Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশেষ প্রতিবেদন

রাউজানে খুনোখুনি থামছে না কেন?

“গত দুই বছরে রাউজানে সংগঠিত হত্যাকাণ্ডের মধ্যে ১১টি খুন রাজনৈতিক এবং প্রভাব বিস্তারের জেরে ঘটেছে।”

মিন্টু চৌধুরী

মিন্টু চৌধুরী

প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬: ৩১
রাউজানে খুনোখুনি থামছে না কেন?

‘সন্ত্রাসের জনপদ’ বলে খ্যাত চট্টগ্রামের রাউজানে খুনোখুনি থামছেই না। রাজনৈতিক নেতাদের ‘প্রশ্রয়’ ও প্রশাসনের ‘নিষ্ক্রিয়তার’ সুযোগ নিয়ে সন্ত্রাসীরা লাগাতার অপরাধ করে যাচ্ছে। গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দুই বছরে এ উপজেলাতেই খুন হয়েছেন ২৭ জন। এদের মধ্যে ২০ জনই রাজনৈতিক বিরোধ ও স্থানীয় আধিপত্যের জন্য খুন হন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

পুলিশ সন্ত্রাসীদের দমনে বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও থামছে না খুনোখুনি। সবশেষ গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে রাউজানের কেরানীহাটে খুন হন আবদুল করিম নামে এক ব্যক্তি। তাকে বাজারে প্রকাশ্যে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। পুলিশ দুই বছরে সংগঠিত বেশিরভাগ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আসামিদের গ্রেপ্তারের কথা বললেও রাউজানের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজনৈতিক নেতাদের ‘সদিচ্ছা’ এবং পুলিশ প্রশাসনের ‘অদক্ষতা’র জন্য রাউজানের সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা বলছেন, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা চাইলে পুলিশের পক্ষে এসব অপরাধ দমন করা সম্ভব। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ধারাবাহিক অবনতির কারণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দারা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই বছর যে ২৭ জন খুন হয়েছেন তার কারণ স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, বালুমহাল দখল, মাটি কাটা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও চাঁদাবাজি। পুলিশের দাবি, সর্বশেষ হওয়া সংসদ নির্বাচনের পর থেকে রাউজানের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। গত তিনমাসে মাত্র দুইটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
অনেক আগে থেকেই রাউজান উপজেলা সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত ছিল। ৫ আগস্টের পর তা আরও ভয়াবহ হয়েছে। এর জন্য দায়ী স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা।
রাউজানে যুবককে গুলি করে হত্যাdead body 2

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম চরচাকে বলেন, “বেশকিছু অনাকাঙ্ক্ষিত খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বও যেমন রয়েছে তেমনি ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সসহ অন্যান্য ঘটনাও রয়েছে। গত দুইবছরে সংগঠিত বেশিরভাগ খুনের ঘটনায় আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর করিম হত্যার ঘটনায় আসামি আমরা শনাক্ত করলেও কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারিনি।”

ওসি সাইফুলের দাবি, রাউজানে অপরাধের মাত্রা আগের চেয়ে অনেক কমে এসেছে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর থেকে পরিস্থিতি ধারাবাহিকভাবে উন্নতি হচ্ছে।

রাউজানের স্থানীয়রা বলছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর মনোনয়ন নিয়ে বিএনপি নেতা সাবেক রাষ্ট্রদূত গোলাম আকবর খোন্দকার এবং বর্তমান সরকারদলীয় সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারীদের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে প্রায়ই সংঘর্ষ বাঁধত। রাজনৈতিক নেতাদের প্রশ্রয়ের সুযোগ নিয়ে সন্ত্রাসীরা রাউজানে বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর দুই নেতার বিরোধে কিছুটা ভাটা পড়লেও সন্ত্রাসী কার্যক্রমে তার প্রভাব দেখা যায়নি।

রাউজানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি প্রসঙ্গে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি অ্যাডভোকেট আখতার কবির চৌধুরী চরচাকে বলেন, “অনেক আগে থেকেই রাউজান উপজেলা সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত ছিল। ৫ আগস্টের পর তা আরও ভয়াবহ হয়েছে। এর জন্য দায়ী স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা। তাদের ইন্ধনে বা উসকানি এসব ঘটনা ঘটছে। এসব অপরাধের সাথে যারাই সম্পৃক্ত তাদের সন্ত্রাসী বানিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোই।”

মোবারক হোসেন যেভাবে হয়ে উঠলেন ‘ডেভিড ইমন’47489c1be5a34e7a314243ce98679798-6a69bb8e288bd

আখতার কবির বলেন, “নেতারা তাদের পুরনো অভ্যাস ত্যাগ করতে পারেননি। তাই পরিস্থিতি আগের মতোই। বরং আমরা ফুটন্ত কড়াই থেকে জ্বলন্ত উনুনে পড়ার অবস্থায় আছি। সন্ত্রাসী ধরতে প্রশাসনের সক্ষমতার ঘাটতি বা নিষ্ক্রিয়তা রয়েছে। পেশাদারত্বের অভাব রয়েছে। তারপরও অপরাধ দমনে চেষ্টা থাকতে হবে। রাউজানের সন্ত্রাস দমাতে রাজনৈতিক নেতাদের সদিচ্ছা খুবই দরকার।”

২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট আবদুল মান্নান (৩৫) নামে শ্রমিক লীগের স্থানীয় এক নেতাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর একে একে ২৭টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তি যেমন রয়েছেন, তেমনি যুবদল বা বিএনপির রাজনীতির সাথে সরাসরি সম্পৃক্তরাও রয়েছেন।

স্থানীয়ভাবে রাজনৈতিক নেতাদেরও দায়িত্ব রয়েছে এলাকার পরিস্থিতির উন্নতির জন্য। স্থানীয় এমপি চাইলে প্রশাসনের মাধ্যমে শান্তির রাউজান প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

গত ১৩ জুন রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে দিন-দুপুরে গুলি করে হত্যা করা হয় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মাসুদুল হক চৌধুরীকে। ওষুধ কিনতে বাজারে গেলে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে বাজারে এসে তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। সবশেষ ৩ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত করিম যুবদলের কর্মী ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে চরচাকে বলেন, “চট্টগ্রামের উত্তরের উপজেলা রাউজান হয়ে পাবর্ত্য জেলা রাঙামাটিতে যেতে হয়। পাহাড়ঘেরা রাউজান বহু বছর ধরে রাজনৈতিক বিরোধের ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত। এ কারণে অপরাধীরা বিভিন্ন অপরাধ করে দ্রুত পাহাড়ে পালিয়ে যায়। এতে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এরপরেও পুলিশ বিভিন্ন সময়ে হওয়া অপরাধমূলক কাজের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিচ্ছে।”

ওই কর্মকর্তা বলেন, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির সুযোগে রাউজানে অপরাধ বেড়ে গেছে। ওই সময়ে পুলিশের মনোবলেও কিছুটা ‘ঘাটতি’ থাকায় বিভিন্ন এলাকার মতো এখানেও অপরাধের হার বেড়ে গিয়েছিল। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের দ্বন্দ্বের কারণেও সেটা বেড়ে যায়। নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক সরকারের সময়ে অপরাধ ধীরে ধীরে কমে আসছে বলে দাবি তার।

পুলিশের ‘নিষ্ক্রিয়তায়’ চট্টগ্রামে বেপরোয়া সন্ত্রাসীরাattact-onn-ddn

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম চরচাকে বলেন, “গত দুই বছরে রাউজানে সংগঠিত হত্যাকাণ্ডের মধ্যে ১১টি খুন রাজনৈতিক এবং প্রভাব বিস্তারের জেরে ঘটেছে। মাদক সংক্রান্ত সমস্যা, জমি-জমা নিয়ে বিরোধ, পাড়া-প্রতিবেশীর মধ্যে ঝগড়াঝাটিসহ অন্যান্য কারণে বাকি ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। সব ঘটনাকে ঢালাওভাবে ‘রাজনৈতিক’ বলা যাবে না।

মাসুদ আলম বলেন, “নির্বাচিত সরকার আসার পর রাউজানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে, অপরাধের মাত্রাও অনেকটা কমে এসেছে। গত জুন মাসে যুবদলনেতা মাসুদুল হত্যার ঘটনার পর ৩ সেপ্টেম্বর আরেকটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে সেটি রাজনৈতিক নয়। সর্বশেষ করিম হত্যাকাণ্ড ছাড়া বাকি সব ঘটনায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আসামি গ্রেপ্তার করা গেছে। বাকি সন্ত্রাসীদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।”

রাউজান উপজেলা বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন চরচাকে বলেন, “সন্ত্রাসীদের কোনো দল নেই। এসব হত্যাকণ্ডে দলীয় কোনো ভূমিকা বা সম্পৃক্ততাও নেই। আমরা সকল ধরনের সন্ত্রাসী কাজের বিচার চাই। গত দুই বছরে যেসব হত্যাকাণ্ড হয়েছে সেগুলো রাজনৈতিক নয় বরং বালুমহালের ইজারা, মাটি কাটার ইজারাসহ আধিপত্য নিয়ে ঘটেছে।

এসব ঘটনায় সম্পৃক্তদের ধরতে পুলিশের আরও কঠোর ভূমিকা দরকার মন্তব্য করে এ বিএনপি নেতা বলেন, “স্থানীয়ভাবে রাজনৈতিক নেতাদেরও দায়িত্ব রয়েছে এলাকার পরিস্থিতির উন্নতির জন্য। স্থানীয় এমপি চাইলে প্রশাসনের মাধ্যমে শান্তির রাউজান প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।”

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মাসুদ আলমও মনে করেন, রাউজানের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক নেতাদের শক্ত ভূমিকা নেওয়া দরকার। তিনি বলেন, “আমরা আমাদের জায়গা থেকে কাজ করে যাচ্ছি। সাথে রাজনৈতিক নেতাদের সহায়তা পেলেও সন্ত্রাসী র্কাযক্রম কমে আসবে।”

বিষয়: হত্যাকাণ্ডসন্ত্রাসীচট্টগ্রামরাউজানখুন
সর্বশেষ
  • ১

    কক্সবাজারে ঘরে ঢুকে গৃহবধুকে হত্যার অভিযোগ

  • ২

    জিম্বাবুয়ে ম্যাচ দিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

  • ৩

    দেশে আসার পথে সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় চার প্রবাসী নিহত

  • ৪

    রাউজানে খুনোখুনি থামছে না কেন?

  • ৫

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

সম্পর্কিত
  • ঢাকায় এত অটোরিকশা চালায় কারা?

    ঢাকায় এত অটোরিকশা চালায় কারা?

    সারাদেশের অলি-গলি থেকে রাজপথ কিংবা মহাসড়ক–সবখানেই ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার নির্বিঘ্ন যাতায়াত। দেশের আইনে এই যান তৈরি, বিক্রি ও চালানো অপরাধ। তবে আইনের কথা কেবল কাগজে। গত তিনটি সরকার এই বাহন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি। ঢাকা শহরে দ্রুত গতির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার কারণে নানা

  • পোশাক শিল্প: রপ্তানি ২৫ টাকা বাড়লে আমদানির খরচ বাড়ে ২৮ টাকা

    পোশাক শিল্প: রপ্তানি ২৫ টাকা বাড়লে আমদানির খরচ বাড়ে ২৮ টাকা

    দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ খাতের কাঁচামাল আমদানির ওপরও চাপ বাড়ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় ৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ বেড়ে প্রায় ৩৯৩৫ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে এই সময়ে পোশাকশিল্পের কাঁচামাল আমদানি বেড়েছে ৯ দশমিক ৯ শতাংশ।

  • মন্ত্রীপাড়া মিন্টো রোড ও আশপাশের এলাকায় কি বিদ্যুৎ যায়?

    মন্ত্রীপাড়া মিন্টো রোড ও আশপাশের এলাকায় কি বিদ্যুৎ যায়?

    “এখানে কারেন্ট (বিদ্যুৎ) গেলে, যারা কারেন্ট দেয় হ্যাগো কি চাকরি থাকবে?” প্রশ্নটিই তো চমকে ওঠার মতো। পাল্টা প্রশ্ন হিসেবে নিশ্চয়ই মনে আসবে–বিদ্যুৎ সংকট এবং তার ফল হিসেবে লোডশেডিংয়ের এই সময়ে এমন স্বর্গ কোথায়? উত্তর–এই রাজধানীতেই। না, রাজধানীর পুরোটা নয়, একটি নির্দিষ্ট এলাকায়। এলাকাটা ঢাকার মন্ত

  • ‘মনের কথা’ থেকে রঙিন পর্দায় মিথুনের আধুনিক পাপেট্রি

    ‘মনের কথা’ থেকে রঙিন পর্দায় মিথুনের আধুনিক পাপেট্রি

    একটা সময় শৈশব ছিল সেই চেনা সুতোর টানে পুতুলের কথা বলায়। স্মৃতির পাতা ওল্টালে আজও কানে বাজে বাংলাদেশ টেলিভিশনের সেই জাদুকরী দিনগুলোর কথা। পুতুল চরিত্র পারুল, বাউল ভাই কিংবা শার ভাই—যাদের হাসিকান্নায় শৈশব খুঁজে পেত তার নিজস্ব ভাষা। বরেণ্য শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের সেই ‘মনের কথা’ কেবল একটি পাপেট শো