাকিস্তানমুক্তিযুদ্ধবাংলাদেশ
সর্বশেষ
  • ১

    এশিয়া কাপ: শিরোপায় চোখ রেখে বাংলাদেশের ‘ভারত পরীক্ষা’

  • ২

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ৩

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৪

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৫

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া