Advertisement Banner

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য, যা বলছেন রাজনীতিকরা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য, যা বলছেন রাজনীতিকরা
ছবি: সংগৃহীত

একসময় বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ‘জনমত’ তৈরির চেয়ে এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় থাকতে দেখা যায় রাজনীতি সংশ্লিষ্টদের। সব মিলিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম রাজনীতির একটি শক্তিশালী অংশে পরিণত হয়েছে। তরুণ রাজনীতিবিদদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি। তবে জ্যেষ্ঠরাও এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। বাংলাদেশে গত কয়েকটি সংসদ নির্বাচনের সময় এই মাধ্যমের ব্যবহারও বেড়েছে।

তবে প্রশ্ন উঠেছে, রাজনীতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নির্ভর যে নেতিবাচক তথ্য ছড়ানো হয়, তা ডিজিটাল ও মাঠপর্যায়ের রাজনীতিতে কেমন সংকট তৈরি করছে?

বর্তমানে ফেসবুক, ইউটিউব, এক্স (সাবেক টুইটার), টিকটকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম রাজনৈতিক প্রচার ও জনমত গঠনের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গুজব, অপতথ্য ও বিভ্রাট নিয়েও রাজনীতিতে সংঘাত ও দ্বন্দ্ব তৈরি হয়।

রাজনীতিক ও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক প্রভাব রুখতে সরকারসহ সকলকে চেষ্টা করতে হবে।

গত নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার

চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অনুষ্ঠিত এই ভোট নিয়ে আগ্রহ ও উৎকণ্ঠা ছিল ব্যাপক। এই নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম–বিশেষত ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক এবং এক্স (সাবেক টুইটার)-এ প্রার্থী ও রাজনৈতিক নেতাদের তৎপরতা ছিল অন্য যেকোনো সময়ে চেয়ে বেশি। আগের নির্বাচনে মিছিল, সমাবেশ, পোস্টার ও ব্যানার ছিল প্রধান প্রচারমাধ্যম। কিন্তু ত্রয়োদশ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা বিপুলভাবে ডিজিটাল প্রচারের ওপর নির্ভর করেন। ফেসবুক লাইভ, ভিডিও বার্তা, শর্ট ভিডিও, অনলাইন বিজ্ঞাপন এবং ইনফ্লুয়েন্সার-নির্ভর প্রচার ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে ওঠে।

সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রার্থীরা তরুণ ভোটারদের আকর্ষণের চেষ্টা করে। তরুণ ভোটারদের লক্ষ্য করে টিকটক ও ফেসবুক রিলস ব্যবহার করা হয়। প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছেও এ প্রচার পৌঁছে যায়।

দলগুলোর দলীয় ইশতেহার ও নীতিমালা সম্পর্কে অনলাইন আলোচনার পরিমাণ আগের চেয়ে বাড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম শুধু তথ্য প্রচারের মাধ্যম ছিল না; এটি জনমত তৈরির ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা পালন করে। উদাহরণস্বরূপ: রাজনৈতিক বক্তৃতার ছোট ক্লিপ ভাইরাল হয়। প্রার্থীদের ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি নিয়ে প্রচার চালানো হয়। বিভিন্ন জরিপ, বিশ্লেষণ ও রাজনৈতিক মন্তব্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে মূলধারার গণমাধ্যমের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই কোনো রাজনৈতিক ঘটনা বা বিতর্ক আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে।

তবে এই প্রভাব ছিল একই সঙ্গে নেতিবাচকও। অনেকে সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে ভুয়া তথ্য ও অপপ্রচারও করেছে। বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার ছাড়াও ভুয়া ছবি ও ভিডিও ছড়ানো হয়। প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ প্রচার করা হয়। বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ব্যবহার করা প্রতিপক্ষকে ঘায়েলের চেষ্টা ছিল অহরহ।

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

এ ছাড়া এআই-নির্ভর মিম ব্যবহার করে অপতথ্যের প্রচার চলেছে। কিছু নারী প্রার্থীকে লক্ষ্য করে কৃত্রিমভাবে তৈরি আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ছড়ানো হয়। এআই-নির্ভর কনটেন্ট ব্যবহার করে ভোটারদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়।

ফ্যাক্টচেক ও মিডিয়া গবেষণা প্ল্যাটফর্ম ডিসমিসল্যাব এক প্রতিবেদনে বলেছে, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অপতথ্যের বড় অংশই (মোট ৪১ শতাংশ) ছড়িয়েছে আনুষ্ঠানিক প্রচারণার সময়। সবচেয়ে বেশি অপতথ্য ছড়িয়েছে আইনগতভাবে প্রচার বন্ধ থাকার সময়। ভোট গ্রহণের ঠিক আগের ৪৮ ঘণ্টায় নির্বাচন বাতিল, ভোটারদের ভোট প্রদানে বাধা দেওয়া এবং প্রার্থীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ভুয়া খবর ছড়ানোর মতো ঘটনা ঘটেছে।

সংস্থাটি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, নির্বাচনী সময়ের সবচেয়ে স্পর্শকাতর সময়ে অপতথ্য ছড়ানোর প্রবণতা তীব্র হয়ে উঠেছিল।

নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট অপতথ্যের প্রায় ১২ শতাংশ ছিল এআই-জেনারেটেড। এর মধ্যে প্রতি ১০টির মধ্যে প্রায় সাতটিই ছিল ভিডিও কনটেন্ট। প্রায় ২৪ শতাংশ ছিল ছবি, যা মূলত সম্পাদনা করা বা কৃত্রিমভাবে তৈরি।

জামায়াত-এসসিপিকে দুষছেন বিএনপি নেতা

ক্ষমতাসীন দল বিএনপির তরুণ নেতা ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান গত নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ ও সদরের আংশিক) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় এই নেতা। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা কমে যাচ্ছে।

চরচাকে তিনি বলেন, ‘‘আমরা যখন আন্দোলন, সংগ্রাম করেছি, তখন আন্দোলন সংগঠিত করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়াকে আমরা আমাদের জায়গা থেকে ব্যবহার করেছি। কিন্তু আমাদের বিভিন্ন বৈঠকে অফলাইনে যেতে হয়েছে। তবে হ্যাঁ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুরুত্ব আছে, এটা অস্বীকার করতে পারি না। কিন্তু ইদানীং যে সমস্যাটি হয়েছে, সোস্যাল মিডিয়াকে এখন আর মানুষ বিশ্বাস করছে না। বর্তমানে জামায়াত, শিবির ও এনসিপি এই সোশ্যাল মিডিয়াকে গুজব, প্রোপাগান্ডার জন্য ব্যবহার করছে। সোশ্যাল মিডিয়ার সেই বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে।”

জামায়াত ও ছাত্রশিবিরকে দোষ দিয়ে রাশেদ বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়াকে কলুষিত করেছে জামায়াত-শিবির। এখানে সমস্যাটা আসলে জামায়াত-শিবিরের এবং কিছুটা এনসিপির।”

গণঅধিকার পরিষদের সাবেক এই নেতা বলেন, “আমরা ১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন ও ২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে দেখেছি, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষ কিন্তু সম্পৃক্ত হয়েছে। কিন্তু গণঅভ্যুত্থানের পর সোশ্যাল মিডিয়াকে জামায়াতে ইসলামী, তারা যেহেতু আগে গুপ্ত অবস্থায় রাজনীতি করত, তারা সুপ্ত হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়াকে তারা আসলে গুপ্ত হিসেবে ব্যবহার করেছে।”

জামায়াত যা বলছে

বিএনপি নেতা রাশেদ খানের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চরচা যোগাযোগ করে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের। তিনি চরচাকে বলেন, ‘‘২৬ সালের নির্বাচন যদি উনি (রাশেদ) খেয়াল করেন, তাহলে দেখবেন যে, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ৪২ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে। এটা কোনো অবৈধ ভোট না। যারা রাজনীতি নিয়ে ভাবেন, তাদের এসব কিছু দেখেই কথা বলা উচিত বলে আমি মনে করি।”

বিএনপি নেতা রাশেদ খান। ফাইল ছবি
বিএনপি নেতা রাশেদ খান। ফাইল ছবি

রাশেদ খানের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘একজনের কথার ওপর আমি মন্তব্য করব না। জনগণ বিচার বিবেচনা করেই জামায়াতের পক্ষে মতামত দিয়েছে, যেখানে জামায়াতের ৬৮ জন সংসদে বিজয়ী হয়েছেন। সুতরাং বিচ্ছিন্নভাবে এটা যদি কেউ বলে থাকেন সেটা তার সীমাবদ্ধতা বলেই আমি মনে করি।”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব নিয়ে ব্যক্তিগত মন্তব্য জানতে চাইলে এই জামায়াত নেতা চরচাকে বলেন, ‘‘সোশ্যাল মিডিয়া এখন গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে গেছে। এখন কয়েক কোটি মানুষের হাতে মোবাইল ফোন। মানুষকে এটা ভালো কিংবা খারাপ–দুই দিকেই প্রভাবিত করে। বিষয়টি হচ্ছে, সোশ্যাল মিডিয়ার অপতথ্যের ভয়াবহ অবস্থা। এটা নিয়ে সরকার কোনো আইন করেনি। এখানে নেতিবাচক বিষয়টিকে (আমলে নিয়ে) সরকারের যারা কাজ করছে, তাদের অবশ্যই পদক্ষেপ নিতে হবে।”

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৫ সালের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে ২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানে পতন হওয়া দল আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সব সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। এরপর থেকে দলটির কার্যক্রম হয়ে যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমনির্ভর। চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে জাতীয় সংসদে ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাস করে। গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে আওয়ামী লীগ মূলত ফেসবুককেন্দ্রিক কার্যক্রম চালাচ্ছে। তাদের বেশির ভাগ নেতা এখন দেশে-বিদেশে পলাতক।

এনসিপি নেতা দুষছেন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে

অভ্যুত্থানের পর অপতথ্য ছড়ানোর জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছেন। চরচাকে তিনি বলেন, ‘‘অনলাইনে বিভিন্ন দল আসলে প্রোপাগান্ডা দিয়ে থাকে। বিশেষ করে অভ্যুত্থানের পর অনলাইনে বেশি গুজব ও প্রোপাগান্ডা ব্যবহার করেছে আওয়ামী লীগ।”

যা বলছেন বিশ্লেষকরা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক দিক নিয়ে বিশ্লেষকরা বলছেন, ভুয়া তথ্য, বিভ্রান্তিকর প্রচার এবং অপপ্রচারের বিস্তারও এখানে দ্রুত ঘটে। অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মেরুকরণ বাড়াতেও এসব প্ল্যাটফর্ম ভূমিকা রাখছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, ভবিষ্যতের রাজনীতি আরও বেশি ডিজিটালমুখী হবে। এ জন্য রাজনীতিতে গুজব ও নেতিবাচক তথ্য, অপতথ্য নিয়ে সামাজিক সচেতনতা তৈরির জন্য সরকারসহ সকলকে ভূমিকা নিতে হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমানে জনমত গঠনের ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম একটি বড় শক্তি হলেও শুধু অনলাইন জনপ্রিয়তা রাজনৈতিক সাফল্যের নিশ্চয়তা দেয় না। নির্বাচনে সাফল্য অর্জনের জন্য এখনো মাঠপর্যায়ের সংগঠন, জনসম্পৃক্ততা এবং রাজনৈতিক কর্মসূচির গুরুত্ব অপরিসীম।

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান শেখ মো. শফিউল ইসলাম মনে করেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেতিবাচক তথ্য বন্ধে রাজনীতিবিদদের ভূমিকা অনেক। তিনি রাজনীতিবিদদের মধ্যে সহনশীলতা বাড়ানোর ‍ওপরও গুরুত্ব দেন। তিনি চরচাকে বলেন, ‘‘বিভিন্ন দলের মধ্যে যে একে অপরকে হেয় করা–এটা বন্ধ করতে হবে। এমনকি একই দলের মধ্যেও এটা দেখা যায়।’’

গুজব ও অপতথ্য রোধে বৃহৎ পরিবর্তন দরকার বলেও মনে করেন এই শিক্ষক। তিনি বলেন, ‘‘শুধু রাজনীতিবিদ না, নারী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষদের নানাভাবেই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হেয় করা হচ্ছে। নানা কনটেন্ট তৈরি করা হচ্ছে। এটা বন্ধ করতে বৃহৎ পরিবর্তন দরকার।”

তিনি আরও বলেন, ‘‘শুধু আইন ও পলিসি করে, ১০-২০ জনকে ধরে-মেরে সমাধান হবে না। এটার জন্য একটি কোয়ালিটি ডিজিটাল লিটারেসি দরকার। এ জন্য পরিবারের শিক্ষাও লাগবে।”

যা বলছেন তথ্যমন্ত্রী

এ বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন চরচাকে বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও গুজব এখন শুধু বাংলাদেশের নয়, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। সরকার এ বিষয়ে বেশ সোচ্চার এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়েছেন।” তিনি এ ধরনের তথ্য মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সম্পর্কিত